১৬ ডিসেম্বর একটা কুইজ অনুষ্টানের বিচারক হিসাবে ছিলাম। দুইজন সমান পয়েন্ট পেয়েছে, তাদের মাঝথেকে একজনকে প্রথম নির্ধারণ করতে হবে। এজন বিচারক দুজনকে জিজ্ঞাসা করলো, জাতীয় চার নেতার নাম বলো।
প্রথমজন বল্লো, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়া্উ রহমান.. তার পর মনেনেই, .. আটকে গেলো আর ভুল করতে পারলোনা।
দ্বিতীয় জনকে আমি বল্লাম তুমি জানো?
সে বললো, ১। বঙ্গ বন্ধু, ২। জিয়াউর রহমান, ৩। আবুল মাল আব্দুল মুহিত, ৪। নূরুল ইসলাম নাহিদ।
আমি কইলাম তুমি কোন ক্লাসে পড়?
স্যার ইন্টারে পড়ি,
আজকে কী দিবস জানো?
জি সার জানি, আজ বিজয় দিবস।
এই দিনে কি অর্জন হয়েছিলো, কে বিজয় অর্জন করেছিলো বলতো?
মুক্তিযোদ্ধারা বিজয় অর্জন করেছিলো স্যার।
মুক্তিযোদ্ধা কারা বলতো? কোন উত্তর নাই। আবার বল্লাম, শেখ মুজিককে হত্যা করার পর জেলের মধ্যে আরো চারজন নেতাকে হত্যা করা হয় তারা হলেন জাতীয় নেতা। তোমরা কেউকি এই চর নেতার নাম জানো?
সমস্ত হল নিরব, কোন উত্তর নাই। আমি হতাস হলাম তাদের শিক্ষার মান নিয়ে ।
আচ্ছা তুমি বলতো, সপরিবারে শেখ মুজিবকে কারা খুন করেছিলো? দ্বিতীয়জনকে আবার শুধালাম।
স্যার পাকিস্থানীরা। বল্লাম ”গুড”। অনুষ্ঠানের প্রধান বিচারককে বল্লাম, স্যার শিক্ষার মান যে হারে উন্নত হইছে আমার মনেহয় নাহিদ সাহেবকে ৫ম জাতীয় নেতা উপাধি দেয়া যায়।
স্যার কইলো আমি নাকি ওগার তলা আর আগরতলা সমান করছি। জাতীয় চারে নেতারা ছিলো আপাদ মস্তক সত্যবাদী খাটি দেশ প্রেমিক নির্ভিক এক একটি চরিত্র। তাদের সাথেকি এদের তুলনা চলে?
কিন্তু নাহিদ সাহেব পরশু প্রমান করলেন উনি সত্যবাদি, এবং সত্যবলতে উনি পরোয়া করেননা। নির্দিধায় স্বিকার করলেন উনি চোর। দেশের প্রতি অসীম ভালোবাসা থেকে অধিনস্তদের বলল্লেন “ আপনারা সহনীয় মাত্রায় ঘুস খাবেন”। খালি বাদ রেখেছেন সহনীয় মাত্রাটি কত তা বলতে।
আমার মনে হয় এবার ওনাকে জাতীয় নেতা বলাযেতে পারে।
আর মালখানার কানধার মাল মুহিত সাহেব যখন শেয়ার বাজার বুঝেনা বলে নিজেই স্বিকার করেন তখনকি প্রমান হয় যে ওনি স্বত্য কথা বলেন। যখন বলেন ৪ হাজার কোটি টাকা কিছুইনা। তখনকি আমরা অনুপ্রেড়না পাইনা যে টাকা আসলে কিছুইনা। এটি কেবল মাল। মুহিত সাহেব বলেছেন।
সুতরাং ৬ নং জাতীয় নেতা মাল মুহিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


