তার বাসায় ঢুকতে গিয়ে হতভম্ব হলাম। কমছে কম 15টি না না মডেলের গাড়ী শোভা পাচ্ছে তার গ্যারেজে ও গেটের পাশে। ল্যাঙ্াস, টয়োটা, নিশান, মার্সেডিজ কোন ব্রান্ডই বাদ নেই যেন। এদের পাশ কাটিয়ে তার ড্রয়িং রুমে গিয়ে আবারো বিসত্তি। দুর্লভ সব শো পিস আর চিত্রকর্ম দিয়ে সাজানো ড্রয়িং রুম।
অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয় নি বেশিন। মোটামুটি মিনিট পাঁচেক অপেক্ষার পরে হাজির হলেন উপদেষ্টা সাহেব। তারপর স্বভাব সুলভ হাসি থাট্টা করতে করতেই উত্তর দিলেন গোটা বিশেক প্রশ্নের। কখনো রাজনীতিবিদদের দুষলেন আবার কখনো আইনজীবিদের আইন বিষয়ক সীমাবদ্ধতার কথা বললেন।
সবমিলিয়ে ঘন্টা খানেকের আলাপ শেষে বেরিয়ে এলাম আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এর বাড়ী থেকে। প্রসাদপম বাড়ীর বাইরে এসে আবারো চোখে পড়লো গাড়ীগুলো। মসত্দিষ্কের এক কোন থেকে জানান দিলো, একটা ছোট্ট স্বপ্ন আছে মনে। ঢাকা শহরে একটা অ্যাপার্টমেন্ট, একটা প্রাইভেট কার আর একটা সংসার। সাংবাদিকতা করে পারবোতো এগুলো গোছাতে?
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এর কাছ থেকে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর পাওয়ায় মনের মধ্যে আনন্দ ছিলো। আর তাই গুলশান দু'য়ে এসে একটা বেনসন, শুখটান এবং নিজের ভাড়া করা নীড়ে ফিরে আসা . . . (কোজআপহাসি)
দ্রষ্টব্য : ইন্টারনেটে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এর কোন ছবি পাই নি। অগ্যতা অন্য ছবি দিয়ে পোষ্ট করলাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






