*পুলিশের জনৈক ডিআইজি মহাশয় জোরপূর্বক এক নারীকে উঠিয়ে নিয়ে বিয়ে করেছেন। ক্ষমতা বাবার হাতে, যা খুশি তাই করা যায়।
**পুলিশের জনৈক নারী এএসআই জনৈক সাংসদ পুত্রের সাথে হোটেলে অন্তরঙ্গ অবস্থায় আটক। জোরপূর্বক কিছু ঘটানো হয় নি, তবুও মহা অন্যায় করেছে নিশ্চয়ই। পুলিশ গোটা জাতিকে উদ্ধার করেছে।
*** ছেলেটা বাসায় একা ছিলো। তার প্রেমিকা রাত্রে তার কাছে আসে। প্রতিবেশিরা পুলিশে খবর দেয় (মনে হয় বিরাট বড় অপরাধীকে পাকড়াও করে ফেলেছে)। পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায় এবং উভয়ের পরিবারকে থানায় আসতে বলে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিয়ে করতে হবে। ছেলে রাজি কিন্তু মেয়ে রাজি না। পুলিশ ছেলের পরিবারকে বলে ৫ লাখ আর মেয়ের পরিবারকে বলে ২ লাখ টাকা ঘুষ দিতে। ঘটনা বেশিদূর নেওয়ার পরিকল্পনা তাদের নেই। ছেলের পরিবার থেকে জানতে চাওয়া হয়, ছেলের কী দোষ? সে তো আর মেয়েকে অপহরণ করে নি? পুলিশ জানায়, ও যে ছেলে- ওটাই ওর দোষ। যাহোক, সাড়ে তিন লাখ টাকায় ঘটনা মীমাংসা হয়। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক যেহেতু হারাম, তাই টাকা-পয়সার বদৌলতে ব্যাপারটাকে হালাল করা যায়।
****সুদ আর ঘুষের টাকা পকেটে পুরে ভদ্রলোক রেস্তোরাঁয় গেলেন। শূকর দেখে ভ্রুকুঞ্চিত করলেন, তারপর হোটেল বয়কে হালাল খাবার কী আছে জিজ্ঞেস করলেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



