somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অ্যাপবাজার
অ্যাপবাজার - একটি সার্বজনীন ও সামাজিক নেটওয়ার্কিং বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন বহুভাষী অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ স্টোর! স্থানীয় বিষয়বস্তু এবং সহজ পেমেন্ট গেটওয়ে! মেড ইন বাংলাদেশ nnhttps://appbajar.com

বাংলাদেশের অ্যান্ড্রয়েড ডেভলপারদের প্লাটফর্ম অ্যাপবাজার

০৩ রা জুন, ২০১৬ ভোর ৬:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

https://appbajar.com

শিক্ষাক্ষেত্র, ব্যবসা এবং চাকুরী প্রতিটি ক্ষেত্রে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তথা মোবাইল অ্যাপস বর্তমানে একটি নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তুতে পরিনত হয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা চায়ের আড্ডায় কোথায় নেই এই অ্যাপসের ব্যবহার! জীবনের চলতি পথের চলমান যাত্রাকে আরো সহজ করতেই আমরা প্রতিনিয়তই নির্ভরশীল হয়ে পরেছি আমাদের মুঠোফোনের অ্যাপসের উপর। প্রয়োজনীয় অ্যাপস ছাড়া মুঠোফোনটি যেন পুরোটাই অর্থহীন আমাদের কাছে। পছন্দনীয় অ্যাপসের শ্রেণীবদ্ধ তালিকা আমাদের মুঠোফোনটিকে যতটা না পরিপাটি করে তোলে তার থেকেও বেশি সুশৃঙ্খল করে তোলে আমাদের জীবনটিকে। এ যেন বিজি লাইফকে ইজি করার এক আধুনিক টনিক।

জীবনের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য মানুষের হাতের মুঠোয় এখন অ্যাপসের ব্যবহার। মানুষের ঘুমের ধরন বিশ্লেষণ করা থেকে শুরু করে তার জেগে ওঠা, দৈনন্দিন কাজ আর বিশ্রাম-বিনোদনের সবকিছুতেই এখন অ্যাপসের ছড়াছড়ি। সুখের নিদ্রা শেষে ঠিক সময়ে জাগতে হবে। এখন আর মোরগের ডাকে ঘুম ভাঙার জন্য অপেক্ষা নয়। ঘুমের ধরন বিশ্লেষণ করে ঠিক সময়ে ডেকে দিতে স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশনের ওপর নির্ভর করছেন অনেকেই। রাস্তায় ভীড়, কিন্তু বাইরে যেতেই হবে; কোন পথে ভীড় কম সেটা জানতে মুঠোফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটারে অ্যাপ্লিকেশন চালু করলেই হলো।


কনক্রিটময় জীবনকে আরো কিভাবে সহজ এবং আনন্দময় করে তোলা যায় তা নিয়েই যেন ব্যস্ত প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণেরা, অপরদিকে অ্যাপস ডেভেলপাররাও যেন ব্যস্ত তারুণ্যের এসব বাহারি চাহিদা পূরনে। কিন্তু অ্যাপস ব্যাবহারকরীর চাহিদা মোতাবেক সব অ্যাপস পাওয়া গেলেও ঘরে বসে পছন্দের অ্যাপস কেনাবেচার সমস্যাটি কিন্তু রয়েই গেছে। আন্তর্জাতিক কার্ড এবং পেপাল না থাকায় ব্যবহারকারীরা অনেকেই তার পছন্দনীয় অ্যাপস ক্রয় করতে ব্যর্থ হন, অপরদিকে অ্যাপস ডেভেলপাররা তাদের তৈরিকৃত অ্যাপস বিক্রি করতে পারছেন না ঠিক একই সমস্যায়।

