একটি কান্না আর একটি হাসিতে বদলে গেলো বাংলাদেশ
============
কথায় বলে এটি ক্ষুধার্ত পেট, একটি খালি পকেট আর একটি ভাঙ্গামন যা শিক্ষা দেয় তা সারা পৃথিবীর সকল বিশ্ববিদ্যালয় মিলেও নাকি শিখাতে পারেনা। আমি এই কথাটা শতভাগ বিশ্বাস করি।
মন্ত্রীর হাস্যকর হাসি আমাদের ছাত্র ছাত্রীদের মন ভেঙেগ দিছে, তারা ভাঙ্গা মন নিয়ে সাত দিন যাবত রাস্তায়। আর এই ভাঙ্গামন থেকে জেগে উঠেছে এক নতুন প্রজন্ম।
অনেকে বলেন তাদেরতো পড়ার ক্ষতি হচ্ছে। এবার ক্লাসে ফেরা দরকার। আমি বলি অন্য ভাবে ভাবুন। ক্লাসে তাদেরতো ফেরাই লাগবে। এক সময়তো ক্লাসে ফিরবেই তারা। কিন্তু....
এই সাত দিনে তারা যা শিখলো আর আমাদের যা শেখালো তাকি স্বাধীনতার পর এযাবত কাল শিখতে পেরেছি আমরা ।
আমাদের কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয় কি তারা যে বাস্তবতার শিক্ষাটা পাচেছ তা দিতে পারবে? আমার মনে হয়না্
আমি এই ছাত্র আন্দোলনকে বলবো নির্মল বসন্ত। আমাদের বাঙ্গালীজীবনে অনেক কাল ধরে শীত আর খরা চলছে। বসন্ত আসেনা অনেককাল। এবার আমাদের ছাত্ররা নতুর বসন্তের হাওয়া নিয়ে আসলো।
আমরা জানলাম যে, দশ বছর পয়জনিং করে একটা প্রজম্মের মাথায় শিক্ষার বদলে দলীয় আদর্শ ঢোকানোর চেষ্টা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। শাসক গুষ্টির কাছে এই বারতা দিতে পারছে আমাদের ছাত্ররা যে যতই পয়জনিং করুননা কেনো। বসন্তের প্রয়োজনে নির্মল স্বত্বা যেগে উঠবেই।
একটা নতুন পথ একটা নতুন আদর্শের সূচনা হলো এই আন্দোলনের মাধ্যমে। আমাদের ছাত্ররা বুঝতে শিখলো এবং বুঝিয়ে দিলো যে মানুষ মানে তার স্বকীয়তা থাকবেই। যত পয়জনিংই করা হোকনা কেনো একদিন সত্যের প্রয়োজনে অধিকারের দাবিতে সেই স্বকীয়তা জেগে উঠবে।
আজকের এই আন্দোলনর প্রত্যক্ষ ফলাফল হয়তো হবে ছোট কিছু সফলতা । যেমন , শাজাহান খানের পদত্যেগ। ঘাতক চালকদের বিচার। পরিবহন সেক্টরে ব্যপক পরিবর্তন।
কিন্তু এর চাইতেও বড় সফলতা আমি দেখছি আমাদের ভবিষ্যতের অগ্র যাত্রায়। আমাদের একটি প্রতিবাদী স্বচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ প্রজন্ম তৈরি হচেছ যারা একদিন বিভিন্ন সমস্যায় জরজরিত এই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে সামনের দিকে। অনন্ত মহাকালে মাথা উচু করে টিকে থাকবে বাংগালি জাতি।
ধন্যবাদ শাজাহান খান।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৬:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


