
২০১৬ সালে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন ও নিধনের তালিকাঃ ৯৮ জন সংখ্যালঘুকে হত্যা করা হয়েছে -১০০৯ জনকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে -১৮ জনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে -২৬টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে -২২জন নিখোঁজ রয়েছেন -২০৯টি প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে -৩৬৬টি মন্দিরে পূজা বন্ধ করা হয়েছে -৩৮ জনকে অপহরণ করা হয়েছে -৩৫৭ জনকে জখম করা হয়েছে -৯৯ জনকে চাঁদাবাজি-মারধর ও আটকে রেখে নির্যাতন -১৬৫টি লুটপাটের ঘটনা -১৩টি বসতঘর-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে -৮৬টি সম্পত্তি দখলের ঘটনা ঘটেছে -৬১টি ভূমি দখল -২১০টি উচ্ছেদে ঘটনা ঘটেছে -৩২৬টি উচ্ছেদের তৎপরতার ঘটনা ঘটেছে -৩৪৩১টি উচ্ছেদের হুমকি -৭১১টি দেশ ত্যাগের হুমকি -১৪১টি মন্দিরে হামলা, ভাঙচুর, চুরি ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে -২,৩২৮ বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, চুরি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে -জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত বা ধর্মান্তরকরণের চেষ্টা এক হাজার ২৫১টি। সব মিলিয়ে চলতি বছর ১৫ হাজার ৫৪টি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। অর্থাৎ এই দেশে প্রতি ৩০ মিনিটে এমন একটি ঘটনা ঘটছে। ত্রিশ মিনিটে একটি। ভাবুন একবার। মগজ দিয়ে ভাবুন।
সংবাদসূত্রঃ প্রথম আলো, বাংলাদেশ।
ভারত ও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের তুলনামূলক পরিসংখ্যানঃ
ভারতে মুসলিম জনসংখ্যাঃ
১৯৫১- ০৯.৯৩%
১৯৬১- ১০.৭০%
১৯৭১- ১১.২১%
১৯৮১- ১১.৩৫%
১৯৯১- ১২.১২%
২০০১- ১৩.৪৩%
২০১১- ১৪.২৩%
পরিসংখ্যানের ওপর মন্তব্য: ভারত চরম অসহিষ্ণু, ভারতে সংখ্যালঘুরা ভয়ে শুকিয়ে কিসমিস হয়ে থাকে, ভারত তেরী টুকরে হোঙ্গে- এই অত্যাচারেই যাদের কোন ধর্ম, নেই তারা সন্ত্রাসী হয়ে যাচ্ছে..
বাংলাদেশে হিন্দু জনসংখ্যাঃ
১৯৫১- ২২.০৫%
১৯৬১- ১৮.৫০%
১৯৭৪- ১৩.৫০%
১৯৮১- ১২.১৩%
১৯৯১- ১১.৬২%
২০০১- ০৯.২%
২০১১- ০৮.৫০%
পরিসংখ্যানোত্তর মন্তব্য: ওখানে দেশভাগের পর একটা ওয়েলফেয়ার ইকোনমি হয়, ভূমি সংস্কার হয়, হিন্দু জমিদারের বিরুদ্ধে বিপ্লব, হিন্দুরা ওখানে ভালো আছে, যারা এখান থেকে ভারত যাচ্ছে, তারা স্বেচ্ছায় যাচ্ছে, বাংলাদেশ খুবই সহিষ্ণু, হিন্দুরা আসলে পোটেনশিয়াল তালিবান...
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



