বাংলাদেশের সর্বত্র চোর-ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনিতে রাজনরা নিহত হচ্ছে। প্রতিদিন পত্রিকার পাতা উল্টালেই দেখা যায় অমুক স্থানে এত জন চোর এবং অমুক জায়গায় ডাকাত সন্দেহে এত জন গণপিটুনিতে নিহত। আবার দেখা যায়, ডাকাতির প্রস্তুতির সন্দেহে আটক। অতঃপর মামলা। ক্রসফায়ার তো আছেই। ক্রসফায়ার হলে উভয় পক্ষেই আহত কিংবা নিহত হবার কথা। বাস্তবে তা হয় না বলে জনমনে নানা প্রশ্ন। দেশে বহুবার ঘটেছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড।
ঢাকার মিরপুরের আমিন বাজারে কয়েক বছর আগে পবিত্র শবেবরাতের রাতে, নদীর তীরে অবস্থানকারী কয়েকজন ছাত্রকে ডাকাত সন্দেহে নির্মমভাবে হত্যা সভ্য জগতের ইতিহাসকে ম্লান করে দেয়। কাছেই পুলিশ দাঁড়িয়ে এ দৃশ্য উপভোগ করছিল। এলাকাবাসীর ডাকাত বলে সন্দেহ হলে পুলিশকে অবহিত করতে পারতো। তা না করে বিপুল সংখ্যক লোক একত্র করে লাঠিসোটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লো ওই নির্দোষ তরুণদের ওপর। মর্মান্তিকভাবে জীবন দিতে হলো তাদের।
আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া যায় না। একজন খুব গরিব লোক আর্থিক তাড়নায় দু-এক শ’ টাকা চুরি করলেও তাকে প্রাণে মারা যায় না। দেশের একজন খুব ধনী লোভী লোক কলাকৌশলে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে, সে গণপিটুনিতে নিহত হয় না।
একজন যত অন্যায় করুক না কেন তাকে হত্যা নয়, বিচারের আওতায় আনতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

