somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

(ছবি ব্লগ) নাসার নভোচারী স্কট কেলির মহাশূন্য থেকে তোলা কিছু অসাধারণ ছবি!!!

০৫ ই মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কমান্ডার স্কট জোসেফ কেলি
স্কট জোসেফ কেলি একজন আমেরিকান নভোচারী, ইঞ্জিনিয়ার এবং অবসরপ্রাপ্ত নেভি ক্যাপ্টেন। তিনটি মিশন সম্পন্ন করা অভিজ্ঞ নভোচারী কেলি ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক মহাশূন্য ষ্টেশনে স্পেশাল একবছর মেয়াদী মিশনের জন্য মনোনীত হন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ৩৪০ দিনের রেকর্ড মিশন সম্পন্ন করে পৃথিবীতে ফিরেছেন। তার সাথে ছিলেন আরেক রাশিয়ান নভোচারী মিখাইল করনিয়েনকো।
গত একবছর ধরে কেলি শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক মহাশূন্য ষ্টেশনের কমান্ডার ছিলেন না এবং শুধু বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা করেই ক্ষান্ত হননি, তার সাথে সাথে নিয়মিত অভিজ্ঞ ফটোগ্রাফারের মত পৃথিবীর ফটো তুলেছেন আন্তর্জাতিক মহাশূন্য ষ্টেশনে বসে। নিয়মিত টুইট করেছেন সেখান থেকে।

চলুন, কেলির তোলা কিছু দুর্দান্ত ফটো দেখে নেই............




স্পেশাল কপুলা মডিউলে বসে সেলফিটা খিঁচেছেন কেলি, যেখান থেকে ৩৬০ ডিগ্রি এঙ্গেলে পৃথিবী এবং আই এস এস এর ভিউ পাওয়া যায়


এই অসাধারণ রঙচঙে ছবিটা আলজেরিয়ার তাসিলি এন’আজিয়ার (উচ্চারণ টা বোধ হয় ঠিক হয় নাই, বাট হু কেয়ারস??) ন্যাশনাল পার্কের


এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আমি জীবনে খুব কম দেখেছি। এই ছবিটা পোষ্ট করার সময় কেলির ক্যাপশন ছিল, "#Bahamas, the strokes of your watercolors are always a refreshing sight." ক্যারিবিয়ান আর্কিপেলাগাস এর ছবিটা গত জুলাইতে তোলা


মহাশুন্যে আবার এত ক্লোজ ফুলের ছবি এল কোত্থেকে??? কেলির ক্যামেরার রেঞ্জ কি এতই বেশি যে জিনিয়া ফুলের এই ক্লোজ ছবি তুলে ফেলল অত উপর থেকে?? বুজরুকি নাকি?? না ভাই, এই ফুলটা মহাশুন্যে মাইক্রোগ্রাভিটিতে ফোটা প্রথম ফুল। জানুয়ারিতে আই এস এস এর ভিতরে তোলা।



"#GoodMorning #Egypt! Your colors never cease to amaze! এটা কেলির কথা। মিশরের ওয়াদি আল জাদিদ এর ছবি।



"Day 207, dusk over the Indian Ocean with a yellow band on the horizon,"
ক্যাপশনের পরে আর বেশি কিছু বলার থাকেনা। শুধু এটুকুই বলব যে, এই হলুদ ব্যান্ডের উৎপত্তি হয় বায়ুমন্ডলে সুর্যরশ্মির প্রতিফলনের ফলে।



হ্যারিকেন প্যাট্রিসিয়ার ছবি। আই অফ দ্য স্ট্রম দেখে একটা কথা মনে পড়ে গেল। কিন্তু বলব না। ঝড়ের নামটাই দায়ী।



মেরুপ্রভার ছবি। মহাশূন্য থেকে দেখতে এত সুন্দর লাগে!!!!!!!!!!



