
বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও হাল-হকিকত জানার জন্য মুলত ফোনগুলো আমিই করি আর সে ( অন্যেরা করে তবে কম) করে মুলত দুঃসংবাদ কিংবা বিশেষ কোন চাঞ্চল্যকর সংবাদ দেবার জন্য। সংবাদের প্রথম অংশটুকু থাকে এইভাবে;
-তপন শুনছো না?
আমি বলি, - ঘটনা কি?
-শুনো নাই তাইলে?
-না-তো!
নিশ্চিত হয়ে এর পরে মুল সংবাদে যায় সে।
আজ সকাল সাতটা বিশ-এ সে যখন ফোন করল তখনই আমার অন্তরাত্মা কেঁপে উঠল! মন বলল, বড় কোন দুঃসংবাদ- কারন ছোট খাট দুঃসংবাদে সে এত সকালে ফোন দিবে না।
খবরটা ভীষনভাবে অপ্রত্যাশিত না হলেও চরম আচম্বিতে পেয়ে ভয়াবহ মুষড়ে পড়লাম!
আমার এক বাল্যবন্ধুর মৃত্যসংবাদ- তবে সে শুধু বাল্য বন্ধু নয় আমার বহু শত স্মৃতির সাক্ষী মফস্বলের আড্ডার নিয়মিত সঙ্গী ছিল।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ও ফরিদপুর হোমিওপ্যাথিক কলেজের শিক্ষক ছিল সে।
একসময় দেশে গেলে সন্ধ্যে থেকে রাত বারোটা অব্দি তার দোকানেই তুমুল আড্ডা দিতাম! একদম ছোটখাট মানুষ জেদী গোয়ার একরোখা আর ঠোট কাটা বলে আড়ালে সবাই তার নামের আগে 'কটা' যোগ করেছিল। কেউ বলত 'গাইট্যা'। আশে পাশের সবার থেকে তার জানা শোনার বহর ছিল অনেক বেশী। প্রচুর পড়াশূনা করত- চেষ্টা করত শুদ্ধ ভাষায় কথা বলার। সারা দিন রাত মেতে থাকত টিভি রেডিওর খবর আর দিন দুনিয়ার অনুষ্ঠান নিয়ে। আশেপাশের কেউ তার সাথে কথায় পেরে উঠত না। নিজের যুক্তির সাথে একচুলও নড়ত না। ধাই করে মুখের উপরে এমন সব অপমানজনক কথা বলে দিত যে, সে মানুষ ইজ্জত বাঁচাতে তড়িঘড়ি করে সেখান থেকে পালিয়ে যেত। আর এমুখো হোত না।
এর আগে ওর আগের ইতিহাসটা বলে নেই, পারিবারিকভাবে ওরা বেশ সম্ভ্রান্ত ছিল। বাবা তার দাদার সুত্র থেকেই অনেক জমিজমার মালিক হয়।ছোটবেলাটা বেশ সচ্ছলতায় কাটে। এমনিতেই ডাকাবুকো পরিবার তারপরে ধনবান- একটু বেয়ারাভাবে বেড়ে ওঠে সে। স্কুলে কাউকে পাত্তা দিত না। কারো সাথে একটু এদিক সেদিক হলেই ধাই করে দু-ঘা বসিয়ে দিত। গাইট্যা হলেও শরিরে ছিল অসুরের মত শক্তি। সবাই তাকে ভয় পেত সমীহ করে চলত। কথা আর হাত দুটোই চলত তার সমান তালে। তবে তাকনোলজির প্রতি ছিল তার দারুন ঝোঁক। যদিও সেই অজ মফস্বলে তেমন কোন সুযোগই ছিল না তবুও রেডিও টেডিও নিয়েই দিন-রাত চলত তার কারিশমা। বিভিন্নভাবে আলো জালিয়ে ফ্যান চালিয়ে সে পোলাপানকে তাক লাগিয়ে দিত। বাপের পয়সা ছিল খরচ করতে সমস্যা ছিল না। মাধ্যমিকে পড়ার সময়ে তাদের বেশ কিছু জমি নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ল। আরো কিছু জমি নিয়ে মামলা মোকদ্দমার ঝামেলায় পড়ল- সেই ঝামেলা মেটাতে আর আরো কি কি সমস্যায় যেন তার বাপ অনেক জমি বিক্রি করে দিলেন। লোকে বলে ওর বাপের মাথায় নাকি সমস্যা দেখা দিয়েছিল সে অযথাই টাকা উড়াচ্ছিল- বাজে নেশায় নাকি পেয়েছিল। হুট করে সে মারা গেল- তার মারা যাবার শোকে ওর মা পাগল হয়ে গেল!
