somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

প্রথম বাংলা
((((এক দিন আমি চলে গেলে- ছেড়ে এ গ্রহ,যদি আর কোন দিন কোন খানে নাহয় জনম, কেমনে ভাবিব আমি এইখানে শতেক বছর, একশত কোটিবার নিয়েছিনু দম!! ছিলো ঝিনুকের মত গোল নদীটার তিরে মোর ঘর।)))) **ধর্ম বিশ্বাস মানুষকে সুখ দেয়, কারণ ধর্ম মানুষকে আশাবাদী করে, মানুষ বুঝতে পারে

শ্রেষ্ঠত্বের গ্রেভিটি স্ট্রাকচার, কে যাবে স্বর্গে।

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজব সৃষ্টিজগতে সবচাইতে আজব হলো মানুষ। সেটা সৃষ্টির অনন্যতার দিক থেকে যতটা তার চাইতে সভাবে অনেকখানি বেশি।
এক সময় এ পৃথিবী সবারই ছিলো গাছ প্রাণী জীব ইত্যাদি সবার। এর মাঝে আগমন হলো আদম-হাওয়ার। যার ছানাপুনা আজ পৃথিবীর আপদ। (ডোন্ট মাইন্ড)।
এই আদমের সন্তনেরা, মানে আমরা যখনি বুঝতে পাড়লাম পৃথিবীতে আমাদের চাইতে আর কোন বুদ্ধিমান প্রাণি নাই তখনি একদিন ঘোষণা করলাম যে আমরাই পৃথিবীর শেরা। আমরা পৃথিবীর অধিকর্তা। যদিও আমরা মানুষরাই পৃথিবীর বেশি ক্ষতি করে চলেছি।
একজন মানুষ হিসাবে আমিও একটু স্বার্থপর হয়ে ঘোষণা করলাম যে আমিও এই মানবশেরা মতবাদের পক্ষে। যেহেতু বুদ্ধিতে আমরা শেরা তাই আমাদের কেউ আটকাতে পারবেনা।
কিন্তু বিপত্তি দেখা দিলো এর পরে। যখন এই বড়ত্বের লড়াই চলে আসলো এক সময় এই আদমেরই সন্তানদের মাঝে তখন। বিভিন্ন ভাগে আদমের সন্তানেরা ভাগ হতে লাগলো আর নিজেরা নিজেদের সবার শেরা ঘোষণা করতে লাগলো। এক সময় হাজার হাজার ধর্মে বর্ণে গোত্রে ভাগ হেয় গেলো আদমের সন্তানেরা। কেউ আরম্ব কলো বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তির উপাসনা কেউ আরম্ব করলো নিরাকার সৃষ্টিকর্তা, মানে আল্লাহর, অবশ্য যার যার নিজ নিজ ভাষায় যে নাম আসে। যারা প্রকৃতির বিভিন্ন শক্তির উপাসনা করতে আরম্ব করলো তাদের দাবি এই শক্তি সৃষ্টি কর্তার বিভিন্ন রূপ। তারা বিভিন্ন রূপের বিভিন্ন প্রতিমা তৈরি করতে আরম্ব করলো। আর নিজেদের মতবাদকে ঘোষণা করলো সব চেয়ে সঠিক। আর যারা একিঈশ্বরবাদী, বিমূর্ত সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী তারা ঘোষণা করলো এটি শিরিক এটি করা যাবেনা। কারণ সৃষ্টিকর্তার সমান কিছুই নয় আমরা কোন কিছুকে তার সমান করে ভাববোনা। এটি ক্ষমার অযোগ্য। কথা ১০০ ভাগ সঠিক, পৃথিবীতেই দেখা যায় পোস্টারে বড় নেতার নামের সাথে কাওকে শরিক করা যায়ন। এটি নেত্রিত্বের প্রটোকল পরিপন্তি, তাহলে সৃষ্টিকর্তা কিভাবে তার সমকক্ষ মেনে নেবেন?।