কিছু দেশের অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারী পেইড অ্যাপস ডাউনলোড করতে গেলে কিছু সমস্যায় পরেন কারণ ইন্টারন্যাশনাল কার্ড ছাড়া কেনা যায় না, তেমনি ভাবে ঐসব দেশের ডেভেলপার ও শুধু ফ্রি অ্যাপ আপলোড করতে পারেন। পেইড অ্যাপ গুলো অন্য কোনো দেশের একাউন্ট এর অধীনে আপলোড করতে হয়। এতে করে ঐসব দেশের ডেভেলপাররা প্রচুর বৈদেশিক মুনাফা অর্জন করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন! আর এই সমস্যাটিকে সহজ সমাধানের জন্য বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো দেশীয় অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপারদের অ্যাপসের বিশাল এক সমারোহ নিয়ে চালু হয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যাপসের বাজার ‘অ্যাপবাজার’। যেখানে একজন ব্যবহারকারী খুব সহজেই তার পছন্দনীয় অ্যপস দেশীয় মুদ্রায় ক্রয় করতে পারবেন।

অ্যাপবাজার প্রধানত এই দুটো সমস্যাকে টার্গেট করেই মাঠে নেমেছে! অ্যাপবাজার লোকাল মুদ্রায় ব্যবহারকারী এবং ডেভেলপার - দুটো পক্ষকেই অ্যাপ কেনার এবং পাবলিশ করার সুযোগ দেবে। এতে করে ব্যবহারকারীরা তাদের পছন্দমত অ্যাপস ডাউনলোড করতে পারবেন এবং ডেভেলপাররা তাদের অ্যাপস আপলোড করে আয়ের সুযোগ করে নিতে পারেন।

অন্যান্য অ্যাপস্টোর থেকে পুরোপুরি ভিন্ন আদলে তৈরি করা হয়েছে অ্যাপবাজার। এখানে একজন ডেভেলপাররা কোন খরচ ছাড়াই খুব সহজেই বিনামূল্যে অ্যাপ আপলোড করতে পারবেন। ব্যবহারকারীরা সহজে নিজেদের মুদ্রায় অ্যাপ কিনতে পারবেন এবং কম দামে অ্যাপ বিক্রিও করতে পারবেন (যেখানে অন্যান্য অ্যাপস্টোরে একটি অ্যাপসের সর্বনিম্ন মূল্য 0.99$ যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় 75 টাকা) এবং মাস শেষে কোন প্রকার কার্ডের ঝামেলা ছাড়াই নিজের ব্যাঙ্ক একাউন্টে অ্যাপ বিক্রির টাকা পাবার সুবিধা পাবেন।

বিভিন্ন ভাষাতেই ব্যবহার করতে পারবেন অ্যাপবাজার, থাকছে বিভিন্ন চমৎকার ইন্টারফেস। ফলে ব্যবহারকারী তার ইচ্ছামত ভাষায় ব্যবহার করতে পারবেন অ্যাপবাজার স্টোরটি। অ্যাপবাজার ব্যবহারকারী এবং ডেভেলপারদের মধ্যে রাখছে চ্যাটিং সুবিধা, ফলে একজন ব্যবহারকারী তার পরিচিতজনদের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারবে এবং বিভিন্ন পছন্দনীয় অ্যাপস রেফার করতে পারবে, অনুরূপ ভাবে ডেভেলপাররাও তাদের অ্যাপস ব্যবহারকারীদের সাথে এবং অন্যান্য ডেভেলপারদের সাথে চ্যাটিং এবং ফাইল আদান প্রদান এর সুবিধা পাবেন।

অ্যাপবাজার ব্যবহারকারীরা পছন্দের যে কোন অ্যাপস তাদের বন্ধুদের উপহার দিতে পারবেন। একই সাথে একজন অ্যাপবাজারিয়ান অপর কোন বন্ধুকে অ্যাপবাজার ব্যবহার করতে বলতে পারেন এতে প্রতি রেফারালের জন্য থাকছে রেফারেল বোনাস। সবচেয়ে বেশি অ্যাপস ব্যবহারকারীর জন্য প্রতি মাসে অ্যাপবাজার রাখছে রিওয়ার্ড সিস্টেম|

