
রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়া নিয়ে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি হয়।
কিন্ত যে সকল রোহিঙ্গা আমাদের দেশে পালিয়ে এসেছেন তারা কোনও ভাবেই আর ফেরত যেতে চাচ্ছেন না মিয়ানমার।
রোহিঙ্গাদের মতে সেখানে তাদের জান মালের কোনও নিরাপত্তা নাই তাই তারা সেখানে যদি যথেষ্ট নিরাপত্তা ও নাগরিকত্ব এবং তাদের যে ক্ষতি হয়েছে মিয়ানমার সরকার যদি সে ক্ষতিপূরণ দেয় তাহলে রোহিঙ্গারা মিয়ানমার যাবে আর না হলে ফিরবেন না বলে জানিয়ে দিচ্ছে শরণার্থীশিবিরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গারা ।নব্বইয়ের দশকে মিয়ানমারে নির্যাতনের মুখে যখন তখনও বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিলেন অনেক রোহিঙ্গারা।আর ১৯৯২ সালে যখন বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে একটা দ্বিপক্ষীয় চুক্তি হয় তখন ২০০৩ সালে দেশে ফিরে যান
অনেক রোহিঙ্গারা। আর বার্মায় ফেরার কিছুদিন পর থেকেই ওই সকল রোহিঙ্গাদের ওপর শুরু হয় অমানবিক নির্যাতন ।এমনকি পুনর্বাসনের জন্য ফেরত রোহিঙ্গাদের যে টাকা দেয়া হয়েছিল সেই টাকাও কেড়ে নিয়েছিলো বার্মা সেনাবাহিনীরা। এমনও শোনা যায় সে সময় মিলিটারিরা রোহিঙ্গাদের বাড়ি যেয়ে সেখানে নারীদের ওপরে অমানবিক নির্যাতন চালাতো। আর বাধ্যতামূলক কাজ করতে হত মিলিটারিক্যাম্পে ।এসব কথা ভেবেই রোহিঙ্গাদের অনেকে দেশে ফিরতে চান কি চান না এমন প্রশ্নে রীতিমতো আঁতকে উঠছেন।
আর সেজন্যই রোহিঙ্গাদের একটাই কথা ওরা যতোই চুক্তি করুক ওরা আমাদের নির্যাতন করবেই।এখানে অন্তত দুইবেলা খাবার খেয়ে শান্তিতে থাকতে পারি। তাই মরলে আমরা বাংলাদেশেই মরতে চাই।আর ওদেশ মুখি হতে চাইনা।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সকাল ৯:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




