
আজ কয়েক দিন থেকে বেশ কিছু ধর্মিক গবেষক বৈজ্ঞানী লেখকদের সামুতে পদার্চণা দেখছি।
না গবেষনা খারাপ না। অন্তত আমি বাঙ্গালি হিসেবে আরেকজন বাঙ্গালি গবষককে গবেষনার
দুনিয়ায় স্বাগতম এবং অভিনন্দন জানাই।কেননা সে আমাদের বাঙ্গালি জাতির গর্ব । তবে ইদানিং
কিছু সামুর গবেষকদের দেখছি তারা তাদের গবেষনার নামে ধর্মিক রেষারেষি টাণছে।তারা এমন
কূতুক্তি করছে তাদের কারো কারো মতে মনে হচ্ছে পৃথিবীর কোন সৃষ্টি বা পালন কর্তা নেই।
তারা যেটা গবেষনা করছে সেটাই ঠিকঠাক আর কুরআন হাদিস সবই ভুলভাল কথা।
দেখেন আম গাছে হয়ত কাঠাল হতে পারে বা আলু গাছে হয়ত আলু টমেটো দুটই হতে পারে
কৃষি বিজ্ঞানীদের গবেষনা বা চেষ্টায় কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে তাই বলে পৃথিবীর এমন ডাক্তারি
বোর্ড নেই যে বোর্ড একজন গর্ভপতি মায়ের গর্ভের ছেলেকে মেয়ে বা গর্ভপতি মায়ের গর্ভের
মেয়েকে ছেলে বানিয়ে দিতে পারবেন
আরেকটু ভেবে দেখুন টাইটেনিক জাহাজের কথাই যখন জাহাজটি তৈরি করা হয়েছিল এবং টাইটানিক
জাহাজটি ভেঙে যাওয়ার আগ মুহূর্ত পযন্ত বলা হয়েছে সেটি কখনই ধ্বংস হবে না । কিন্তু অবশেষে
সামান্য বরফের ধাক্কা লেগেই সেটা ভেঙে গভীর সমুদ্রে তলিয়ে গেছিল । এখানে কি সৃষ্টিকর্তার হাত নেই।
আমরা একটু খতিয়ে দেখলে পৃথিবীর এরকম বহু নজরবিহীন ঘটনা দেখতে পাবো।আমি বুঝিনা তবু কেন
আমরা বিশ্বাস করতে চাইনা আমাদের একজন রব আছে আর পাঠানো কিতাব পাক পবিত্র কুরআনের প্রতিটা
বাক্য সত্য। আপনা কি জানেন আপনারা এই কুরআন বিরোধী বা নাস্তিকপানা করছেন কুরআনে স্পষ্ট ভাবে
তাদের কথাও বলা হয়েছে । কিছু আয়াতে আছে যারা এসব নাস্তিকপানা করছেন তাদের জন্য অপেক্ষা করছে
কঠিন আযাব। তাই আসুন হয়ত কুরআনকে বুকে আগলে ধরে বাঁচতে শিখি আর একান্তই যদি আপনি আপনার
বিশ্বসকে গ্রহণ যোগ্যটা মনে করেন তবে সেই বিশ্বাস নিয়েই বাঁচুন তবে দয়া করে কারো ধর্মে বা বিশ্বাসে
আঘাত করে নয়।কেননা ধর্ম আর বিজ্ঞান এক নয় ধর্ম হলো যার যার বিশ্বাস আর বিজ্ঞান যা চক্ষুস আবিস্কার।
আবিস্কার হয়তো চোখে দেখা যেতে পারে আর ধর্ম হলো না দেখে বিশ্বাস করতে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