একজন ডেভেলপার তার অ্যাপস খুব সহজেই যেমন জমা দিতে পারবেন ঠিক তেমনি অ্যাপ বিক্রির সমুদয় অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং - বিকাশ, ডিবিবিএল ও আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম - ভিসা, মাস্টার কার্ড (http://www.payoneer.com) এর মাধ্যমে অ্যাপ কেনা বেচার সকল অর্থ গ্রহন এবং প্রদান করতে পারবেন । এছাড়াও স্যোসাল ফিচার সহ থাকছে আরো অনেক সুবিধা।


Advanced Apps Bangladesh Ltd ( AAPBD )এর প্রধান নির্বাহী শফিউল আলম বিপ্লব মনে করেন, মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং আরো অন্য ক্ষেত্রের সেবার মান দ্রুত এবং নির্ভুল ভাবে বাড়ানো সম্ভব তেমনি তথ্যপ্রযুক্তির যথার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রযুক্তিপ্রেমী তারুণ্যকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, গত ৬ বছর (অ্যান্ড্রয়েড SDK প্রকাশ হয়েছে সেপ্টেম্বর ২০০৮) ধরে অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্ম এ কাজ করার সময় আমরা অনেক গুলো প্রবলেম ফেস করেছি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস প্রকাশ করা নিয়ে, বিশেষভাবে আমাদের দেশের ডেভেলপাররা পেইড অ্যাপ আপলোড নিয়ে সব থেকে বেশি সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে! আরো ছিল বাংলা ভাষার সমস্যা, যদিও এটা ঠিক হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড আপডেটেড ভার্সন এ!


তিনি আরো বলেন, অ্যাপবাজার একইসাথে একটা ছোট কিন্তু কার্যকর লাইব্রেরি তৈরী করেছে ডেভেলপারদের জন্য! অ্যাপবাজার পুরোপুরি চালু হবার পরে আমরা সব গুলো ইউনিভার্সিটি তে যাব, অ্যান্ড্রয়েড এর উপর আমাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করব এবং লাইব্রেরিটা উন্মক্ত করে দেব সবার জন্য। আগামী দুই বছরে আমরা ৫০ হাজার কোয়ালিটি অ্যাপ ডেভেলপার তৈরিতে অবদান রাখার চেষ্টা করবো, যারা কিনা কার্যকর অ্যাপ তৈরী করে আমাদের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক ভুমিকা রাখতে পারবে। আমরা সবাই দেশকে ভালবাসি, তাই আমাদের প্রচেষ্টা অ্যাপবাজার এর মাধ্যমে আমরা ৫০ হাজার মানুষের আয়ের সুযোগ তৈরী করবো, যাতে করে দেশের ঋণ কিছুটা হলেও পরিশোধ করা সম্ভব বলে মনে করি। ভালো ‪অ্যাপ এর মাধ্যমে আমরা সমাজকে ভালো মেসেজ দেবার চেষ্টা করব, চেষ্টা থাকবে শিক্ষা এবং চিকিৎসা খাতে সব থেকে বেশি কাজ করার, আমাদের আনন্দযাত্রায় প্রত্যাশা - আপনাদের সবাইকে সাথে পাবো সব সময়, আমাদের ভুল গুলো ধরিয়ে দেবেন এবং আরো ভালো করার প্রেরণা যোগাবেন। আমরা বিশ্বাস করি সেরা কিছু নিয়ে আসছে অ্যাপবাজার! আপনার জন্য, দেশের জন্য এবং সারা বিশ্বের জন্য !
শিক্ষাক্ষেত্র, ব্যবসা এবং চাকুরী প্রতিটি ক্ষেত্রে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তথা মোবাইল অ্যাপস বর্তমানে একটি নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তুতে পরিনত হয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে কিংবা চায়ের আড্ডায় কোথায় নেই এই অ্যাপসের ব্যবহার! জীবনের চলতি পথের চলমান যাত্রাকে আরো সহজ করতেই আমরা প্রতিনিয়তই নির্ভরশীল হয়ে পরেছি আমাদের মুঠোফোনের অ্যাপসের উপর। প্রয়োজনীয় অ্যাপস ছাড়া মুঠোফোনটি যেন পুরোটাই অর্থহীন আমাদের কাছে। পছন্দনীয় অ্যাপসের শ্রেণীবদ্ধ তালিকা আমাদের মুঠোফোনটিকে যতটা না পরিপাটি করে তোলে তার থেকেও বেশি সুশৃঙ্খল করে তোলে আমাদের জীবনটিকে। এ যেন বিজি লাইফকে ইজি করার এক আধুনিক টনিক।

