আজ ২৫তম দিন। ব্যাংক এর দোয়ার ঘুড়ে এসে ক্লান্ত দেহ আর মন নিয়ে বসলাম।
ইসলামী ব্যাংক থেকে শুরু , আজ এনসিসিতে শেষ করে আসলাম ঘুরার পালা। তবে যে উদ্দেশ্য নিয়ে গিয়েছিলাম তা হয়ে উঠেনি।
বাড়ির কাগজ জমা দিয়ে কিছু টাকা ঋণ বা পণ্য সামগ্রী কিনে ব্যবসা করবো। যে ব্যাংকেই গেলাম উত্তর একই। আপনার চলমান ব্যবসা থাকলে বলেন । ২ বছর হইছে কিনা প্রতিষ্ঠানের বয়স, কত লাখ টাকার মালামাল আছে আপনার প্রতিষ্ঠানে, মাসে কত টাকা বেচা বিক্রি হয় আরো হরেক রকম প্রশ্ন।

আমি নতুন প্রতিষ্ঠান শুরু করতে যাচ্ছি, আইটি ট্রেইনিং ও নেটওয়ার্কিং। তার যন্য সরকারি সহায়তা পাবোনা জানি, তবে বেসরকারি ব্যাংক যে এমন করবে তা আমাদের মতো গরীব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের যন্য কাম্য ছিলনা।
আমি যেখানে আমার বসত ভিটা জামানত রাখছি ঋণ এর টাকার ১০গুণ। তবুও তাদের নিয়ম নীতি আমার বোধগম্য হয়নি।
আমাদের আজ চাকুরির যন্য বসে না থেকে উদ্দোক্তা হতে বলা হয়। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এক বক্তৃতায় বলছিলেন এ কথা ।
আজ তার বাস্তবাতা আমার সামনে । এক জন উদ্দোক্তা হবার আগে তার এক জন অগ্রিম ব্যবসায়ী হওয়া চাই। ৫/১০ লাখ টাকা অগ্রিম থাকা চাই ।

অনেক অবাক হলাম ‘’কর্মসংস্থান ব্যাংক’’ এ যেয়ে । উদ্দোক্তা ঋণ নাকি ওড়াও দেয়না । আমি হয়তো কর্মসংস্থান কথাটার সঠিক অর্থটা বুঝিনি। নয় আমার পড়া বই গুলোর লিখা ভুল ছিল। কর্মসংস্থান নয় উনারা ‘’কর্মস্থল উন্নয়ন ব্যাংক ‘’ নামটা দিবেন বলে আশা রাখি। তাহলে অন্তত আমার মত কেউ আশাহত হবেন না।
আজ কি আমরা এটা বলতে পাড়ি যে, একজন উদ্দোক্তা হবার আগে ১০০ বার ভেবে দেখো তোমার বাবার কতো টাকা আছে বা তোমার নিজের কতো টাকা আছে ?
আজ আমাদের দক্ষতা, মেধা ও পরিশ্রমের মূল্যায়ন কী আমরা পাবো? হয়তো না , আসলেই না ।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

