এখন বোধহয় সময় এসেছে তাকে নতুন করে চিনিয়ে দেবারা। বিশ্বাসই করতেই কষ্ট হয় তিনি আমাদের দায়িত্বশীল ক্যাপ্টেন, দুঃখিত দায়িত্বহীন ক্যাপ্টেন। তা হলে পর পর দুটি ম্যাচে একটি বাউন্ডারীর মারও আসলনা তার ব্যাট থেকে। শম্বুক গতির ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল তিনি হাল ধরার চেষ্টা করছেন, কিন্তু টেলিভিশনের পর্দায় আমাদের সাথে যেভাবে সুন্দর অভিনয় করলেন তাতে তো স্পষ্টতই ফুটর তিনি কত হাল ধরতে পারেন।
বাশারকে নিয়ে যখন এ লেখা লিখছি তখন নিশ্চয় আমার ভাল লাগার কথা না এবং যারা পড়বেন তাদেরও ভাল লাগার প্রশ্ন আসেনা, কিন্তু বাস্তব সত্যকে এড়িয়ে তো আর মিথ্যে নিয়ে বাস করা যায়না। সত্য শুনতে খারাপ লাগলেও সত্যই বড় সুন্দর। আর সেই সুন্দরটা আরো বেশী সুস্পষ্ট হল বাংলদেশের ব্যাটসম্যানদের দায়ীত্বহীন ব্যাটিং দেখে। এরকমটাই মনে হচ্ছিল, বাংলাদেশ যেন তার আগের অবস্থানে ফিরে যাচ্ছে। তাদের পুরানো রুপ আবার বুকে ধারন করে মাঠে নামছে। যেন ঐতিহ্য একেবারে হারিয়ে না যায়, সেরকমটাই কিছু।
অনেককেই রান আউটের সময় দেখেছি মাটিতে ঝাপিয়ে পড়ে প্রাণপনে চেষ্টা করেছে ডেড লাইন পার হবার, সেরকটাই যদি কালকে বাশার ভাই ঝাপিয়ে পড়তেন তাও তো মনে কিছুটা স্বান্তনা দেয়া যেত।
যাই হোক, এ লেখা বাশার ভাই হয়তবা পড়বেনা, পড়লেও তার মনে কতটুকু প্রভাব ফেলবে সেটা তিনিই ভাল বলতে পারবেনা। সে বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই।
তাকে নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে সেটাই বোধ হয় স্বাভাবিক।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