জীবনের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য মানুষের হাতের মুঠোয় এখন অ্যাপসের ব্যবহার। মানুষের ঘুমের ধরন বিশ্লেষণ করা থেকে শুরু করে তার জেগে ওঠা, দৈনন্দিন কাজ আর বিশ্রাম-বিনোদনের সবকিছুতেই এখন অ্যাপসের ছড়াছড়ি। সুখের নিদ্রা শেষে ঠিক সময়ে জাগতে হবে। এখন আর মোরগের ডাকে ঘুম ভাঙার জন্য অপেক্ষা নয়। ঘুমের ধরন বিশ্লেষণ করে ঠিক সময়ে ডেকে দিতে স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশনের ওপর নির্ভর করছেন অনেকেই। রাস্তায় ভীড়, কিন্তু বাইরে যেতেই হবে; কোন পথে ভীড় কম সেটা জানতে মুঠোফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটারে অ্যাপ্লিকেশন চালু করলেই হলো।


কনক্রিটময় জীবনকে আরো কিভাবে সহজ এবং আনন্দময় করে তোলা যায় তা নিয়েই যেন ব্যস্ত প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণেরা, অপরদিকে অ্যাপস ডেভেলপাররাও যেন ব্যস্ত তারুণ্যের এসব বাহারি চাহিদা পূরনে। কিন্তু অ্যাপস ব্যাবহারকরীর চাহিদা মোতাবেক সব অ্যাপস পাওয়া গেলেও ঘরে বসে পছন্দের অ্যাপস কেনাবেচার সমস্যাটি কিন্তু রয়েই গেছে। আন্তর্জাতিক কার্ড এবং পেপাল না থাকায় ব্যবহারকারীরা অনেকেই তার পছন্দনীয় অ্যাপস ক্রয় করতে ব্যর্থ হন, অপরদিকে অ্যাপস ডেভেলপাররা তাদের তৈরিকৃত অ্যাপস বিক্রি করতে পারছেন না ঠিক একই সমস্যায়।

কিছু দেশের অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারী পেইড অ্যাপস ডাউনলোড করতে গেলে কিছু সমস্যায় পরেন কারণ ইন্টারন্যাশনাল কার্ড ছাড়া কেনা যায় না, তেমনি ভাবে ঐসব দেশের ডেভেলপার ও শুধু ফ্রি অ্যাপ আপলোড করতে পারেন। পেইড অ্যাপ গুলো অন্য কোনো দেশের একাউন্ট এর অধীনে আপলোড করতে হয়। এতে করে ঐসব দেশের ডেভেলপাররা প্রচুর বৈদেশিক মুনাফা অর্জন করা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন! আর এই সমস্যাটিকে সহজ সমাধানের জন্য বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো দেশীয় অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপারদের অ্যাপসের বিশাল এক সমারোহ নিয়ে চালু হয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যাপসের বাজার ‘অ্যাপবাজার’। যেখানে একজন ব্যবহারকারী খুব সহজেই তার পছন্দনীয় অ্যপস দেশীয় মুদ্রায় ক্রয় করতে পারবেন।

