ক্যান্টনমেন্ট এ বিএনপির জন্ম। জিয়া যখন স্বাধীনতার পক্ষের লোকদের দলে ভেড়াতে পারছিলেন না, একাত্তরের পরাজিত শক্তিদেরই কাছে টানলেন। যোদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত কারাবন্দীদের নিঃশর্তভাবে মুক্ত করে দিলেন। গোলাম আজমকে পাকিস্তান থেকে দেশে আসার সুযোগ করে দিলেন, শাহ্ আজিজুর রহমানের মতো কুখ্যাত যোদ্ধাপরাধীকে প্রধানমন্ত্রী করলেন; যে মুক্তিযোদ্ধাদের গাড়ির পেছলে বেঁধে টেনে নিয়ে জবাই করে হত্যা করতো। দেশটাকে মোটামুটি পাকিস্তানের পথে নিয়ে গেলেন। সংবিধান নিয়ে যাচ্ছেতাই খেললেন।
তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে তাঁর কাজকে আরও একধাপ এগিয়ে নিলেন। আবদুর রহমান বিশ্বাসকে রাষ্ট্রপতি মনোনীত করলেন, যেখানে তাঁর (খালেদা জিয়ার) নিজের সংসদ সদস্যরাই ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। কামারুজ্জামান, কাদের মোল্লা, নিজামীদের মতো কসাইদের তাঁর মন্ত্রীসভার মন্ত্রী বানালেন, তাদের হাতে পতাকা তুলে দিলেন; যে পতাকা লাখো শহিদের রক্তে রঞ্জিত। যোদ্ধাপরাধী জানজুয়ার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী হয়ে শোকবার্তা পাঠালেন। '১৫ আগস্টে জন্মদিন উদযাপন শুরু করলেন। মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন। সর্বশেষ সংযোজন, যোদ্ধাপরাধীদের আইনজীবী জন কার্লাইলকে নিজের আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিলেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০১৮ সকাল ৮:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


