somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রিচার্ড ডকিন্সের গড ডিলিউসান বইয়ের সমালোচনা পর্ব ৬

১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ডকিন্স এই অধ্যায়ে বলেছেন যে তিনি কেন ধর্মবিরোধী | তিনি যেসব জিনিস এই অধ্যায়ে আলোচনা করেছেন তা হলো : মৌলবাদ ও বিজ্ঞানের পরাভব , ধর্মীয় স্বৈরতন্ত্রের কালো দিক, ধর্ম আর সমকামিতা, ধর্ম আর জীবনের পবিত্রতা, মডারেট ধর্মের বিপদ ইত্যাদি |

আমি এই অধ্যায়ের সমালোচনা একটু বৃহত্তর পরিসরে করতে চাই | ডকিন্স শুধু খ্রিস্টধর্মের কথা বলেছেন কিন্তু আমি সমস্ত ধর্মের কথা বলতে চাই | তবেই প্রকৃত অবস্থাটা বুঝা যাবে বলে আমার ধারণা |

ডকিন্স এই বইতে একটা প্রশ্নের উত্তর দিতে চেয়েছেন | প্রশ্নটা হলো ধর্মে খারাপটা কি আছে? ধর্মের বিরুদ্ধে নাস্তিকদের এত উত্তেজিত হবার কারনটা কি ? ধর্মের বিরুদ্ধে ডকিন্সের এই পজিসন কি নাস্তিকদেরও মৌলবাদী বানিয়ে দিচ্ছে না ? ডকিন্স এর উত্তর দিতে গিয়ে প্রথমে ধর্মীয় মৌলবাদ ও বিজ্ঞানের পরাভবের প্রসঙ্গ এনেছেন |

প্রথমেই বলা উচিত ধর্মীয় মৌলবাদ কিভাবে বিজ্ঞানকে পরাজিত করছে | বহু বিজ্ঞানী ধর্মীয় মৌলবাদের কাছে নতি স্বীকার করছেন | ডকিন্স কুর্ট ওয়াইস-এর কথা বলেছেন | ইনি একজন সম্মানিত ভূবিজ্ঞানী ছিলেন | ইনি হার্ভার্ডে স্টিফেন জে গুল্ডের ছাত্র ছিলেন | কিন্তু ইনি ছেলেবেলার ধর্মশিক্ষার প্রভাবকে পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেননি | তাই ইনি শেষ পর্যন্ত ধর্মের কাছে নতি স্বীকার করে মেনে নিয়েছেন যে পৃথিবী ১০ হাজার বছর পুরনো মাত্র | এইরকম ভাবে যেসব বিজ্ঞানী সৃষ্টিতত্ববাদী তারা সবাই ধর্মের বিশ্বাসের কাছে পরাজিত হয়েছেন |

এরপরে ডকিন্স বলেছেন ধর্ম কিভাবে সমকামিতাকে ঘৃনা করেছে | সমকামীদের উপরে ধর্ম কিভাবে আঘাত হেনেছে | ধর্মীয় স্বৈরতন্ত্রের কালো দিক দেখাতে গিয়ে ডকিন্স বলেছেন যে পাকিস্তানে ডক্টর ইউনুস শেখকে কিভাবে ব্লাসফেমি আইনে ফাঁসানো হলো | ইউনুস তার ছাত্রদেরকে বলেছিল যে মুহাম্মদ ইসলাম আবিস্কারের আগে মুসলিম ছিলেন না | ইউনুসের ১১ জন ছাত্র অভিযোগ করে স্কুল আধিকারিকদের | তারপরেই ইউনুসকে ব্লাসফেমি আইনে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয় |

এছাড়া এই ব্লাসফেমি আইন খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয় | অগাস্টিন আশিক কিংরী মসিহ বলে খ্রিস্টান তার মুসলিম প্রেমিকাকে বিয়ে করার জন্য মুসলিম হয় | তারপরই মেয়ের বাড়ির লোকেরা ব্লাসফেমি আইনে মসিহ কে ফাঁসায় | মসির অপরাধ হলো সে ইসলাম নিয়েছে তার যৌন আকাংখা পূরণের জন্য |

