১. সকাল থেকে পাশের রুমের ছেলেটার খবর নেই(পরীক্ষার্থী)। কই যে মন খারাপ করে বসে আছে!
২. একটু আগে একজন মিষ্টি খাইয়ে গেল। এ প্লাস পেয়েছে।
৩. দুপুরে একজন জিজ্ঞেস করেছিল,
ক. "ভাই কোথায় ভর্তি হলে ভালো হয়?"
খ. "কীভাবে পড়বো?" "স্যারের কাছে না ভাইয়ার কাছে পড়বো?"
খুঁতখুতে স্বভাবের হলেও এসবের নিখুত উত্তর দিতে পারি নি। নিজের জ্ঞানের স্বল্পতার জন্য খেই হারিয়ে ফেললাম। বারবার এই লাইনটার ( "পৃথিবীতে সবাই মেধাবী। কিন্তু আপনি যদি মাছের মেধা তার গাছে চড়তে পারার দক্ষতার ওপর বিচার করেন, তাহলে সে সারা জীবন ধরে স্টুপিডই থেকে যাবে।") কথা মনে পড়লো।
গতবার এক কাজিন ফেল করেছিল। এ নিয়ে কত বকা খেল। এবার সে পরীক্ষা দেখনি, তারপরও পরিবারের সবাই খুশি।(আর্মিতে চান্স পেয়ে এখন ট্রেনিং করছে)। জীবন কি এতই ছোট যে, সামান্য পরীক্ষার রেজাল্টে বন্দি হয়ে থাকবে?
প্রশ্নকারীর বর্ণনা-
মি. ক। বিজ্ঞান বিভাগ। এসএসসির(গ্রাম থেকে দেয়া) রেজাল্ট এ প্লাস(ইরেজিতে প্লাস ছিল না)। এইসএসসির রেজাল্ট এ প্লাস(বাংলা, ইংরেজিতে প্লাস নেই)। ও ইংরেজিতে একটু দুর্বল, তবে পদার্থ, রসায়ন, ম্যাথে বেশ ভালো। বাসা থেকে বিশেষ কোন চাপ নেই(ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে এমন)। তবে তার ঝোঁক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ায়। ডাক্তারি বিষয়ে সে দোটানায়(ওর গ্রামে তেমন ভালো কোন ডাক্তার নেই বলে আত্মীয়দের অনেকে বলেছে ডাক্তারি পড়তে। কিন্তু মরা মানুষ কাটাছেঁড়া করতে হবে ভেবে তার অনীহা(ভাব দেখে তাই বুঝলাম)। এর ফাঁকে কে তাকে বলেছে, ঢাবিতে পড়ে বিসিএস দিতে।
এখন এই সমস্যার কী জবাব দেব?
চাকরির বাজারের দিকে লক্ষ রেখে ৩(ক) নিয়ে মন্তব্য করবেন। আমার তেমন অভিজ্ঞতা না থাকায়, ব্লগে প্রশ্নটা করলাম।
শুভরাত্রি
বি. দ্র: ১ নং এ উল্লেখিত ব্যক্তি রুমে ফিরেছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


