"আজ ৩ দিন ধরে।
ইচ্ছে করেই শিরীনের
সাথে কথা বলিনা।
অন্যান্য দিনের মতো
আজ ৩ দিন ধরে
দুপুরেও বাসায় খেতে
যাইনা। রাতে বাসায়
ফিরে দেখি অন্যান্য
দিনের মতো খাবার
সামনে নিয়ে মন খারাপ
করে বসে আছে।।
.
আজ, ৩ দিনে।
শিরীনের সাস্থ্য
অনেকটা খারাপ হয়ে
গেছে। চোঁখের নিচে
কালো হয়ে গেছে।
হয়তো হঠাত্ আমার
এমন গোমরা আচরণে
কষ্ট পেয়ে। একা
গোপনে কেঁদেছে।।
-
অনেক কষ্ট হলেও, এই
৩ দিন একটা জিনিস
পরিক্ষা করার জন্য
এমন আচরণ করেছি।
যা, যা, পরিক্ষার
ছিলো হয়েছে।
ভাবছিলাম আমিই ওর
কাছে সরি বলে নেবো।
আমি বলার আগেই,
শিরীন বললো।।
.
-আপনি ক্যাম্নে এমন
হইলেন? আগে তো
রাত্ৰে আমার মুখে
ভাত না তুইল্যা।
নিজের মুখে তুলতেন
না? কথা না থাকলেও
কথা কইয়া। মজা
করতেন? আইজ ৩ দিন
ধইরা। আমি কি
অপরাধ করছি? আমার
লগে কোনো কথা নাই!
আপনি কি আমার
প্ৰতি অসন্তুষ্ঠ,
অন্য কেউ কি আমার
স্থানে আছে? যদি
থাকে আমারে তা.....
.
তালাক শব্দটা
উচ্চারণ করার আগেই।
মুখ চেঁপে ধরে, ওর
শাড়ীর আচল টেনে,
ওর মুক্তদানার মতো
চোঁখের পানি মুছতে
গিয়ে। কখন যে আমার
চোখেই পানি চলে
এসেছে বলতে পারনা।
যাইহোক পরিক্ষায়
পাশ করেছে শিরীন'ই
-
আসলে। কোনো মেয়েই
স্বামীর ভাগ কাউকে
দেয়না। স্বামীর
অবহেলাও সহ্য করতে
পারেনা। এটাই পরিক্ষা
করলাম আমার
মতে। স্ত্ৰী'কে সময়
না দেয়া ও অবহেলাও
এই সমাজে পরকিয়ার
কারণ
.
আমার মান ভাঙ্গানোর
পর বৌ নাছোড় বান্দা ।
গত ৩ দিন ক্যান? এমন
করলাম। বললাম
দ্যাখলাম আমারে তুমি
ভালোবাসো কিনা
.
বৌ আমার বুকের পশম
টান দিয়ে, বললো, না
ভালোবাসিনা। তয়
চাঁন্নি পশর রাইতটা
গল্পে গল্পে পার করা
মন্দ না

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।