গ্রীষ্মের ছুটি চলছে। পড়াশুনার তেমন চাপ নেই। নেই বাড়ীর বড়দের চোখ রাঙ্গানী । চলছিল আম কাঁঠাল চুরি। কত আর আম কাঁঠাল খাওয়া যায় । একদিন আম কাঁঠালে অরুচি হয়ে গেল। তখনই একদিন অন্তু চন্দ বাড়ীর গান্ডারি কুশারের (আঁখ) খবর নিয়ে এল। সদলবলে চন্দ বাড়ীর পেছনের বাগানে সরজমিনে তদন্ত চালানো হল । করা হল পরিকল্পনা। কে কোথায় থেকে কিভাবে চন্দ বাড়ীর গান্ডারি কুশার সাবার করা হবে তার ছক করে ফেললাম।
দুদিন পরের এক রাতে পরিকল্পনা মাফিক দলবল নিয়ে চন্দ বাড়ীর পেছনের বাগানে আমরা সবকটা হাজির। যেই না আমরা বাগানের বেরার বাধন কেঁটেছি আর যাই কোথায়, দুটো ইয়াবড় বাঘা কুকুর (খাঁটি বঙ্গজ)এসে চরম হই চই বাধিয়ে দিল। আমরা পালাবার পথ পাইনা । চন্দ দাদুরা সব বেরিয়ে এলেন। চন্দ দাদুদের সাত ভাইয়ের সংসার। মিলিটারি ব্যারাকের মত বাড়ী। চন্দ দাদুরা এবং তাদের ছেলেপুলেরা সব বেরিয়ে এসে সেকি হম্বি তম্বি । শেষকালে কোনরকমে পাশের পানা পুকুরে ডুবে আত্মরক্ষা করলাম।
আত্মরক্ষা তো করলাম কিন্তু বন্ধুদের কাছে মুখ দেখানো দায় হয়ে উঠলো । কিছু একটা করতে হয়। যা করার তাড়াতাড়িই করতে হবে। কিন্তু কিভাবে?
রাজাদার স্মরণ নিতে হল। রাজা বললো এই ব্যাপার আগে বলবিতো । আমিওতো এইরকমই কিছু একটা খুঁজছিলাম। আমার ফুটবল টিম শিল্ডে নাম দিয়েছে । একজোরা বুট কিনতে হবে। বলও দুটো কিনতে হবে। ঠিক আছে । সব ব্যবস্হা করে আমি তোদের জানাচ্ছি। তারপর ঠিক চারদিন পরের রাতেই চন্দ বাড়ীর বাঘা কুকুরের পাহারায় আমরা গান্ডারি কুশার সব সাবার করে দিলাম। আমরা অবশ্য তিন ভাগের এক নিয়েই সন্তুষ্ট হলাম বাকিটা রাজাদার ফুটবল টিমের পেছনেই গেল।
রাজাদার কাছে গোপন রহস্যটা পরে শুনেছিলাম। রাজাদা পাউরুটিতে মাংষের ঝোল লাগিয়ে বাঘা কুকুর দুটিকে খাইয়ে খাইয়ে দুদিনেই বশ করে নিয়েছিল। তারপর ব্যাপারটা খুব সহজ হয়ে যায় ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






