
শুধু শুধু হাউ কাউ করে কোনো লাভ নাই । বিএনপি প্রধান নেত্রী বেগম খালেদ জিয়া জেলে আছেন প্রায় দুই বছরের কাছাকাছি,
পারছে বিএনপি শক্তিশালী কোনো আন্দোলন করতে ? উত্তর এ কটাই হবে,না পারে নাই! কেন পারে নাই ? উত্তর একটা হবে
দলে তেমন শক্তিশালী সাহসী নেতা নাই ।
এর পর এইযে ২০১৪ সালের নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচন তার পর ২০২০ সালের সিটি নির্বাচনও
জোর করে নিয়ে নিল সরকারি দল । পারছে বিএনপি কিছু করতে ? উত্তর একটাই না পারে নাই। কারন কি ?
কারন একটাই দলকে ভালো ও সাহসী এবং শক্তিশালী নেত্রীতো দেয়া মানুষ নাই ।
খালেদা জিয়া,তারেক জিয়াকে দলের ভাইস চেয়ারম্যান করে যে চরন ভুল করছেন,জেলে বসে বসে এখন তার খেসারত দিচ্ছেন ।
মানুষ এখন বিনাস্বার্থে কোনো কাজ করেন না ।আমজনতা বা সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে দলের ছোট বড় অনেক নেতা কর্মী
আছেন কিন্তু কেউই বিএনপি পক্ষ হয়ে বা নিয়ে মাঠে নামতে চান না,কারন একটাই আমাদের দেশের রাজনীতি হচ্ছে পরিবার তান্ত্রিক।
যেমন সিটি নির্বাচনের পরের দিন হরতাল চলাকালিন সময় রিজভী সাহেবকে পুলিশ দিছেন ৩০ মিনিটের সময় আর রিজভী সাহেব
মাত্র ৭ মিনিটের মাথায় মাঠ থেকে কেটে পরেছেন বুঝেন তাহলে উনি হলেন বিএনপি দলের একজন সিনিয়র নেতা,আর উনিই যদি
এই অবস্থা করেন তাহলে ছোট খাটো নেতা যারা আছেন তারা কি করবেন ?
আসলে সবাই এখন জানে দিন শেষে বুড়ো আঙ্গুলের মাথা চুষন ছাড়া আর কোনো উপায় নাই । আরেটা কথা দলের মাথা যদি বিদেশ
থাকে তাহলে কি সেই দলের কোনো শক্তি থাকে ? না থাকেনা । তারেক হইলেন দলের চেয়ারম্যান তিনিইতো বিদেশ তাহলে
আন্দোলন করবে কে ?
এখানেই বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার রাজনীতির জীবনে বিশাল একটা ভুল করেছেন,জানিনা এই ভুলের শেষ কোথায় । কেন দলে কি আরো সিনিয়র ও শক্তিশালী মানুষ বা নেতা কর্মী ছিলনা যাকে দলের চেয়ারম্যান বানানো যেত ।
আরে ক্ষমতায় নাই তাতে কি হয়েছে আমারতো মনে হয় এখনো যদি মির্জা ফখরুল সাহেব ঠিকমত একটা আন্দোলনের ডাক দেন
এবং ঠিকমত মাঠে নামেন,রাজ পথে লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নামবে ।
এখনো সময় আছে বিএনপি,র সঠিক নেতা কর্মী এবং যোগ্য লোককে বাছাই করে দলের সঠিক দায়িত্ব সেই লোকের হাতে তুলে দিয়ে
ক্ষমতার যাওয়ার জন্য লড়াই করার । শুধু মাত্র একটা পথই আছে,ক্ষমতায় যেতে হলে হিম্মত লাগবে বুদ্ধি লাগবে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






