আমাদেরকে তিনি শূন্য থেকে সৃষ্টি করেছেন ।
এরপর আরাম-আয়েশের যাবতীয় উপকরণ দিয়েছেন ।
শুধু তাই নয় সৃষ্টির সেরা জীব বানিয়ে আমাদেরকে
সন্মানিত করেছেন । বিনিময়ে কিছুই চাননি । শুধু
বলেছেন তার উপাসনা করতে, তার সাথে কাউকে
শরীক না করতে । আমাদের চলার জন্য ইউসার
ম্যানুয়াল হিসেবে আল-কোরআনকে আমাদের মাঝে
পাঠিয়েছেন ।
অথচ এই আমরা সৃষ্টির পর থেকে আমরা বারবার ভুল
পথে হেঁটেছি । সোজা পথ ছেড়ে দিয়ে নিজেদের
জীবনকেই জটিল করে তুলেছি । উনি বলেছেন
শালীনতার সাথে চলতে আমরা কি তা করছি ? উনি
বলেছেন ন্যায়বিচার করতে আমরা কি তা করছি ?
উনি বলেছেন সুদ থেকে দূরে থাকতে আমরা কি
থেকেছি ? বরং তার দেয়া জ্ঞানকে নিজেদের
যোগ্যতার ফসল ভেবে তার অস্তিত্বকেই অস্বীকার
করে বসেছি ।
যে রব পুরো পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা, পৃথিবীর দশগুন বড়
সূর্যের সৃষ্টিকর্তা, পৃথিবী ও সূর্যের মত হাজার
হাজার গ্রহকে ধারণকারী সৌরজগতের সৃষ্টিকর্তা
এত অসীম ক্ষমতাধর রব তার অবাধ্যতার জন্য
আমাদের সাথে কি আচরন করেছেন ? আমাদের আলো-
বাতাস বন্ধ করে দিয়েছেন, আকাশ থেকে বৃষ্টি
বর্ষণ থামিয়ে দিয়েছেন, নাকি প্রলয়ংকারী
ঘূর্ণিঝড়, ভুমিকম্প বা জলোচ্ছাস দিয়ে আমাদের
ধংস করে দিয়েছেন ? দয়াময় রব তার কিছুই
করেননি । বরং যুগে যুগে তার পথভ্রষ্ট বান্দাদের
সংশোধনের জন্য উনি বারবার বিশেষ দূত
পাঠিয়েছেন তাও আমাদেরই মধ্য হতে যেন আমরা
তার কথা ভালোভাবে বুঝতে পারি।
উনার হুকুম না মানার জন্য, উনার আইন বাস্তবায়ন
না করার জন্য তার দেয়া অনুগ্রহগুলো আমাদের কাছ
থেকে কেড়ে নেননি । বরং কুরআনে বারবার স্মরণ
করিয়ে দিয়েছেন যে, উনি ক্ষমা করতে
ভালোবাসেন, দয়া করতে পছন্দ করেন । বান্দা
আকাশ থেকে মাটি পর্যন্ত গুনাতে অপরাধে
নিমজ্জিত হয়ে তার কাছে এসে অন্তর থেকে মাফ
চাইলে, বিনয়ের সাথে মাথা নিচু করে কাঁদলে উনি
ক্ষমা করে দিবেন ।
তারপরও কি আমরা মাফ চাইব না ? সেই মহান
স্রষ্টার দরবারে ফিরে আসবো না ? উনি যদি তার
দেয়া অনুগ্রহগুল কেরে নেয় তাহ্লে কে আছে সেই
রবের মুকাবেলায় আমাদের সাহায্যকারি হবে ?
উনি যদি হঠাৎ করে আমাদের জীবন সমস্যা দিয়ে
জরিয়ে দেন তাহলে কে সেই ক্ষমতাধর যে এই
বিপদ্গুলো দূর করে দিবে ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