এক অবিবাহিত বোন আর পাগল মাকে নিয়ে কিশোর দুলাল পড়ল আকুল পাথারে। বাইরের লোকতো বটেই নিজের আত্মীয় স্বজনই সব গ্রাস করার ধান্ধায় উঠে পড়ে লাগল তখন।
ওইটুকুন বয়স থেকে সে যেন পণ করেছিল বাইরের কারো বুদ্ধি নিয়ে চলবে না নিজের বুদ্ধিতেই চলবে সারাজীবন। তখণো কিছু সম্পদ রয়ে গেছে। তার কিছু খরচ করে বোনের বিয়ে দিল। নিজের পড়ার খরচ আর মায়ের চিকিতসা খরচ চালিয়েছে।
নিজের বুদ্ধিতে ঢাকায় এসে হোমিওপ্যাথিক কলেজে ভর্তি হয়েছে। পাশ করে কারো পরামর্শ না শুনে ঢাকায় কিছু করার চেষ্টা না করে সেই মফস্বলেই ফিরে গেছে। হোমিওপ্যথিক কলেজে অনেক চেষ্টায় শিক্ষকতার চাকুরি পেয়েছে সত্য কিন্তু ওর সাইজে ছাত্র-শিক্ষক কেউ আর পাত্তা দেয় না- ওদিকে যে বেতন সেটা দিয়ে সংসার চলে না ভাবে শিক্ষক শুধু। নিজের এলাকায় বাজারে একটা দোকান দিয়ে সারাদিন বসে বসে মাছি মারে। এই পিচ্চি রগচটা বাচাল ডাক্তারের কাছে কেউ আসতে চায়না।
এমনিতেই গ্রামে কথা আছে হোমিওপ্যাথির ডাক্তার মানে দুই আনার ডাক্তার- যার নাই কোন গতি সেই খায় হোমিওপ্যাথি।
এরপর এলাকার ছেলে-ওই ঘরকা মুরগী ডাল বরাবর অবস্থা! এর উপরে গোপন কথা কইতে সমস্যা।
এত কিছুর পরেও দু'চারজন রোগী যা ও যায় তার কাছে। রোগের কথা কইলেই ধমক খায়,
এইটা কোন রোগ হইল? এইজন্য ডাক্তারের কাছে আসা লাগে? পয়সা বেশী হইছে? যান দুইখান নাপা খাইয়া ঘুম দ্যান।
এই নেন দুইটা পুরিয়া দিলাম। আর আসা লাগবে না। টাকা এখন দেয়া লাগবে না রোগ ঠিক হইলে দিয়েন।
কখনো সে ভীষন ব্যস্ত! আম্রিকার সাথে রাশিয়ার শীতল লড়াই চরমে- কানে রেডিও চেপে এন্টেনা টেনে বিবিসি শোনার জন্য টিউনিং করায় ব্যস্ত!
এইসময় রোগী আসল; দুলাল ভাই, আমার... পুরা কথা শেষ হইল না
ল্যাদা প্যাদা চেনা লোক। খ্যাচ করে উঠল সে, যান পরে আসেন। এখন ব্যাস্ত আছি!
মনে হইল সে ভিক্ষা নিতে আসছে।
এই নিয়ে তারে বন্ধু বান্ধব কত বুঝায় সে বোঝে না। গোয়ার্তুমী আরো বাড়ে দিন দিন।
দুলাল বেজায় খাটো মানুষ। মনে মনে তার হয়তো এই নিয়ে বেজায় কষ্ট! সে ও জানে মানুষ তারে আড়ালে বাইট্যা দুলাল বা গাইট্যা দুলাল বলে ডাকে। তার বেজায় সখ লম্বা একটা মেয়েকে বিয়ে করার। হুট করে সে বিয়েটা করে ফেলল এমনি- তার থেকে এক বিঘত লম্বা এক মেয়েকে বিয়ে করে ঘরে আনল সে। লম্বা মেয়েকে বিয়ে করে বেজায় খুশী ছিল সে- তার উপরে শিক্ষিতা- আর নামটাও বেশ ভারি ' ইশরাত জাহান' -গ্রামে বা মফস্বলে এ ধরনের নাম তখন বেশ আধুনিক।
তবে ওর পাশে ওর বউ এর সাইজ দেখে এলাকাশুদ্ধ লোক মুখ টিপে হাসল। আর শফিতো আজও হাসে।
কত কথা বলে এ নিয়ে- দুলাল নাকি 'চঙ্গো (মই) বেয়ে চুমায়' একবার নাকি বউ রে নিয়ে কোথায় যাচ্ছিল; গ্রামের এক সরল বুড়ি ওর বউরে জিজ্ঞেস করেছিল, 'মা এইডা তোমার বড় বেটা নাকি'?