এখন সারা দুনিয়ার মানুষ আমরা বিতর্কে নিমজ্জিত। সবারই দাবি আমাদের ধর্ম ই ১০০ ভাগ সঠিক। আমরা বিধাতার পক্ষের লোক আমরাই স্বর্গের দাবিদার আর সবাই নরকে যাবে। যেমনটা আমিও ভাবি। আবার প্রত্যেকটা ধর্মের মাঝেও দেখা দিয়েছে গোত্র সমস্যা। আজ আমরা সবাই বিভিন্ন দল এরং গোত্রে বিভাজিত। প্রতিটা দল বা গোত্রই মনে করছে সেই এক মাত্র সঠিক পথে আছে আর সবাই বিপথে। আবার প্রতিটা গোত্রের মাঝেও আছে ব্যক্তিগত দন্দ। কে সব চাইতে ভালো ব্যখ্যাকারি, কে সব চইতে ধার্মিক, কে সবচাইতে সঠিক পথে আছে তা নি আছে ব্যক্তিগত অহংকারের দন্দ।
সবাই নিজেকে এভাবে ভাবে-- মহাকাশে আমরা মানুষরাই শেরা, মানুষের মাঝে আমার ধর্মের মানুষই শেরা, আমার ধর্মের মাঝে আমার বর্ণের মানুষ শেরা, আমার বর্ণের মাঝে আমার গোত্র শেরা, এর মাঝে শেরা হলাম আমি। মানে শ্রেষ্ঠত্বের গ্রেভিটি স্ট্রাক্চার।
কিন্তু আমরা কেহই ভাবিনা ধর্ম মানে জীবন বিধান। সব ধর্মগুরুরা যে জিনিসটা ব্যখ্যা করে গেছেন তা হলো কিভাবে সর্বোত্তম ভাবে মানব জাতি পৃথিবীতে টিকে থাকতে পারে । এর মাঝে নিজেদের জন্য ক্ষতিকর এবং বিবেধের বিধানগোলো যোগ করেছি আমরা আমাদের ঐ শ্রেষ্ঠত্বের গ্রেভিটি স্ট্রাকচার দিয়ে।
আমরা মানুষরা যতটানা ভালো কাজ করি তার চাইতে বেশি সৃষ্টিকর্তার তোষামুদি করি। অথচ আমরা এই জিনিষটািই জানিনা, স্রষ্টা তোষামুদিতে নয় ভালো কাজে খুশি হন।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৮ রাত ১০:০৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নেভার গিভ আপ!!!: দেশের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের পিছনে বিনিয়োগ করুন, প্রধানমন্ত্রী!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৩

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আসসালামু আলাইকুম। আজ আমার খুব খুশির দিন হওয়ার কথা ছিলো। ব্রিটিশ একটি ভার্সিটিতে ৩য় বারের মতো মেন্টর হিসেবে সিলেক্টেড হয়েছি। এই আনন্দে বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজনদের নিয়ে পার্টি দেওয়ার কথা ছিলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার মহাজাগতিক ভাবনাকে এআই আমার সেরা পোষ্ট হিসাবে সাব্যস্ত করেছে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১২



মহাজাগতিক ভাবনা

মহাজগতের প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্য। কারণ প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্যই হয়ে থাকে।শূন্য অবস্থানে সীমাদাতা না থাকায় তাতে যা হবে তা’ অসীম হবে।সকল অসীম একত্রে মিলে এক হবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা

মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার বাহ্যিক চেহারা, ধন-সম্পদ বা সামাজিক মর্যাদায় নিহিত নয়। বরং তাঁর চরিত্র,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৪ বর্ষণ মুখর সকাল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯


আজ মেঘলা আকাশ। আজ ভীষণ বর্ষণ মুখর এক সকাল। অনেকের কাছে এরকম প্রকৃতি এক অপূর্ব দৃশ্য নিয়ে আসে। আবার অনেকের কাছে মেঘলা আকাশের বর্ষণ মুখর সকাল মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে || সহেলিয়া ও সোনারুর কণ্ঠে নতুন ভার্সন

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩০

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে
যারে হারাইয়াছি মায়ের কোলে
আর কি ফিরা পাবো তারে

মন যে আমার কান্দে সদাই
ফিরা যাইতে সোনার শৈশবে
হায়রে কোথায় আমার ঘুড্ডি নাটাই
খেলার সাথি কই সবে

কে যে আমায় নিত্যি ডাকে
ঘুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×