পৃথিবীতে জবে থেকে মানব সভ্যতার শুরু বা মানুষের আগমন ঘটেছে সেদিন থেকেই একের পর এক
যুদ্ধ লেগেই আছে । কখনো ধর্ম নিয়ে এ ধর্মের মানুষ ও ধর্মের মানুষকে নয়ত ও ধর্মের মানুষ এ ধর্মের
মানুষকে মেরেছে ।
আবার কখনো প্রেম ভালোবাসা নিয়ে যুদ্ধ হয়েছে ।ইতিহাস ঘাটলে এরকম ব হু যুদ্ধের রচনা নাটক গল্প শোনা
বা দেখা যায় ।
যুদ্ধ ছাড়া এমন কোন ধর্ম এমন দেশ বা এমন কোন রাষ্ট্র আছে বলে মনে হয়না বা হয়ত আমার ধারনার বাহিরে।
যাই হোক ইতিহাস পড়ে এবং ঘেটে আমরা সকলেই কম বেশি ক্রুসেডের যুদ্ধ,এডিসাই ছিল প্রথম মুজাহিদ অঙ্গরাজ্য যাদের প্রথম ক্রুসেডে ১০৯৫ থেকে ১০৯৯ সাল পযন্ত দেখা গেছে এবং আমারা এও জানি তাদেরই প্রথম পতন হয়েছিল।আর এভাবে প্রথম,দিত্বীয়,করে সপ্তম
ও নবম,এবং মেষপালকের ক্রুসেড থেকে আলেক্সান্দ্রীয় ক্রুসেড এবং শেষ হয়েছিল সম্ভবত নিকোপোলিসের যুদ্ধ বা ক্রুসেডের ভিতর দিয়ে।
মেষপালকদের ক্রুসেড বলতে এখানে দুইটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে বোঝানো হয়েছে। একটি ঘটেছিল সপ্তম ক্রুসেডের সময় ১২৫১ সাল। আর অপরটি ঘটেছিল ১৩২০ সাল।সপ্তম ক্রুসেডে ফ্রান্সের রাজা লুই পরাজিত হন এবং তাকে কায়রোতে বন্দী রাখা হয়। ১২৫১ সালে লুইকে রক্ষার ব্যাপারে উত্তর ফ্রান্সের প্রায় ৬০ হাজার তরুণ কৃষক স্বপ্নে কুমারী মেরির নির্দেশপ্রাপ্ত এক হাঙ্গেরীয় নেতার নেতৃত্বে প্যারিসে যায় এবং সেখান থেকে ফ্রান্সের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষ শুরু করেন। তাদেরকে পরবর্তীতে দমন করা হয়।১৩২০ সালে উত্তর ফ্রান্সের নরমঁদিতে এক মেষপালক কিশোর স্বপ্নে দেখে তাকে স্পেনের মুর তথা মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। তাকে ঘিরে একটি আন্দোলন গড়ে ওঠে এবং তারা প্যারিসে যায়। কিন্তু সেখানে পাত্তা না পেয়ে তারা দক্ষিণে স্পেনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং পথিমধ্যে বিভিন্ন প্রাসাদে লুটতরাজ ও দাঙ্গা হাঙ্গামা চালায় এবং ইহুদীদের হত্যা করে। পরে স্পেনে প্রবেশ করে সেখানেও ইহুদীদের হত্যা করতে থাকে। পরে স্পেনের রাজপুত্র আলফোন্সো তাদের নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আমরা আলেক্সান্দ্রীয় ক্রুসেডের কথা যতটুকো জানি সেটা হল আলেক্সান্দ্রীয় ক্রুসেড একটি ক্ষণস্থায়ী ধর্মযুদ্ধ যা ১৩৬৫ সালের অক্টোবর মাসে সংঘটিত হয়েছিল। সাইপ্রাসের ১ম পিটার এই ক্রুসেডটি মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া শহরের বিপক্ষে পরিচালনা করেন। ধর্মীয় কারণের বদলে অর্থনৈতিক ফায়দার জন্যেই এই ক্রুসেডটি মূলত্ব পরিচালিত হয়েছিল।

