রাজনৈতিক স্টান্টবাজী দেখতে দেখতে অতিষ্ঠ হয়ে গেলাম, আসলেই কারো কাছে থেকেই কিছু আশা করা উচিত নয়। রাজনিতী দেখতে দেখতে এখন বিরক্ত লাগে। হয়ত কার্টেসি নামক জিনিসটা শুধুমাত্র আমাদের মিডিল ক্লাসের জন্যই। আবার গাড়ি থেকে না নেমেই দুই মিনিটও অবস্থান না করা হয়ত চলে যাওয়া সহানুভূতিশীলতার প্রমান। ভালো, এখনো রাজনিতীর অনেক কিছু শেখার আছে। বাংলাদেশে থাকতে হলে এগুলা শিখে রাখা লাগবে। খালেদা জিয়া যেখানে পুত্র শোকে অজ্ঞান সেখানে প্রধান্মন্ত্রীর সহাভুতি প্রকাশের আগ্রহ শুনে আসলেই খুব ভাল লেগেছিল। প্রধান্মন্ত্রী গেটের গোড়ায় এসেছে বা আসছে শুনে আগে থেকেই গেইট খুলে রাখা উচিত ছিল। আবার প্রধান্মন্ত্রী যদি একটি বারের জন্যও যদি গাড়ি থেকে নামতেন, গেইট দিয়ে ঢুকেই না হয় অজ্ঞান খালেদার সাথে দেখা করতেন তাইলে তার প্রতি সম্মান সকলের অনেক বেশি বেড়ে যেত। এই সাধারন একটা ব্যাপার হয়ত নানা কারনে হয়নি, কিন্তু আমাদের গোল্ডেন মিডিয়া এটাকে হট কেক হিসেবে জনগনের কাছে বেচছে আর মানুষও ব্যাপারটাকে গিলছে। তার পরেই দুই দলের দুই উপদেষ্টা এইটা নিয়ে এবার স্টান্টবাজী শুরু করেছে। ওয়েল প্লেইড ম্যান। আই এম ইম্প্রেসড। আসলে বাঙ্গালী জাতির চোখে বিরাট সমস্যা। আমরা পিছনের গেইমটাকে দেখিনা বা দেখেও না দেখার ভান করি। একটা খুব স্বাভাবিক কো-ইন্সিডেন্ট কে আমাদের মিডিয়া এমন ভাবে প্রেজেন্ট করে যে আমরা গোগ্রাসে গিলি। এখন খাস বিএনপির সাপরটাররা বলবে প্রধান্মন্ত্রী ইচ্ছা করেই এই কাজ করেছে আবার আওয়ামিলিগ সাপরটাররা বলবে বিএনপির কোন ম্যানারস নাই। এই নিয়ে মিডিয়া বেশ কিছু দিন গরম থাকবে। বুড়া বূড়া বড় বড় টাক ওয়ালা বুদ্ধিজীবী টাইপের মানুষ এসে এই নিয়ে নানা বুলি কপচাবে। বেশ, তাইলে আমি গিয়ে পপকরন নিয়ে আসি!!!। তবে একটা কথা মানুষকে বলতে চাই, এইঈ দুই মহিলাকেই আমি কোথাও না কোথাও সম্মান করি কারন এরা দুই জনই রাজনিতীর জন্য নিজের পরিবার পরিজন হারিয়েছে। কিন্তু এরা আসলে নিজের দলের দ্বারা ব্যানারের মত ইউসড হয়েছে। মাঝখান দিয়ে এই দুইজনকে ঘিরে রাখা স্বার্থান্ধ বলয় ফাইদা লুটে চলেছে। এরা দুইজন আসলে ব্যানার ছাড়া আর কিছুনা। আসল সমস্যা এদের দুই জনের না। আসল সমস্যা দুইটা সিন্ডিকেটের যারা এই দুইজনকে তথা দুই পরিবারকে ইউস করে নিজের স্বার্থ হাসিল করছে।
আলোচিত ব্লগ
দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....
দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?
দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন
মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।
২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?


“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।