somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এর বাসায় কিছুক্ষন

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অফিসের অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো আইন উপদেষ্টা মইনুল হোসেন এর একান্ত সাক্ষাৎকার নিতে হবে। যথারীতি শনিবার থেকে চেষ্টা করে আজ (মঙ্গলবার) রাত আটটায় সময় দিলেন তিনি। স্থান তার গুলশানস্থ বাসা। যথারীতি মটর সাইকেল যোগে ফটোগ্রাফারসহ রাত 8.15 পৌছলাম উপদেষ্টা মইনুল হোসেন এর বাসায়।

তার বাসায় ঢুকতে গিয়ে হতভম্ব হলাম। কমছে কম 15টি না না মডেলের গাড়ী শোভা পাচ্ছে তার গ্যারেজে ও গেটের পাশে। ল্যাঙ্াস, টয়োটা, নিশান, মার্সেডিজ কোন ব্রান্ডই বাদ নেই যেন। এদের পাশ কাটিয়ে তার ড্রয়িং রুমে গিয়ে আবারো বিসত্তি। দুর্লভ সব শো পিস আর চিত্রকর্ম দিয়ে সাজানো ড্রয়িং রুম।

অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয় নি বেশিন। মোটামুটি মিনিট পাঁচেক অপেক্ষার পরে হাজির হলেন উপদেষ্টা সাহেব। তারপর স্বভাব সুলভ হাসি থাট্টা করতে করতেই উত্তর দিলেন গোটা বিশেক প্রশ্নের। কখনো রাজনীতিবিদদের দুষলেন আবার কখনো আইনজীবিদের আইন বিষয়ক সীমাবদ্ধতার কথা বললেন।

সবমিলিয়ে ঘন্টা খানেকের আলাপ শেষে বেরিয়ে এলাম আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এর বাড়ী থেকে। প্রসাদপম বাড়ীর বাইরে এসে আবারো চোখে পড়লো গাড়ীগুলো। মসত্দিষ্কের এক কোন থেকে জানান দিলো, একটা ছোট্ট স্বপ্ন আছে মনে। ঢাকা শহরে একটা অ্যাপার্টমেন্ট, একটা প্রাইভেট কার আর একটা সংসার। সাংবাদিকতা করে পারবোতো এগুলো গোছাতে?

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এর কাছ থেকে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর পাওয়ায় মনের মধ্যে আনন্দ ছিলো। আর তাই গুলশান দু'য়ে এসে একটা বেনসন, শুখটান এবং নিজের ভাড়া করা নীড়ে ফিরে আসা . . . (কোজআপহাসি)


দ্রষ্টব্য : ইন্টারনেটে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন এর কোন ছবি পাই নি। অগ্যতা অন্য ছবি দিয়ে পোষ্ট করলাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিএনপির মূল্যায়নে বঙ্গবন্ধু কিংবা আওয়ামিলীগের অবদান শূণ্য। মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অবদান জামাতের॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:০৬



বিএনপি করার পূর্ব শর্ত কি? ইতিহাস বিচারে দেখা যায়, পার্ক মার্কিন প্রেসক্রিপশনে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মিথ্যুক হতে হবে। আর সাথে রাজাকার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড হলে তো কথাই নাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:২১

গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?



জাতিসংঘে বিশ্বের সকল দেশের অংশগ্রহনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান হয়ে গেল ।
সেখানে শাসক, স্বৈর-শাসক ও গনতন্ত্রর বক্ততারা এক হয়েছিলেন । কিন্ত কোন ভালো সিদ্বান্ত
নিতে পেরেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×