
বিশেষ করে ইন্টারভিউ দেবার কম পক্ষে ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে অফিসে উপস্থিত হতে । আর কোন মতেই ইন্টারভিউয়ের দিন ইন্টারভিউ দেয়ার আগ পযন্ত কোন প্রকার আলসেমি চলবে না । কেননা আপনার আলসেমির কারনে গাড়ি মিস করলে ইন্টারভিউ না দিতে পারলে সে জন্য কৃতপক্ষ দায়ি থাকিবেন না এমনিতেই আমাদের দেশে চাকুরির বাজার খুবই খারাপ কে কার আগে যাবে তাই আপনাকে সব সময় মনে রাখতে হবে ইন্টারভিউতে আপনার কখনোই দেরি করা চলবে না।অন্যদিকে রাস্তাও খুব জ্যাম থাকে তাই আপনাকে বাসা থেকে অফিসের দুরুত্ব হিসেব করে একটু আগেই বের হতে হবে ।দেখুন ভাগ্য নয় আপনি আপনাকে উপস্থাপন করুন । এখানে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বড় বিষয় । তাই ভাগ্যের হিসাব না করে আপনার যোগ্যতা অর্জনের চিন্তা করুন ।তাই পারলে ইন্টারভিউয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিতে অন্য সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের আগে চাকরির বিস্তারিত বা চাকরির বিষয় জেনে নিন। আর চাকরির বিস্তারিত দেখে নিয়ে সেগুলো সম্পর্কে সঠিক ধারণা বা জ্ঞান অর্জন করুন। চাকরিটি সম্পর্কিত যে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। মনে রাখবেন আপনি নিজেকে উপস্থাপন করছেন এখানে ভাগ্যের কোন হাত নেই।চাকরিতে তারা প্রশ্ন করবে আপনার অভিজ্ঞতা, লক্ষ্য এবং প্রতিষ্ঠানের কাজ বিষয়ে। আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সময় অবশ্যই প্রশ্নকর্তা প্রতিষ্ঠানের কাজের বিষয়টি খেয়াল রাখুন। তাদের কাজে জন্য কেমন মানুষ প্রয়োজন এবং সে বিষয়টি খেয়াল রেখে প্রশ্নের উত্তর দিবেন।বেশি হাসিকে অধিকাংশ মানুষই পছন্দ করেন না তাই প্রথম দর্শনে আপনার উপস্থাপন এবং গলার স্বরের সঠিক মাত্রা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়াও ক্ষেত্রবিশেষে হাত মিলানো এবং চোখে চোখ রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।সাধারণত ইন্টারভিউয়ের সময় হাসা এবং হাসিখুশি প্রার্থীকে অবমূল্যায়ন করেন চাকরি বোডের অফিসার রা। আপনাকে হতে হবে সচেতন এবং দৃঢ়। আচার আচরণে বোঝাতে হবে আপনি এমন একজন মানুষ যে কাজ করার জন্য প্রস্তুত।

ইন্টারভিউ শেষে সবাইকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না। আপনার বিষয়ে তাদের শেষ ধারণাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




