
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ওড়াল সেতুর দুই পাশে প্রাই দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে মল ময়লা পানি এবং দুর্গন্ধময় বর্জ্য জমে থাকছে। শিল্পাঞ্চলের এমন গুরুত্বপুর্ন পৌর শহরে দূর্গন্ধযুক্ত পানি পাড়িয়েই প্রতিদিনই চলছে নিত্যদিনে কাজ, চলছে বাণিজ্যিক কার্যক্রমও। জমে থাকা পানি আর বর্জ্যরে ও ময়লার স্তুপের দায়ও স্বীকার করছেন না কেউ। নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে দাড়াচ্ছে এই নগরবাসীর কাছে। দুর্গন্ধযুক্ত আর মল ময়লার পানিতে চলতে চলতে অতিষ্ট হয়ে যাচ্ছেন এখানকা সাধারন ভুক্তভোগী মানুষেরা। তাই আগামী বর্ষা আসার আগেই যদি কোনও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন না করা হয় তাহলে এখানকার মানুষ বা সাধারন লোকজন এবং সাধারন ব্যবসায়ীরা পড়বে চরম দুর্ভোগে। ব্যবসায়ী এবং পথচারীরা জানিয়েছেন প্রায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে এই জমাটবাধা পানি নিয়ে
অনেক আলোচনা বহুবার বিভিন্ন দপ্তরের টেবিলে চলাচল করেছে,কিন্ত সরকারি এবং রাজনৈতিক পর্যায়ে শহরটির এই অংশ পরিচ্ছন্ন করার ইচ্ছা থাকলেও তা কোন ভাবেই বাস্তবে আলোর মুখ দেখছেনা। প্রতিশ্রুতির পর প্রতিশ্রুতি বাড়ছে আর সেই একই সাথে বাড়ছে ময়লা পানি আর বর্জ্যের পরিমাণ।

বেপরোয়া গতিতে চলাচল করা গাড়ির চাকার সংস্পর্শে পানি রাস্তার পাশে চলা পথচারীদের শরীরকে করে দেয় নোংড়া। গাজীপুরের শ্রীপুরের অন্যতম ব্যস্ত এই শিল্প শহরের রাস্তাকেন্দ্রীক বিপনী কেন্দ্রগুলোতে নাক চেপে প্রবেশ করতে হচ্ছে সাধারন ক্রেতাদের। এমনও অভিযোগ আছে শহরের বহুতল বাড়ি গুলোর বর্জ্য অপসারণের পাইপ কোনো কোনো স্থানে সরাসরি আবদ্ধ ড্রেনে সংযুক্ত করা আছে।আর তারই ফলে প্রতিনিয়ত মানববর্জ্য মিশে যাচ্ছে সড়কে জমে থাকা পানিতে। শহরে থাকা খাবার দোকানসহ অধিক পানি ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বর্জ্য অপসারণের সুনির্দিষ্ট স্থান না থাকাতে তারাও তাদের ময়ললা পানি ও বর্জ্য ফেলছে রাস্তার পাশে ।

আর এই সকল দূর্গন্ধযুক্ত পানির ছোঁয়ায় অনেকে চর্মরোগেও আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগও করছেন। মাওনা চৌরাস্তা এলাকা এমনও দেখা যায় সাধারন ব্যবসায়ীরা রাস্তার দুই পাশে তাদের হোটেল ও বিপনী কেন্দ্রগুলোতে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাঁশ, কাঠ এবং লোহার তৈরি মই স্থাপন করেছে। ক্রেতা ও পথচারীরা ময়লা পানি এবং বর্জ্য এড়িয়ে ঐ সকল মই ব্যবহার করে বিপনী কেন্দ্রে প্রবেশ করছেন। ব্যস্ততম সড়কে লাগাতার চলা যানবাহনের চাকায় ময়লা এবং বর্জ্য মিশে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে। শহরের ওড়াল সেতুর দুই পাশের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই একই চিত্র দেখা যায়।
ছবি ও সূত্র; ইন্টারনেট নিউজ পেপার
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




