
ইন্দিরা কোনদিন বলেননি, "বাংলাদেশকে যা দিয়েছি, তা সারা জীবন মনে রাখবে"; তিনি আমাদেরকে কি কি দিয়েছিলেন ১৯৭১ সালে? সামুর থিংক ট্যাংকদের ৯৯ ভাগ ইহা এই জীবনে কখনো সঠিকভাবে বলতে পারবে না। ইন্দিরা গান্ধী কিছুই বলেননি; তবে, ১৯৭১ সালের জেনারেশন ( পাক ভারতের ) উহা জানতো ; বাংলাদেশের বিশ্বাসঘাতকরা কি জানতো? ইন্দিরা যা দিয়েছিলেন, বিনিময়ে কিছু চাননি; তিনি উপকৃত হয়েছিলেন, ভারত পাকিস্তানী মিলিটারীর উৎপাত থেকে রক্ষা পেয়েছে, শান্তিতে দেশ গড়তে পারবেন।
ইন্দিরা ১৯৭১'এর পর থেমে থাকেননি; তিনি রাজনীতি জানতেন, ফলে, আই্য়ুব ও জিয়াদের ঘৃণা করতেন; ইহা জুল ভার্ণ কিংবা না'হল তরকারীদের ডামী মগজে ঢুকবে না; জুল ভার্ণ জিয়ার "নির্জোট পলিসির" উপর সেমিনার করে, আর ইন্দিরা শেখ হাসিনাকে ৫ বছর প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশে পাঠাছিলেন জিয়াকে শাস্তি দিতে।
হাসিনা জানতো যে, ইন্দিরা না'থাকলে ড: কামাল কিংবা তোফায়েল শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি বানাতো না; হাসিনা কোনদিনও বাংলাদেশের মা টিতে পা রাখতে পারতো না। তখন পাকিস্তান ঠিকই মাদাম জিয়াকে, কোকো জিয়াকেও বাংলাদেশের শাসনকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতো।
বাংগালীদের জন্য ইন্দিরা অনেক কিছু করেছেন; সেটা তিনি মুখে বলেননি; কারণ, তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন। শেখ হাসিনার জ্ঞান ৯৯ ভাগ বাংগালীর চেয়ে বেশী ছিলো, কিন্তু ইন্দিরার লেভেলে ছিলো না; হাজার হলেও বাংগালী মানুষ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