ধর্মীয় স্বৈরতন্ত্র সব দেশেই আছে | আমেরিকায় আমেরিকান তালিবান বলে একটি কথা খুব জনপ্রিয় হয়েছে | এরা আসলে ধর্মীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা | বিজেপি তথা সংঘ পরিবারের আমেরিকান কাউন্টারপার্ট | এরাই ধর্মীয় স্বৈরতন্ত্র চালাচ্ছে |
ধর্ম ও মানবজীবনের পবিত্রতা সম্বন্ধে বলতে গিয়ে ডকিন্স বলেন যে ধর্মের নামে কিভাবে ভ্রুণ হত্যা ও গর্ভপাত, ইচ্ছামৃত্যু ইত্যাদির উপর আক্রমন এসেছে | গর্ভপাতবিরধিদের ডাক্তার হত্যা করা এবং ভ্রুনহত্যার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে | ধর্মওয়ালাদের মতে প্রতিটি ভ্রুণ একটি নবজাত শিশু অতএব ভ্রুণ হত্যা একটি হত্যা | এই হত্যাকারীকে দন্ড দেয়া উচিত | সেই দণ্ডদানের নাম করে ভ্রুণ হত্যাকারী ডাক্তারদের হত্যা করা হচ্ছে | ডকিন্স বলছেন যে ভ্রুণ হত্যা বন্ধ করতে হলে স্টেমসেল রিসার্চ বন্ধ করে দেয়া উচিত যার মেডিকেল সাইন্সে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে | আই ভি এফ (ইন ভিট্রো ফার্টিলায়জেসন ) ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়া উচিত, কারণ এখানেও ভ্রুণ হত্যা হয় ইত্যাদি | ডকিন্স এও বলেছেন যে ভ্রুণ নিয়ে সমস্যাটা শুধুই দৃষ্টিভঙ্গির (পার্সেপসনের) | ভ্রুণ আসলে ডকিন্সের মতে ক্লাস্টার অফ সেল, কোনো জীবন্ত মানুষ নয় |

মডারেট ধর্ম কিভাবে উন্মাদনার জন্ম দেয় তা নিয়েও ডকিন্স লিখেছেন | খ্রিস্টান আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্যনীতি সবসময় এই ধর্মবিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে স্থাপিত হয় যে ইহুদিদের পালেস্তাইন-এর উপর ইশ্বরপ্রদত্ত অধিকার আছে | কেউ কেউ তো পরমানু যুদ্ধের কথা বলে, তাদের মতে পরমানু যুদ্ধ আসলে আর্মাগেডন যা যিশু খ্রিস্টকে ফিরিয়ে আনবে | এছাড়া মুসলিমদের ৯/১১ আক্রমন এবং বৃটেনের ৭/৭ রেল আক্রমন নিয়েও আলোচনা করেছেন ডকিন্স | তিনি দেখিয়েছেন যে এই ধর্মীয় উন্মাদেরা আসলে যা বিশ্বাস করে বলে প্রচার করে তাইই বিশ্বাস করে | তিনি আরো দেখিয়েছেন যে স্বর্গের বর্ণনা এত মধুর যে তার লোভ এরা সামলাতে পারে না | ডকিন্সের মতে ধর্ম আসলে যুক্তি তর্ককে বন্ধ করে | এইভাবেই মডারেট ধর্ম উন্মাদ ফ্যানাটিক তৈরী করে |

আসুন দেখি ডকিন্সের কথা কতটা সত্যি |

ধর্মীয় মৌলবাদ যে বিজ্ঞানকে পরাভূত করেছে একথা আংশিক সত্যি |এখানে ধর্ম বলতে ধর্মীয় মৌলবাদকে বুঝাচ্ছি , ধর্মগ্রন্থকে নয় | ভারতের মত দেশে ডাক্তারেরা কখনই গোমাংসের পুষ্টিকর দিকটি জোর গলায় বলতে পারে না | মুসলিম দেশে শুকরমাংসের পুষ্টিকর দিকটি বলতে পারে না সেদেশের চিকিত্সক সমাজ | কারণ ধর্ম | ধর্ম আরো নানাভাবে বিজ্ঞানকে পরাভূত করেছে | ভারতে বিজ্ঞানে কখনই কেউ মৌলিক গবেষণা করতে পারে নি | কারণ ধর্ম নতুনকে গ্রহণ করতে শেখায়নি ভারতীয় বিজ্ঞানীদের | ডক্টর সুভাষ মুখোপাধ্যায় বিশ্বে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির স্রষ্টা | তার সৃষ্ট টেস্ট টিউব বেবিটি আজ পূর্ণবয়স্কা নারী , এক সন্তানের জননী | কিন্তু সেই বিজ্ঞানীকে ভারত সরকার কোনভাবেই বিদেশে প্রতিষ্ঠা পেতে দেয় নি | স্বদেশে তো নয়ই | কারণ অবশ্যই ধর্ম | আজ ওনার গবেষণা প্রকাশিত হলে ভারত হত বিশ্বে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির নির্মাতা | সুভাষবাবু নোবেল পেতেন , কোনো সন্দেহ নাই | কিন্তু ওই ধর্ম তথা ধর্মীয় মৌলবাদী পথের কাঁটা হয়ে গেল |

