জনৈকা ইউএনও এর সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন জনৈক স্থানীয় সাংবাদিক। কথাপ্রসঙ্গে একসময় তাকে আপা বলে সম্ভোধন করে বসেন। আর যায় কোথায়! ইউএনও মহাশয়া সাংবাদিকের ওপর চড়াও হন; ম্যাডাম না বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আপনি কতদিন ধরে সাংবাদিকতা করেন? আপনি জানেন না একজন ইউএনওকে স্যার বা ম্যাডাম বলতে হয়?
ঘটনাটা নিয়ে মিডিয়ায় বেশ শোরগোল। যেখানে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে নির্ভয়ে আপা সম্ভোধন করা যায়, তিনি উষ্মা বা শ্লেষ প্রকাশ করেন না, সেখানে ইউএনও এর এমন অনভিপ্রেত ব্যবহার তার চারিত্রিক দীনতাই প্রকাশ করে।
একবার এক জেলাপরিষদ কার্যালয়ে গিয়েছিলাম দোকানের ট্রেড লাইসেন্সের জন্য; ভুলক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার চেয়ারে বসে পড়ি। কেউ একজন এমন আচরণ করলেন, দুঃখে লাল হয়ে গেলাম। আসলে যার যে যোগ্যতা আছে, সে তার অধিক পেয়ে গেলে এমনই করে। ফকিন্নির পোলাপাইন হঠাৎ বড়লোক হলে যা হয় আর কী! কথায় বলে না, বানরের গলায় মুক্তোর মালা শোভা পায় না।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