নিকোপোলিসের যুদ্ধের কথা যতটুকো জানি সেটাও তুলে ধরলাম ।নিকোপোলিসের যুদ্ধ ১৩৯৬ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর দানিউব নদীর উপর অবস্থিত বুলগেরীয় শহর নিকোপোলিসে সংঘটিত হয়েছিল। এর এক পক্ষে ছিল উসমানীয় সাম্রাজ্য, এবং অন্য পক্ষে ছিল হাঙ্গেরি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, জার্মানি, এবং অন্যান্য এলাকা থেকে আগত খ্রিস্টান সেনার দল। এটি ছিল মধ্যযুগের সর্বশেষ বড় আকারের ক্রুসেড।এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় চতুর্দশ শতাব্দীর একেবারে শেষের দিকে। হাঙ্গেরির সিংহাসনে সিগিসমুন্ড বসলে তিনি তৎকালীন তুরস্কের ওসমানীয় বা অটোমান সুলতান বায়েজিদের অধীনে থাকা বুলগেরিয়া আক্রমণ করে দানিয়ুব নদীর অববাহিকায় অবস্থিত নিকোপোলিস নামক শহর দখল করে নেন। এই সংবাদে সুলতান বায়েজিদ একটি শক্তিশালী ওসমানীয় বাহিনী তার বিরুদ্ধে পাঠালে সিগিসমুন্ড তাদের শক্তি বুঝে যুদ্ধ এড়িয়ে গিয়ে তখনকার মতো পশ্চাদপসরণ করেন। তারপর ওসমানীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনি অপরাপর ইউরোপীয় রাজাদের কাছে সাহায্য চাইলে পোপ নবম বেনিফেস এগিয়ে আসেন। তার ডাকে সাড়া দেয় ফ্রান্স,ইংল্যান্ড,লোম্বার্ডি,স্যাভয়,ব্যাভারিয়া,জার্মানি, বোহেমিয়া,অস্ট্রিয়া। তারা সম্মিলিত ভাবে ওসমানীয়দের বিরুদ্ধে নিকোপোলিসে সমবেত হয়। ধর্ম যোদ্ধারা কোন প্রকার পুর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই ওসমানীয়দের আক্রমণ করে। মাত্র তিন ঘন্টার যুদ্ধে সম্মিলিত বাহিনী বায়েজিদের কাছে পরাজিত হয়। সিগিসমুন্ড দানিয়ুব নদী পাড়ি দিয়ে হাঙ্গেরিতে চলে আসেন।এটি ছিল মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় খ্রিস্টানদের সম্মিলিত সর্বশেষ ক্রুসেড।
তথ্যসূত্রঃ
এর পর পাক ভারত যুদ্ধ,প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ,দিত্বীয় বিশ্ব যুদ্ধ এবং আরো বহু যুদ্ধ ।
এত যুদ্ধের কথা বা ইতিহাস কয়েক বছরেও লিখে শেষ করা যাবে না।
আর এ লেখাটিরও মূল বিষয় হলো রহিঙ্গাদের নিয়ে ।যাই হোক লেখার মূল বক্তব্যে
ফিরে যাই ।এই যে পৃথিবীতে এত যুদ্ধ হয়েছে তাতে কেও হেরেছে আবার কেও জয়ের
মালা গলায় পরেছে । যারা দেশ নিয়ে যুদ্ধ তারাও একই ভাবে একদল পরাজয় আরেকদল
দেশ স্বাধীন করে স্বাধীনতা ফিরেপেয়েছে বা বিজয়ের মালা পড়েছে।
লেখার মূল বক্তব্য বা যুক্তি
কিন্তু একেকটি দেশে এমনেই স্বাধীনতা আসে নাই স্বাধীনতার জন্য কঠোর লড়াই বা পরিশ্রম
করতে হয়েছে প্রতিটি দেশের মানুষকে ।নিতে হয়ছে সাহায্য পাশ্ববতি বা প্রতিবেশি দেশের।
সংক্ষেপে আমি বোঝাতে চাইছি আমাদেরকে বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যে ভাবে অস্র
এবং গোলা বারুদ ও যুদ্ধ টেনিং দিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ভারত সাহায্য করেছে,
ঠিক সেই ভাবে আমরা এবং আরো কিছু মুসলিম রাষ্ট্র চাইলে সকলে মিলে রোহিঙ্গাদে বসিয়ে শুধু না
রেখে তাদের যুদ্ধ টেনিং দিয়ে রাখাইন রাজ্য মিয়ানমারের সেনামুক্ত করে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি স্বধীন
রাখাইন রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



