এ মাসেই হলো অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদের মৃতু্যর দুই বছর পূর্তি, নিরাপত্তাহীন অতিপ্রিয় জন্মভূমি থেকে নিজেকে আগলে নিয়েছেন তিনি। পাকি শকুনের ছোবল পড়লো মুক্তি যুদ্ধে অন্যতম সংঘঠক অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনূসের উপর। রক্তের দাগ শুকায়নি, আবারো রক্তে রঞ্জিত হলো প্রিয় বাংলার বুক, নির্মম ভাবে খুন হলেন অধ্যাপক এস. তাহের। এই আমাদের স্বাধীনতা! এর জন্যই কি এক সাগর রক্ত! আমাদের স্বাধীনতার মানে কি সবচেয়ে প্রিয় মানূষ গুলোকে চোখর সামনে খুন হতে দেখা! প্রিয় মানুষগুলোর লাশ নিয়ে মিছিল করা ছাড়া কি আমাদের আর কিছুইা করার নেই!
খুনির বুকের পাটা এতই প্রসস্ত যে প্রশাসন এবং সরকারের সকল পদক্ষেপ সেখানে নির্বিকার। সালেহীদের এতই ক্ষমতা যে ওরা খুন করের প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াতে পারে, শিক্ষককে খুন করে তার নামে শোক সভা করতে পারে, সেই শিক্ষকের বিভাগেই পরীক্ষা দিতে পারে, খুনি হয়েও বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করতে পারে। তাদের ক্ষমতার দাপট আমদের তটস্থ করে রাখে, কিন্তু আমরা এমনটি চাইনা।
প্রথিত যশা অধ্যাপক জাফর ইকবালের জিব কেটে নেওয়ার হুমকী সেই পুরণো শকুনের, স্বাধীন বাংলাদেশে একজন দেশপ্রেমিক অধ্যাপককে এমন হুমকি সহজে মেনে নেওয়া যায়না। আমরা আর হারাতে চাইনা একজন প্রিয় মানুষকেও, হাসান আজিজুল হককে কেটে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস আলবদরের ছ্যালারা পায় কোত্থেকে! যে মুখ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের কথা উচ্চারিত হয় সেই মুখ স্তব্ধ করে দিতে চায় ওরা, স্বাধীন দেশে এর চেয়ে বড় কলঙ্কেও আর কি আছে!
আমাদের প্রিয় মানুষদের রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে, প্রয়োজনে কানসাট/ ফুলবাড়ির মত আন্দোলন করে নিমর্ূল করতে হবে হুমকি দাতাদের. নিশ্চিহ্ন করতে হবে স্বাধীনতার শত্রুদের, প্রয়োজনে অস্ত্র হাতে নিয়ে যুদ্ধ করতে হবে সেই সব খুনিদের বিরুদ্ধে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