একই রকম উদাসীনতার শিকার হয়েছিলেন আব্দুস সালাম সাহেব | তিনি পাকিস্তানি ছিলেন |তিনিও নিজের দেশের বিজ্ঞান শিক্ষার বিকাশে কোনো সাহায্য পাননি |

আরেক দিক থেকে ডকিন্সের কথাটা মিথ্যা | ধর্মীয় মৌলবাদ বিজ্ঞানকে সম্পূর্ণরূপে পরাভূত করেনি | করলে ডকিন্সের মত বিজ্ঞানীরা থাকতেন না | বিজ্ঞানের অগ্রগতি হত না | সব থমকে যেত | এছাড়া যদি ধর্মগ্রন্থের দিকে তাকানো যায় তাহলে দেখা যায় চরক সুস্রুতের মত গ্রন্থে কিরকম বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় কাজ হত | কাজেই ডকিন্সের কথাটা আংশিক সত্যি |

ধর্ম সমকামিতাকে ঘৃনা করে অর্থে ডকিন্স বোঝাতে চেয়েছেন যে ধর্মীয় মৌলবাদ করে | কারণ সমকামিতা বিষয়টা পৃথিবীর কোনো ধর্মগ্রন্থে নেই | বিষয়টা নতুন | এবিষয়ে ধর্মগ্রন্থে কিছু বলা নেই | যা কিছু ঝামেলা হচ্ছে সবই মৌলবাদীরা করছে | ডকিন্সের মত আমিও এর তীব্র নিন্দা করছি | সমকামিদেরও বেঁচে থাকার অধিকার আছে | তাদের জীবনেরও একটা দাম আছে | সুতরাং একজন মানবতাবাদী হিসেবে আমি সমকামীদের অধিকার সমর্থন করি |

ধর্মীয় স্বৈরতন্ত্রের কালো দিক নিয়ে ডকিন্স যা বলেছেন আমি তা সর্বৈব সমর্থন করি | তবে এইটুকু বলতে চাই যে ধর্মীয় স্বৈরতন্ত্র ধর্মগ্রন্থ নয় বরং ধর্মীয় মৌলবাদীরাই করে থাকে ধর্মের অপব্যাখ্যা করে | ডকিন্সের উদাহরণের সাথে আমি যোগ করতে চাই রাজীব হায়দার, অভিজিত রায়, ওয়াশিকুর রহমান, অনন্তবিজয় দাস, আর নিলয় নীলের হত্যাকান্ড | হুমায়ুন আজাদের হত্যাকান্ড ও তসলিমা নাসরিনের বহিস্কার, সলমান রুশদির ওপর মৃত্যু পরোয়ানা , থিও ভ্যান গগের হত্যা, ডক্টর নরেন্দ্র দাভলকর ও মালেশাপ্পা কালবুর্গির হত্যা, গোমাংস খাবার নামে নিরীহ গ্রামবাসীদের হত্যা, মকবুল ফিদা হোসেনের বহিস্কার আরো কত কি | বলতে শুরু করলে রাত কাবার হয়ে যাবে |

ধর্ম ও মানবজীবনের পবিত্রতা অধ্যায়টা সম্পূর্ণই গর্ভপাত নিয়ে লেখা | এবিষয়ে আমার একটু ভিন্নমত আছে | গর্ভপাত বা ভ্রুণ হত্যা জিনিষটা সত্যি অমানবিক | আজকের দিনে যখন কনডম, গর্ভনিরোধক পিল ইত্যাদি বেরিয়ে গেছে তখন ভ্রুণ হত্যার কি প্রয়োজন আছে ? গর্ভনিরোধক পিল খেলে বিনা কনডমে সেক্স করলেও কোনো গর্ভধারণের ভয় নেই | তাহলে কেন প্রথমে গর্ভধারণ করে আবার গর্ভপাত করতে হবে ? অনেকে নিরোধক পিলের সাইড এফেক্টের কথা বলেন , তাদের আমি জিজ্ঞাসা করতে চাই যে গর্ভপাতের কি কোনো সাইড এফেক্ট নাই ?

এছাড়া এই আই ভি এফ ক্লিনিকের ব্যাপারে আমি একটু দ্বিমত পোষণ করি | শাস্ত্রে বলা নিয়োগ প্রক্রিয়া (সারোগেসী) আর আই ভি এফ ক্লিনিকে কি পার্থক্য আছে ? কিই বা সাদৃশ্য আছে ? দুই প্রক্রিয়াতেই পর পুরুষের সন্তান পেটে আসছে | এইটাই সাদৃশ্য | আর আই ভি এফে ভ্রুণ হত্যা হচ্ছে আর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হচ্ছে না | এইটাই পার্থক্য | তাই আমার মতে আই ভি এফের চেয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া অনেক বেশি ভালো | অনেকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পর পুরুষের ছোঁয়া লাগবে বলে নাক সিটকন| তাদের বলি যে এতে সমস্যা কোথায় ? আজকাল ট্রামে বাসে কি পর পুরুষের ছোয়া লাগছে না ? আর একটু অন্তরঙ্গ হলে যদি ভ্রুণ হত্যা বন্ধ করা যায় , তাতে সমস্যাটা কি ?
এছাড়া অনেক সময় দেখা যায় যে গর্ভপাত না করলে মাকে বাঁচানো যাবে না | এইরকম ক্রিটিকাল অবস্থায় গর্ভপাত করাটাই শ্রেয় | তবে সব অবস্থায় নয় |

