
এই লোকটির নাম আল আমিন। সে বিশেষ একটি দলের হয়ে জুলাই মঞ্চে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেয় মাঝেমধ্যে। এর সম্পর্কে গুরুতর একটি অভিযোগ উঠেছে, সে নাকি ৫ আগস্ট দিবাগত রাতে ময়মনসিংহের দাপুনিয়া ইউনিয়নের কলপা গ্রামে তার বন্ধুদের নিয়ে ডাকাতি করতে গিয়ে গ্রামবাসীর হামলায় মারাত্মক আহত হয়েছিল। পরে তার হাত কেটে ফেলতে হয়। গোপনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠে সে। তারপর একদল চতুর মানুষের প্ল্যান মোতাবেক জুলাই আহতদের খাতায় নাম লেখায় এবং ধীরে ধীরে জুলাই চেতনার বিশাল মোটিভেশনাল স্পিকার হয়ে উঠে।
আমার নিজের কাছে সরাসরি তার বিষয়ে তথ্য নেই, তবে অনেকে লেখালেখি করছে। কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই সত্যতা যাচাই করবে।
সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে তো কিছু গোপন থাকে না। আল হামীম সায়মন নামে একজন ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই মারা যায়। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের জুলাই অভ্যুত্থান শাখার প্রকাশিত গেজেটেও আছে তার নাম। পরে জানা গেছে বারে বসে অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ হওয়ায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায় সে। পরে পরিবারের কারসাজিতে জুলাই শহিদের তালিকায় যুক্ত হয় তার নাম।
আজকে এক শহিদের খবর জানা গেছে, গলায় খাবার আটকে মারা গিয়ে সে হয়ে গেছে জুলাই যোদ্ধা। আরো কত খবর দেখেছি- সড়ক দুর্ঘটনা, ডায়রিয়া, পারিবারিক কলহসহ নানা কারণে মারা গিয়েও জুলাই যোদ্ধা হয়ে গেছে। এমন ভয় জাগানিয়া খবরও আছে আত্মহত্যা করেও জুলাই যোদ্ধা হয়ে গেছে। আর পরিবারের লোকজন ভাতা খাচ্ছে। ইউসুফ সরকারের সময় এসব ময়নাতদন্তের বালাই ছিল না। মৃতের সংখ্যা যত বেশি দেখানো যায় ততই ব্যবসা জমবে।
অনেকে কবরের আজাব সহ্য না করতে পেরে ফিরে এসেছে, এমন খবরও আসছে। আমাদের অনেক প্রবাসী ব্লগার দেখি খুব আহ্লাদিত জুলাই নিয়ে। এসব খবর তাদের কাছে যায় না মনে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




