ছাত্রজীবনে স্যার আইজ্যাক নিউটন ছিলেন পড়াশোনায় বেশ অমনোযোগী এবং একটু বোকা টাইপের। তাই স্কুল ছাড়িয়ে তাঁর মা তাঁকে লাগিয়ে দিয়েছিলেন মুরগীর খামার দেখাশোনার কাজে। একদিন নিউটন মুরগীর জন্য একটা খোয়ার তৈরী করলেন যাতে দরজা বানালেন দুটি। একটি বড় আর অন্যটি ছোট। তাঁর মা জানতে চাইলেন, কেন মুরগীর খোয়ারের দরজা দুটি রাখা হলো। নিউটন জবাব দিলেন-'বড়টি দিয়ে বড় মুরগী ঢুকবে আর ছোটটি দিয়ে ঢুকবে ছোট মুরগী!'
2.
বাংলার বাঘ, রয়েল বেঙ্গল টাইগার নামে পরিচিত শেরেবাংলা এ.কে.ফজলুল হক লন্ডন থেকে ডিগ্রী পাওয়ার পর সে গাউন পরেই চলে গিয়েছিলেন ব্রিটিশ শাসিত ভারত পালর্ামেন্টে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গাউনগুলো তখন দেখতে অনেকটাই ছিল মহিলাদের বোরখার মতো। একজন শিখ তরুণ সংসদ সদস্য শেরেবাংলাকে লজ্জায় ফেলার জন্য বললেন-'আমরাতো ভেবেছিলাম ভাবী(শেরে বাংলার স্ত্রী) সাহেবাই এসেছেন! এখন দেখি....।' শেরেবাংলাও কিন্তু কথায় কম যাননা। তিনি বললেন-'আপনারা হতাশ হয়েছেন বলে আমি দুঃখিত। আসলে আমার স্ত্রী কিছুতেই এতগুলো হিজড়ার সামনে আসতে চাইলেন না!'
3.
রম্য সাহিত্যিক মার্কটোয়েনকে খোঁচা দেয়ার জন্য এক ফরাসী লেখক বললেন-'একজন আমেরিকানের হাতে যখন কাজ থাকেনা তখন সে নিজের বংশ নিয়ে গবেষণা করে এবং কয়েকবছর গবেষনার পর সে আবিস্কার করে কে তার আসল প্রপিতামহ।' মার্ক টোয়েন দমবার পাত্র নন। তিনি বললেন-'ঠিকই বলেছেন আপনি। তবে আমি আরো শুনেছি যে, ফরাসীরা এ ব্যাপারে গবেষণা করে নিজের প্রকৃত জম্মদাতার পরিচয় বের করতেও সক্ষম হয়না!'
4.
'পৃথিবী সুর্যের চারপাশে ঘুরছে' সে সম্পর্কে একবার বক্তৃতা করছিলেন বারট্রান্ড রাসেল। বক্তৃতার মাঝখানে এক বৃদ্ধলোক দাড়িয়ে রাসেলের কথার প্রতিবাদ করে বললেন-' ওহে তরুণ, তুমি বেশ বুদ্ধিমান, এতে কারো সন্দেহ নেই। তবে পৃথিবী যে চ্যাপ্টা আর তা কচ্ছপের পিঠে করে বয়ে বেড়াচ্ছে তা মনে করেছ আমরা জানিনা!' রাসেল বৃদ্ধের কথা শুনে অবাক হলেন। প্রশ্ন করলেন-'ঠিক আছে। তাহলে আপনি এবার বলেন, ওই কচ্ছপটা কিসের উপর দাড়ানো।' বৃদ্ধ একটু গাবড়ে গিয়ে বললেন-'হু, আমি তোমাকে বলে দেই আর তুমি তা শিখে ফেল আর কী!'

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
