somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অফিসে অন্যরকম একটি দিন

০৯ ই এপ্রিল, ২০০৭ ভোর ৬:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত পরশু রাত থেকেই একটা বিষয়ে মেন্টালি আপসেট ছিলাম। যদিও গতকাল অফিসে এসেছিলাম তারপরেও মনটা অন্যদিনের তুলনায় ভাল ছিলনা, তাই মনমরা হয়ে বসে ছিলাম। কেউ না বললেও বুঝতে পারছিলাম নিজের ভিতরটার চেয়ে বাহিরের চেহারাটা ছিল আরো করুণ। বিশেষ করে অফিসে থাকাকালীন বাহিরের চেহারাটা যেন মলিন না থাকে মানে সেরকম কিছু প্রকাশ না পায় যেটা অন্যদিনের তুলনায় অন্যরকম সে ব্যপারে সবসময় সর্তক থাকার চেষ্টা করি। কিন্তু এতসবের পরেও কেমন জানি নিজেকে অন্যদিনের তুলনায় একটু অন্যরকম লাগছিল সেটা আমি যেমন বুঝতে পারছি তার চেয়ে বেশী বুঝতে পারছে একসাথে কাজ করা আমার কলিগরা। বস-ও সেটা আঁচ করতে পেরেছিলেন।

দুপুরের পর হঠাৎ-ই বস (ডাইরেক্টর) তলব করলেন, কোন কারণ ছাড়াই তলবের উদ্দেশ্য ভাবতে ভাবতে রুমে গিয়ে তিনি যা করলেন তাতে আমি হতবাক। আমার হাতে একটি অফিসের খাম দিয়ে বললেন এটা আমার জন্য। খামটি টেবিলে নিয়ে এসে খুলে দেখি একটি টি-শার্ট। আমি তো পুরো থ! কি ব্যপার হঠাৎ টি-শার্ট। স্যারকে ধন্যবাদ জানিয়ে আসলাম।

বিকেলের দিকে, বিজনেস কমিউনিকেশনের বিভাগীয় প্রধান তিনি আমার ডেস্কে আসলেন। ব্যাগ থেকে দুটি বঙ্ আমাকে দিয়ে বললেন এটা তোমার জন্য। আমি বললাম কি ব্যপার এবং কিসের জন্য। বলল রাখ। খুলে দেখি একটি সুন্দর ক্রিস্টালের চাবির রিং এবং আর একটি দামী বলপেন।

অফিস প্রায় শেষ চলে যাব, এমন সময় ডেস্কে ফোন আসল ম্যাডামের কাছ থেকে। তিনিও আমার বস। তিনি কিছুক্ষন থাকতে বললেন। অপেক্ষা করছি, বেশ সময় পর আসলেন। একটা সুন্দর প্যাকেট হাতে দিলেন। কিছু বুঝতে পারলামনা জিজ্ঞেস করতেই বললেন কিছুই বুঝতে হবেনা। প্যাকেট খুলে দেখি একটি সুন্দর পেন হোল্ডার।

কাল সারাদিন যে কি থেকে কি হল কিছুই বুঝতে পারলাম না। একটার পর একটা উপহার। কোন বিশেষ কারন কিংবা বিশেষ দিন হলে না হয় একটা কথা ছিল। সেরকমও কিছু না।
উপহারের জন্য নয়, বসদের আন্তরিকতা আর ভালবাসা দেখে সত্যিই বিস্মিত। একটা অন্যরকম দিন কাটালো অফিসে।

সবারই একসাথে উপহার দেয়ার বিষয়টির রহস্য এখনও জানতে পারিনি।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৭ ভোর ৬:০৮
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যুদ্ধে কেউ জয়ী হয়না, যুদ্ধ বন্ধ হলে মানবতার জয় হয়।

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩

যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?

আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

লিখেছেন আমি তুমি আমরা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬



অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।

দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।

ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কটা দুলাল

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪১



বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফাউ টাকার গল্প

লিখেছেন এস আই জয়, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৫

সময় ২০১৪ সাল...

ভার্সিটিতে আজ ক্লাস শেষে আমি, মেহনাজ, তামিম আর শাওন গোল হয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছি। হঠাৎ কোত্থেকে শেতু এসে হাজির। এসেই ডিরেক্ট ঘোষণা! আজ নাকি সে আমাদের সবাইকে স্টার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন পর্ব -১

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×