একজন ব্যবসায়ী হিসাবে আনিস ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয়। ব্যক্তিগত ভাবে উনি একদম ক্লিন ইমেজের লোক যদিও আওয়ামী প্যানেলে উনি নির্বাচিত হয়েছেন। যাই হোক আমরা ব্যবসায়ীমহল আনিস ভাইয়ের একজন শুভাকাংখী ছিলাম আছি এবং থাকব। ব্যক্তিগত ভাবে আনিস ভাইয়ের কাছে আমার প্রত্যাশা উনি যেন ঢাকা শহরটাকে চায়নার আদলে সাজান। উদহারণ স্বরূপ কয়েকটা ছবি সংযুক্ত করা হলো। প্রথমেই ক্লিন শহর গড়ার লক্ষে প্রতিটি রাস্তার খুব কাছাকাছি স্থানে পকেট ডাষ্টবিন স্থাপন করতে হবে যেন পাবলিক ময়লা আবর্জনা রাস্তায় নিক্ষেপ না করে ডাষ্টবিনে ফেলে। টিভিতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। রাস্তা ঘাটে নোংরা আবর্জনা যেমন কাগজের টুকরা, বোতল ইত্যাদি ফেললে জরিমানার ব্যবস্থা করতে হবে। শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। রাস্তার পাশে উঁচু করে লোহার ব্যারিকেড দিতে হবে যেন নির্দ্দিষ্ট স্থান ছাড়া মানুষ রাস্তা পার হতে না পারে। রাস্তার মাঝের আইল্যান্ড ফুল গাছ লাগিয়ে সুশোভিত করতে হবে যেন কেউ ওটা ডিঙ্গাতে না পারে। ফ্লাই ওভারে ফুল গাছ লাগাতে হবে যেন মানুষ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে। রাতের আঁধারে রাস্তা পরিষ্কার করতে হবে। রাস্তা থেকে সকল বালু রিমুভ করতে হবে। ফুটপাত পাকা করে তৈরী করতে হবে যেন মাটি দেখা না যায়। প্রতিটি গাছের গোড়া সুন্দর করে পাঁকা ইট দিয়ে বাঁধিয়ে দিতে হবে যেন মানুষ একটু ক্লান্ত হলে বসতে পারে। শহর থেকে মাকড়শার জালের মত ক্যাবল পরিষ্কার করে মাটির নীচ দিয়ে পাইপের মাধ্যমে সংযোগ দেবার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধান সড়ক থেকে রিকশা তুলে দিতে হবে। রিক্সার হার গানিতিক হারে কমিয়ে ফেলতে হবে। ঢাকা শহরকে গাছের শহর বানাতে হবে। গোটা ঢাকা শহরকে ওয়ান ওয়ে রাস্তায় পরিনত করতে হবে। প্রত্যেক ক্রসিংয়ে ফ্লাই ওভার নির্মন করতে হবে যেন যানজট না লাগে। যাত্রাবাড়ি ফ্লাই ওভারের নীচে যে চওড়া ব্লক আছে তাকে ভেঙ্গে বাসষ্ট্যান্ড বানাতে হবে ঠিক মালয়েশিয়ার কোতারাইয়ায় যেমন আছে। তাহলে গাড়িগুলো উক্ত স্থানে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠাতে ও নামাতে পারবে সেই সাথে মূল রাস্তা ব্লক হবে না। আপনার মত মেধাবী এবং পরিশ্রমী মেয়র ছাড়া এ কাজ করার মতো আর কেউ নাই। দেশ ও জাতির স্বার্থে আপনার নিরলস প্রচেষ্টা একান্ত কাম্য।





অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