এছাড়া ডকিন্স মডারেট ধর্মের বিপদের কথা বলেছেন | তিনি দেখিয়েছেন কিভাবে মডারেট ধর্ম ফ্যানাটিসিসম কে প্রশ্রয় দেয় | এর সাথে আমিও একমত | আমি শুধু যোগ করতে চাই হিন্দু মডারেট ধর্মকে | আজকের হিন্দু ভারতে গোমাংস নিয়ে যে নরহত্যার মিছিল চলেছে সেটাও ৯/১১ বা ৭/৭ এর চেয়ে কোন অংশে কম নয় | নরেন্দ্র দাভলকর, গোবিন্দ পানসারী আর মালেশাপ্পা কালবুর্গি ইত্যাদির হত্যা কোনভাবেই মুসলিম সন্ত্রাসবাদের চেয়ে কম নয় | দলিতদের ছোঁয়া ছুতের যে ঘৃণ্য রাজনীতি শুরু হয়েছে সেটাও এক ধরনের মানসিক নির্যাতন | অনার কিলিং –এর নাম ঘৃণ্য জাতিভেদ প্রথাকে জিয়িয়ে রাখার জন্য নতুন উদ্যমে সংঘ পরিবার নেমে এসেছে | পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত-এর লেখা বইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তার মুখে কালী লেপে শিবসেনা এটাই প্রমান করে যে তারা শান্তির পক্ষে নয় | দিল্লির চার্চ জ্বালানো, রানাঘাটে বৃদ্ধ মাদার সুপিরিয়রকে ধর্ষণের কথা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য |

বৌদ্ধদের সন্ত্রাসবাদ এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য | বার্মা থেকে বৌদ্ধরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের অত্যাচার করে তাড়িয়ে দিয়েছে | তিব্বতের কর্মপা বা দলাই লামার নির্বাচনকে ঘিরে অজস্র রাজনীতি, হিংসা মারামারি হয় | চীন এ বিষয়ে নাক গলায় |

কিন্তু আমি সেইসব ধর্মগুরুদের কোনভাবেই উপেক্ষা করতে পারি না যারা ধর্মের নামে অহিংসা , শান্তি ও প্রীতির কথা বলে গেছেন | গৌতম বুদ্ধ, দলাই লামা, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ, নানক,কবির, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, ইত্যাদি মহাপুরুষেরা সর্বদা শান্তি আর অহিংসার কথা বলে গেছেন : এটাও এই প্রসঙ্গে বিচার্য |

তাহলে শেষমেষ কি দাঁড়ালো ? ডকিন্স ধর্মের অপব্যবহারের যে দিকটি তুলে ধরেছেন তার সাথে ভীষনভাবে একমত | কিন্তু ধর্মের সদ্ব্যবহারের দিকটিও ভুলে গেলে চলবে না | সব দিক বিবেচনা করে এটাই বলতে হয় যে ধর্মগ্রন্থ তথা ধর্ম একটি নির্জীব পদার্থমাত্র | এর সদ্ব্যবহার আর অপব্যবহার দুইই মানুষে করে | কিছু মানুষ সব ধর্মে আর দেশে আছে যারা নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে ধর্মের অপব্যবহার করে | এরা বেশিরভাগ পলিটিশিয়ান আর ভুইফর, স্বঘোষিত ধর্মগুরু হয় যারা পরস্পর প্যাকড থাকে | এদেরই জন্য ধর্মের মুখে কালী লাগে | আবার কিছু মানুষ ধর্মের সদ্ব্যবহার করে বাকি মানুষদের ধর্মের পথে আসতে উদ্বুদ্ধ করে | সবই মানুষের হাতে | ধর্ম ভালো-মন্দ নয় , মানুষই ভালো–মন্দ হয় |


সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৫৪
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাঞ্জাবিস্তান

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪০

পাকিস্তা/নের পাঞ্জাবিরা হলো পাকি/স্তানের বাকি সব জাতিসত্তার মানুষদের জন্য অভিশাপ। এদের জাত্যভিমানের কারনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগন স্বাধীনতার ডাক দিতে বাধ্য হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের প্রদেশগুলো যেরকম অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×