স্বপ্নপুরীর দরজায় দাঁড়িয়ে বহে মনেতে চিন্তার ধারা
কানের মাঝেতে ফিসফিস করে অন্তরের সত্ত্বারা
যুক্তিবাদী এসে বলে অবান্তর সব দরজার ওপাশে
বাস্তববাদী চিৎকার করে পাবে ব্যথা শুধু সব শেষে
বৈরাগী এসে টিপ্পনী কাটে সবই যে মায়া জগতের ভিতরে
ব্যঙ্গকারী বাঁকা হাসি হাসে - আর কতকাল থাকবে ঘুমিয়ে?
মনে হয় তখন যাই চলে কোথাও স্বপ্নপুরীকে ফেলে দূরে।
কী দরকার কীইবা থাকবে দরজার ওপাশে?
আবির্ভাব হয় তখন মনেতে অজানা এক চিন্তার
অর্বাচীন, অদেখা, অজানা এক সত্ত্বার
শুধাই তাকে, হে নবীনঃ কী পরিচয় তোমার?
বলে সে তখন মুচকি হেসে স্বপ্নবাজ নাম আমার
এসেছি দেখাতে তোমাকে তোমার শ্রেষ্ঠ অলংকার।
কেন তুমি আজ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ চিন্তা করে কি দেখেছ কখনো?
কোন সে ক্ষমতায় কোন সে বলে করেছ বিশ্বজয়
ভেবেছ কি তা হয়েছে কীভাবে কীসের মহিমায়?
দাঁড়িয়ে তুমি যে প্রাসাদের সামনে উত্তর সব তারই ভিতরে
সন্দেহ নেই অবান্তর সে, পেতে পার ব্যথা তাতে,
মায়ায় ভরা সবকিছু তার পার ঘুমিয়ে পড়তে।
কিন্তু বন্ধু আমার,
অবান্তরকে যদি না বুঝলে কীভাবে জানবে যুক্তির ক্ষমতা?
ব্যথা যদি কভু না পাও জীবনে বুঝবে কীভাবে শান্তির অনুভূতি?
আলিঙ্গন না করলে মায়াকে দেখবে কীভাবে বাস্তবতাকে?
ঘুমিয়ে যদি না পড় তবে জাগরণের গান শুনবে কীভাবে?
স্বপ্ন যদি না দেখলে জীবনে কী লাভ তোমার বেঁচে থেকে?
আসো তাই আজ ধরে হাতে হাত খুলে ফেলি দরজা
যুক্তি, বাস্তব, বৈরাগ্য, ব্যঙ্গ যোগ কর তার সাথে কিছু স্বপ্ন
খুঁজে পাবে তুমি তোমার শ্রেষ্ঠত্ব সন্দেহ নেই কোন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