ডাক্তারি পেশাটাকে খুব প্রেস্টিজিয়াস পেশা হিসেবে নিয়েছিল। হোমিওপ্যাথিক চিকিতসাকে সে আয়ুর্বেদিক তো বটেই এলোপ্যাথিক থেকেও অনেক উচ্চ আসনে রেখেছিল। হ্যানিমেন তার কাছে ছিল যেন দ্বিতীয় ঈশ্বর! তার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল হোমিওপ্যাথি ঔষধের মাধ্যমে যে কোন দুরারোগ্য রোগ নির্মুল সম্ভব। সেজন্য সে ছোটখাট রোগের চিকিৎসা করতে চাইত না- বুকে হিম্মত নিয়ে কয়েকবার ক্যান্সারে আক্রান্ত থার্ড স্টেজের রোগীর চিকিতসা করার চেষ্টা করেছে এবং বিফল হয়েছে।
তার টেবিলের উপরে সাজিয়ে রাখা কোন শিশি বোতল বই পত্রে সে কখনো হাত লাগাতে দিত না- মনে হত মহা পবিত্র জিনিস সব। কথা বলতে বলতে কোন একটা জিনিস হাতে তলে নিলে -সে কিছু না বলে অভদ্রভাবে হাত থেকে সেটা টেনে নিয়ে যথাস্থানে রেখে দিত।
বন্ধু বান্ধব কথা বলতে বলতে কখনো নিজের ছোটখাট রোগের কথা বললে কোন দাওয়াই দিত না, চুপ করে থাকত।
যদি জিজ্ঞেস করত, কিরে তোর হোমিওতে এর ঔষধ নাই?
উত্তরে একটু রেগে গিয়ে বলত, থাকবে না ক্যান। হোমিওপ্যাথিতে সব রোগের ঔষধ আছে। যে কোন রোগের জন্য আমার সাথে সিটিং দিতে হবে। আমার আগে হিস্ট্রি জানতে হবে। তারপরে মেডিসিন। এইরকম আজাইর্যা চিকিৎসা দুলাল করে না।
যাইত মেজাজ খিঁচরে! হালার পো- চিকিতসা তো দুই ফোটা এলকোহল আর চাইরখান চিনির বড়ি। সারাদিন ধইর্যাতো মাছি মারো- তাতেই এতো ভাব।
সে তখন রাগ কন্ট্রোল করে চেয়ারে হেলান দিয়ে পায়ের উপর পা তুলে দুলিয়ে দুলিয়ে ভাব নিয়ে বলত, তোরা খালি পাশ করছিস কিন্তু এখনো গণ্ডমূর্খ আছিস। চিনিসতো ওই এক এলোপ্যাথি। হোমিওপ্যাথির ইতিহাস জানিস? এলোপ্যাথির বাপ এইটা। যা পিন্টুর দোকানে
(পিন্টু আমাদের আর এক বাল্য বন্ধু। পারিবারিক ঔষধের দোকান চালায় - প্যারা মেডিক করেছে।)। রতনে রতনে মিলবে সোনা।
মেজাজ আরো বিগড়ে যেত তখন। বন্ধুদের মধ্যে একটু খিস্তি খেউড়ে চলে সেগুলো লেখা যায় না!
অবশ্য একদিন সে, হ্যানিমেন এর হোমিওপ্যাথি আবিস্কারের গল্প বলেছিল। চমৎকারভাবে।
স্যামুয়েল হ্যানিমেন এম.ডি ডিগ্রীধারী চিকিৎসক হিসেবে ১৭৮১ সালে তাম্রখনি অঞ্চল হিসেবে খ্যাত ম্যান্সফিল্ড রাজ্যের হেটস্টেড শহরে সর্বপ্রথম চিকিৎসা পেশা শুরু করেন। ১৭৮১ সালের শেষ দিকে তিনি ম্যাগডিবার্গের নিকটবর্তী গোমেরন এ জেলা মেডিকেল অফিসার নিযুক্ত হন। এসময় তিনি প্রচলিত অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার কুফল ও অসারতা উপলব্ধি করে তার বিভিন্ন প্রবন্ধ ও বইতে এ বিষয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু করেন।হ্যানিম্যান তার পূর্বের আড়াই হাজার বছরের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস অধ্যয়ণ ও পর্যালোচনা করেন। হ্যানিম্যান তার সময়ের প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি বিরূপ ছিলেন এবং ঐ চিকিৎসার উদ্দেশ্য তাকে ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছিল। তিনি দাবি করলেন যে তাকে যে ঔষধ সম্পর্কে শেখানো হয়েছে তা রোগীর ভালর চেয়ে বেশি ক্ষতিকর।
