
আমরা জানি আমাদের পাশের দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মুসলিমদের এখনকার দূরগতির কথা।তারা অনেক আঘাত পেয়ে এবং কষ্ট পেয়েই নিজ জন্মভূমি রাখাইন ছেড়ে অবশেষে বাংলাদেশে এসেছে ।আর তাদের এই বিপদের সময় যদি আমরা তাদের পাশে
থেকে উপকারের নামে কোন প্রকার অপকার করি তাহলে সারাজীবনের জন্য রোহিঙ্গাদের কাছে যেমন আমরা চোর হয়ে গেলাম তেমন তাদের কাছে আমাদের আর মিয়ানমারের সেনাবাহিনীদের মধ্যে কোন পাথক্য থাকবে না। সংবাদ পেলাম যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেছেন; মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য প্রায় ২৮ মিলিয়ন বা ২ কোটি ৮০ লাখ ডলার সহায়তায় দেবেন শুধু যুক্তরাষ্ট্র। সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদেরও এই কথা জানানো হয়েছে। বার্নিকাট বলেছেন মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সহায়তায়ও ৩৫ লাখ ডলার দেয়া হবে। নতুন এই সহায়তা নিয়ে এ বছর মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত ও সেখান থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার পরিমাণ প্রায় সাড়ে নয় কোটি বা ৯৫ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়াচ্ছে । মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ দেশের অন্যান্য মন্ত্রী মহাদয়দের কাছে আকুল আবেদন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার এই অর্থ এবং আরো অন্যান্য দেশ থেকে আসা সাহায্য সহযোগিতার অর্থ দিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় স্থান, খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন সেবা যেন ঠিক মত দেয়া হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