কেলির আসলেই ফটোগ্রাফারের চোখ!!! পৃথিবী আর মিল্কিওয়ে একই ফ্রেমে দুর্দান্তভাবে বন্দী করেছেন।

আরও কিছু দুর্দান্ত ছবি আছে। পরে দেবার ইচ্ছা আছে...................

বিঃদ্রঃ কেলির প্রতি...... প্রিয় কেলি, যদি আবার কখনো মহাশুন্যে যান তবে এশিয়ার উপর দিয়ে যাবার সময় দেখবেন খুব সুন্দর একটা উপসাগর। তার নীল জলে সুর্যের প্রতিবিম্ব খন্ডবিখন্ড হয় ঢেউয়ের দোলায়। দেখবেন সেই উপসাগরের তীর ঘেঁষে মাইলের পর মাইল চলে গেছে বালুচর। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্রসৈকত। দেখবেন, সাগরের তীরে একজায়গাতে একরের পর একর ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ। দেখবেন ছোট্ট একটা দেশ। মহাশূন্য থেকে হয়ত আপনার চোখে আরও ছোট লাগবে। এই ছোট দেশটার উপর দিয়ে যাবার সময় ক্যামেরাতে চোখ রাখলে আর ফিরাতে পারবেন না। সবুজ আপনার চোখ ঝলসে দেবে, একটার পর একটা নদী দেখে আপনার ধাঁধা লেগে যাবে চোখে। প্লিজ, অনেক ছবি তুলবেন। জানি আপনার দেখার চোখ আছে। জানি আপনি আপনার অজান্তেই ক্যাপশন দিয়ে দেবেন, #beautiful_bangladesh. The most beautiful country I’ve ever seen. ধন্যবাদ।

তথ্যসুত্রঃ iflscience
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১৬ রাত ৮:২০
১১টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আম্রকাননের আগুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:২১


আম্রকাননের আগুন

এপ্রিলের এক দুপুর।
বাতাসে বারুদের গন্ধ, আকাশে অনিশ্চয়তার মেঘ।
মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় আমগাছের ছায়ায় এসে দাঁড়ালেন কয়েকজন মানুষ।
দূরে চুয়াডাঙ্গা জ্বলছে, তবু এখানে শপথ।
একটি আমবাগান সেদিন হয়ে উঠল একটি দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৮ ভগ্ন শাখা- ভগ্ন জীবন

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

জীবনের ভগ্নদশা অনেকটা এমন এক বৃক্ষের মতো, যার ডালপালা একে একে বিলুপ্ত হয়েছে।

একসময় যে শাখাগুলোতে স্বপ্ন, সম্পর্ক ও সম্ভাবনার পাতা দুলত, আজ সেখানে শূন্যতা ও নীরবতা। তবু কাণ্ডটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১২

/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।

/শুধু তাই না, তারা খোলাখুলি ভাবেই আমাদের স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। ৭১ এর মানবতাবিরোধী অপরাধের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা ও জঙ্গী আতঙ্কের অর্থনীতিতে এক নির্বোধজীবি আত্মভোলা জাতির আয়না

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩

এক

বুদ্ধিজীবিরা নাকি জাতির বিবেক! তা সে তো ভালো কথা। কিন্তু সাধারণত যা ভালো তা যখন খারাপ তখন সাধারণত তা খুবই খারাপ। একটা জাতির সবচেয়ে মজার কিন্তু করুণতম দৃশ্য হলো তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্র ব্যর্থদের দায়িত্ব নেয় নাকি ব্যর্থতার সংজ্ঞাই রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত হয়???

লিখেছেন সুব্রত দত্ত, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪

আমাকে যারা চেনেন অথবা আমার অন্যান্য লেখা যাদের পড়া আছে তারা জানেন আমি একজন নিহিলিস্ট। একজন নিহিলিস্ট ‘রাষ্ট্রধারণা’য় বিশ্বাসী নয়। রাষ্ট্র সম্পর্কে সে উদাসীন। আমি নিজেও রাষ্ট্র সম্পর্কে উদাসীন। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×