এ ট্রিয়েট্রাইজ অন মেটেরিয়া মেডিকা” (A Treatise on the Materia Medica) বইটি অনুবাদ করার সময় হ্যানিম্যান পেরুভিয়ান বার্ক থেকে তৈরী ম্যালেরিয়া (malaria) জ্বরের জন্য “সিঙ্কোনা” (cinchona) নামক গাছের ছালের কার্যকারিতা দেখতে পান। হ্যানিম্যান বিশ্বাস করলেন যে ম্যালেরিয়া জ্বরে সিঙ্কোনা’র মত অন্যান্য সহায়ক উপাদান (astringent substances) ততটা কার্যকরী নয় এবং তাই তিনি “সিঙ্কোনা” (cinchona) গাছের বাকল এর কার্যকারীতা নিজদেহে পরীক্ষা করা শুরু করলেন, দেখলেন যে এটা ম্যালেরিয়ার মত তার দেহে কম্পজ্বর উৎপন্ন করছে এবং এটা যে কোন সুস্থ দেহেই করতে সক্ষম। এ বিষয়টি তাকে একটি মৌলিক নীতির দিকে ধাবিত করে “ যা একজন সুস্থ ব্যক্তির উপর প্রয়োগের ফলে বিভিন্ন লক্ষণ সমষ্টির উৎপন্ন করতে পারে, তা একই রকম লক্ষন সমষ্টি সমৃদ্ধ অসুস্থ দেহে প্রয়োগ করলে নিরাময় করতে সক্ষম” এটাই “লাইক কিউর লাইক” (like cures like) যা একটি নতুন ধারার চিকিৎসা পদ্ধতির প্রচেষ্টা এবং তিনি এর নাম দেন হোমিওপ্যাথি।
হোমিওপ্যাথি” (homeopathy) শব্দটি হ্যানিম্যান প্রথম ব্যবহার করেন। "২৫০০ বছরের চিকিৎসা ইতিহাসে শুধুমাত্র আলব্রেচ ফন হেলারই বুঝতে পেরেছিলেন যে এটাই প্রাকৃতিক পদ্ধতি, অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং সঠিক ঔষধ প্রয়োগ পদ্ধতি যা মানুষের সঠিক স্বাস্থের উপর প্রভাব ফেলে এবং আমি তার পরবর্তী ব্যক্তি যে আবার এই প্রাকৃতিক পদ্ধতি চালু করলাম"। হ্যানিম্যান পুরাতন চিকিৎসা পদ্ধতি অ্যালোপ্যাথিকে ওল্ড স্কুল এর চিকিৎসা পদ্ধতি বলে অভিহিত করতেন।
সিঙ্কোনার বাকলের জুস খেয়ে তার যখন প্রচন্ড কাপুনি দিয়ে জ্বর এসেছিল- জ্বরের ঘোরে তিনি ভীষন পিপাসার্ত হয়ে পানি চাচ্ছিলেন বার বার। তার স্ত্রী যেই গ্লাসে তিনি সিঙ্কোনার ছালের জুস খেয়েছিলেন সেটাতেই পানি দিচ্ছিলেন। হানিম্যান লক্ষ্য করলেন ধারনার থেকেও কম সময়ে তার জ্বর সেরে গেল!
পরে অনেক ভাবনা চিন্তা করে তিনি বের করলেন গ্লাসে সেই বাকলের মাইক্রো কণাগুলো রয়েছে তার কল্যানেই এই উপস্বর্গ দ্রুত দূর হয়েছে।
তার অর্থ সঠিক রোগ নির্ণয় করতে পারলে এর চিকিৎসা পদ্ধতি বেশ সহজতর। আমি হয়তো বিষয়টা ঠিকভাবে বোঝাতে পারব না- তবে এই চিকিতসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নাকি অন্য যে কোন প্রচলিত চিকিৎসা থেকে কম।
হোমিওপ্যাথি এলোপ্যাথি থেকে আধুনিকতম চিকিৎসা ব্যাবস্থা হলেও সঠিক তত্ত্ববধায়ানের অভাবে ও কর্পোরেট দৌরাত্বের চাপে এই চিকিৎসা ব্যাবস্থা কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। অনেকেরই ধারনা এটা বেশ সেকেলে চিকিৎসা ব্যাবস্থা।
কটা দুলাল সাইজে পাঁচ ফুট হলে কি হবে ভাবে ছিল সাড়ে ছয় ফুট। রাস্তা-ঘাটে খুব গম্ভীর হয়ে মোটা গলায় কথা বলত যাতে তাকে একটু ভারিক্কি বা বয়স্ক লাগে। তাকে কেউ একটু কম পাত্তা দিলে সে ফিরেও তাকাত না কিংবা কোন এক ফাঁকে মওকামত দিত অপমান করে।
মানুষ তাই তার সঙ্গ এড়িয়ে চলত কিংবা সমঝে চলত।
** আর লিখতে ইচ্ছে করছে না। বাকি কথা সময় পেলে লিখব।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