অ্যাপবাজার প্রধানত এই দুটো সমস্যাকে টার্গেট করেই মাঠে নেমেছে! অ্যাপবাজার লোকাল মুদ্রায় ব্যবহারকারী এবং ডেভেলপার - দুটো পক্ষকেই অ্যাপ কেনার এবং পাবলিশ করার সুযোগ দেবে। এতে করে ব্যবহারকারীরা তাদের পছন্দমত অ্যাপস ডাউনলোড করতে পারবেন এবং ডেভেলপাররা তাদের অ্যাপস আপলোড করে আয়ের সুযোগ করে নিতে পারেন।

অন্যান্য অ্যাপস্টোর থেকে পুরোপুরি ভিন্ন আদলে তৈরি করা হয়েছে অ্যাপবাজার। এখানে একজন ডেভেলপাররা কোন খরচ ছাড়াই খুব সহজেই বিনামূল্যে অ্যাপ আপলোড করতে পারবেন। ব্যবহারকারীরা সহজে নিজেদের মুদ্রায় অ্যাপ কিনতে পারবেন এবং কম দামে অ্যাপ বিক্রিও করতে পারবেন (যেখানে অন্যান্য অ্যাপস্টোরে একটি অ্যাপসের সর্বনিম্ন মূল্য 0.99$ যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় 75 টাকা) এবং মাস শেষে কোন প্রকার কার্ডের ঝামেলা ছাড়াই নিজের ব্যাঙ্ক একাউন্টে অ্যাপ বিক্রির টাকা পাবার সুবিধা পাবেন।

বিভিন্ন ভাষাতেই ব্যবহার করতে পারবেন অ্যাপবাজার, থাকছে বিভিন্ন চমৎকার ইন্টারফেস। ফলে ব্যবহারকারী তার ইচ্ছামত ভাষায় ব্যবহার করতে পারবেন অ্যাপবাজার স্টোরটি। অ্যাপবাজার ব্যবহারকারী এবং ডেভেলপারদের মধ্যে রাখছে চ্যাটিং সুবিধা, ফলে একজন ব্যবহারকারী তার পরিচিতজনদের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারবে এবং বিভিন্ন পছন্দনীয় অ্যাপস রেফার করতে পারবে, অনুরূপ ভাবে ডেভেলপাররাও তাদের অ্যাপস ব্যবহারকারীদের সাথে এবং অন্যান্য ডেভেলপারদের সাথে চ্যাটিং এবং ফাইল আদান প্রদান এর সুবিধা পাবেন।

অ্যাপবাজার ব্যবহারকারীরা পছন্দের যে কোন অ্যাপস তাদের বন্ধুদের উপহার দিতে পারবেন। একই সাথে একজন অ্যাপবাজারিয়ান অপর কোন বন্ধুকে অ্যাপবাজার ব্যবহার করতে বলতে পারেন এতে প্রতি রেফারালের জন্য থাকছে রেফারেল বোনাস। সবচেয়ে বেশি অ্যাপস ব্যবহারকারীর জন্য প্রতি মাসে অ্যাপবাজার রাখছে রিওয়ার্ড সিস্টেম|

একজন ডেভেলপার তার অ্যাপস খুব সহজেই যেমন জমা দিতে পারবেন ঠিক তেমনি অ্যাপ বিক্রির সমুদয় অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং - বিকাশ, ডিবিবিএল ও আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম - ভিসা, মাস্টার কার্ড (http://www.payoneer.com) এর মাধ্যমে অ্যাপ কেনা বেচার সকল অর্থ গ্রহন এবং প্রদান করতে পারবেন । এছাড়াও স্যোসাল ফিচার সহ থাকছে আরো অনেক সুবিধা।


