
আমার মনে হয় না যে, কোন বিচারক রামিসা আক্তারের হত্যা-মামলায় আসামির স্ত্রী, স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার মতো ইডিয়ট হতে পারে। সরকারের লোকেরা দেশের মানুষের ইমোশানকে কাজে লাগিয়ে নিজেদেরকে পপুলার করার জন্য স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদন্ড দিতে বাধ্য করেছে।
আমার এই পোষ্ট সামনের পাতায় থাকলে, ব্লগার না'হল তরকারী ও জুল ভার্ণও আমার বক্তব্যের পক্ষে মতামত দিতেন।
ধর্মীয় ব্লগার নতুন নকিবও বুঝতে পারেন যে, বাংলাদেশের ১ জন হ্তভাগী স্ত্রী যদি দেখে যে, তার স্বামী ঘরের ভেতর একটা ৮ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে, তার কি কোন বক্তব্য থাকতে পারে, তার মাথা কাজ করবে?
ফলে, যেকোন ইডিয়টও আসামির স্ত্রীকে মৃত্যুদন্ড দিতে পারে না। এসব বালচাল বিচার মানবতার বিপক্ষে যাচ্ছে; রামিসা আক্তারকে হত্যা করেছে আসামী; তাকে তড়িঘড়ি করে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে মানুষের ইমোশানকে কাজে লাগানোর জন্য; তার স্ত্রীকে ছেড়ে দেয়াই সঠিক হবে; জাতিকে ইডিয়ট হতে সাহায্য করা অন্যায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


