রাজধানীর পল্লবীতে পুলিশের টহল কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস ভাংচুর করে এবং দায়িত্বরত পুলিশের এক এসআই ও এএসআইকে মারধর করে, মাদকসহ পুলিশের হাতে আটক হওয়া লাট মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে স্থানীয় ক্যাডাররা । ওই ব্যক্তি স্থানীয় সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার গাড়ি চালক বলে জানা গেছে।
পরে, ঘটনাটিকে তুচ্ছ ঘটনা বলে ধামাচাপা দেন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আমার মন্তব্যঃ হাসতে গিয়ে চিন্তায় দম বন্ধ হয়ে গেল। ঘটনা নিঃসন্দেহে বিনোদনের সৃষ্টি করে । কিন্তু তার পর পরেই দুঃশ্চিন্তার কালোমেঘে মন ছেয়ে যায় । মানুষের রক্ত পানি করা টাকার ট্যাক্স দিয়ে পুলিশ বাহিনী চলানো, মানুষগুলোর রক্ত পানিতে ফেলার নামান্তর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ । বলি, জনগনের টাকায় কেনা বুলেটগুলো দিয়ে কিছু না হোক অন্ততঃ নিজেদের ইজ্জত বাঁচান । তাছাড়া আপনাদেরকে আমাদেরকে আমাদের নিরাপত্তা রক্ষক ভাবতে, বিবেকের কাছে ইমেজ সংকটে পড়তে হয় ।
মাদক!!! সে তো আমাদের প্রিয় খাবার । ও জিনিসের প্রতি প্রচুর আবেগ । ও ব্যাপারে কিছু বলার নেই । আমাদের বন্ধুকে আমরা গঙ্গার ইলিশ খাওয়াই, ওরা সে ভালোবাসা শোধ দেওয়ার চেষ্টায় আছে । বেশী ভালবাসায় আমাদের অবশ্য পেট বাঁধার উপক্রম । এ নিয়ে ওদেরকে দোষারোপ করাটা আসলে পক্ষপাতমূলক আচরণ হয়ে যায়, আমরা খাই বলেই তো ওরা খাওয়ায়, ওরা তো আর আমাদের জোর করে খাওয়ায় না । তবে আলোচ্য ঘটনায় যেহেতু একজন সংসদ সদস্যের ছায়া আছে, তাই বলছিলাম কি, আপনাদেরকে তো আর না করতে পারিনা, আপনারাই দেশের বাপ-মা, তবে এগুলো পর্দার আরেকটু আড়ালে সারলেই মনে হয় ভাল হয় । তাছাড়া বোঝেনই তো, সমস্যা ঐ একই, বিবেকের কাছে ইমেজ সংকট । আপনারা আবার আমাদের আইন সভার সদস্য কি না.........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