Advanced Apps Bangladesh Ltd ( AAPBD )এর প্রধান নির্বাহী শফিউল আলম বিপ্লব মনে করেন, মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং আরো অন্য ক্ষেত্রের সেবার মান দ্রুত এবং নির্ভুল ভাবে বাড়ানো সম্ভব তেমনি তথ্যপ্রযুক্তির যথার্থ ব্যবহারের মাধ্যমে প্রযুক্তিপ্রেমী তারুণ্যকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, গত ৬ বছর (অ্যান্ড্রয়েড SDK প্রকাশ হয়েছে সেপ্টেম্বর ২০০৮) ধরে অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্ম এ কাজ করার সময় আমরা অনেক গুলো প্রবলেম ফেস করেছি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস প্রকাশ করা নিয়ে, বিশেষভাবে আমাদের দেশের ডেভেলপাররা পেইড অ্যাপ আপলোড নিয়ে সব থেকে বেশি সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে! আরো ছিল বাংলা ভাষার সমস্যা, যদিও এটা ঠিক হয়েছে অ্যান্ড্রয়েড আপডেটেড ভার্সন এ!


তিনি আরো বলেন, অ্যাপবাজার একইসাথে একটা ছোট কিন্তু কার্যকর লাইব্রেরি তৈরী করেছে ডেভেলপারদের জন্য! অ্যাপবাজার পুরোপুরি চালু হবার পরে আমরা সব গুলো ইউনিভার্সিটি তে যাব, অ্যান্ড্রয়েড এর উপর আমাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করব এবং লাইব্রেরিটা উন্মক্ত করে দেব সবার জন্য। আগামী দুই বছরে আমরা ৫০ হাজার কোয়ালিটি অ্যাপ ডেভেলপার তৈরিতে অবদান রাখার চেষ্টা করবো, যারা কিনা কার্যকর অ্যাপ তৈরী করে আমাদের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক ভুমিকা রাখতে পারবে। আমরা সবাই দেশকে ভালবাসি, তাই আমাদের প্রচেষ্টা অ্যাপবাজার এর মাধ্যমে আমরা ৫০ হাজার মানুষের আয়ের সুযোগ তৈরী করবো, যাতে করে দেশের ঋণ কিছুটা হলেও পরিশোধ করা সম্ভব বলে মনে করি। ভালো ‪অ্যাপ এর মাধ্যমে আমরা সমাজকে ভালো মেসেজ দেবার চেষ্টা করব, চেষ্টা থাকবে শিক্ষা এবং চিকিৎসা খাতে সব থেকে বেশি কাজ করার, আমাদের আনন্দযাত্রায় প্রত্যাশা - আপনাদের সবাইকে সাথে পাবো সব সময়, আমাদের ভুল গুলো ধরিয়ে দেবেন এবং আরো ভালো করার প্রেরণা যোগাবেন। আমরা বিশ্বাস করি সেরা কিছু নিয়ে আসছে অ্যাপবাজার! আপনার জন্য, দেশের জন্য এবং সারা বিশ্বের জন্য !

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০১৬ ভোর ৬:২৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ-পর্ব ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০১


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি ।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/30393976|প্রথম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৩



আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

২০১০, এক-এগারোর পর থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত- যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল, যারা গুম, নির্যাতন, কারাবাস, মামলা, চাকরি হারানো, পরিবার ভেঙে যাওয়া- সবকিছুর মূল্য দিয়েছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আর্কাইভ থেকে: তান্নুদের বাড়ি-১

লিখেছেন অর্ক, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০২



ফিরতে হলো কিম্ভূতকিমাকার ত্রিভুজাকৃতি ঘরে। পরিযায়ী পাখিদের ঈর্ষা হয়। মানুষের পৃথিবীতে শুধু দূষণ। রুক্ষ পাথুরে সড়ক—পর্বতারোহণ যেমন কষ্টদায়ক। নভেম্বরের শেষেও শীত নেই। যদিও আজ আর শীতের অপেক্ষায় থাকি না। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাসিনা কি সত্যি প্রত্যাবর্তন করবেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩




নানা খবর আর প্রচার প্রোপাগান্ডা শুরু হয়েছে পতিত স্বৈরাচার হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে। রাজপথে এর কোনও উল্লেখযোগ্য প্রভাব না থাকলেও অনলাইনে আওয়ামী লিগারদের প্রচার প্রোপাগান্ডা আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×