somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রিচার্ড ডকিন্সের গড ডিলিউসান বইয়ের সমালোচনা পর্ব ৭

২০ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই অধ্যায়ে ডকিন্স ধর্মের ধ্বজাধারীদের দ্বারা হওয়া শিশুদের ওপর নির্যাতন এবং ধার্মিকরা কিভাবে শেষে নাস্তিক হয়ে যায় তাই দেখিয়েছেন | এই দুই ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র আছে | কার্যকারণ সম্পর্ক আছে | সমস্ত ধার্মিক থেকে নাস্তিক হয়ে যাওয়া লোকগুলি শিশুকালে ধর্মের ধ্বজাধারীদের হাতে নির্যাতিত হয়েছে | তাই বড় হয়ে তারা নাস্তিক হয়ে গেছে |

1] ডকিন্স শুরু করেছেন এদগার্দ মর্টারা বলে ৬ বছর বয়সী এক ইহুদি শিশুর গল্প দিয়ে | এই শিশুটির দেখাশোনা করত আনা মরিসি নামে এক ক্যাথলিক খ্রিস্টান নার্স | শিশুটি ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং প্রায় মরনাপন্ন হয়ে যায় | বিনা বাপ্তাইজিত শিশু মরলে নরকে যায় বলে আনার শোনা ছিল | তাই সে শিশুটিকে বাপ্তায়জিত করে | সঙ্গে সঙ্গে ক্যাথলিক চার্চের পুলিস এসে শিশুটিকে তার বাবা মায়ের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় | এখন থেকে শিশুটি আর ইহুদি নয় সে খ্রিস্টান | ছয় বছরের শিশুটির ওপর এর ভীষণ ট্রমাটিক প্রভাব পড়ে | এখানে প্রশ্ন হতে পারে যে খ্রিস্টান দেশে ইহুদিরা ইহুদি চাকরবাকর কেন রাখে না ? খ্রিস্টান চাকরবাকর কেন রাখে ? কারণ ইহুদি চাকর সাবাথের দিনে কাজ করবেনা | খ্রিস্টান চাকর করবে | সেই জন্য ইহুদি চাকর রাখা হয় না | ধর্ম ঘর গৃহস্থালীর কাজেও নাক গলায় এইভাবে |

কিন্তু কেন চার্চ এরকমটা করলো ? কারণ চার্চ ভাবছে যে তারা এক মহা উপকার করলো মর্টারার, তাকে ইহুদি মা বাবার কাছ থেকে উদ্ধার করে | এইটাই চার্চের মনস্তত্ব | চার্চ বুঝতে পারে না যে অন্যেরা কেন এটা বুঝলো না | চার্চ জানে যে তার বিশ্বাসটাই জগতে একমাত্র সত্যি আর অন্যগুলি মিথ্যে | চার্চ বুঝলো না যে ওই সময় এদগার্দর ধর্ম নয় বাবা মায়ের ভালবাসা দরকার ছিল |


2] উপরের প্যারাটা কেন হাইলাইট করলাম সেটা পরে বলব | এরপর ডকিন্স বলেছেন যে কিভাবে শিশুদের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয় ধর্মের নামে | চার্চের নির্যাতনের দুটি পদ্ধতি হলো : যৌন নির্যাতন আর পাপের ধারণা | বাচ্চাদের মনের ওপর দুটোরই ভয়ংকর প্রভাব পড়ে | যৌন নির্যাতন করে ক্যাথলিক চার্চ মোটা রকম ক্ষতিপূরণ দেয় | কিন্তু তাতে শিশুমনের ক্ষতি ঠিক পূরণ হয় না |

3] আর আছে পাপের ভাবনা | পাপ করলে খ্রিস্ট ধর্মে নাকি অনন্তকাল নরকবাস লিখা আছে | এই নরকের ভয়াল ভয়ঙ্কর চিত্র শিশুদের সামনে তুলে ধরা হয় | তাতে তাদের মানসিক ক্ষতি হয় | প্যাস্টর কিনান রবার্টস শিশুদের নরকদর্শনের জন্য হেল হাউস বলে এক থিয়েটার করত | তাতে বারো বছরের শিশুদের নরকের নানা ভয়াবহ দৃশ্য দেখানো হত | বহু শিশুমনে এর বিরূপ প্রভাব পড়েছিল | প্যাস্টর রবার্টস অবশ্য এতে ভালই দেখেছেন | কিছু খারাপ দেখেননি |

4] এর পরের সমস্যা হলো যারা আস্তিক থেকে নাস্তিক হয় (বেশিরভাগই যৌন নির্যাতন আর নরকের ভয়ে হয় ) তাদের অবস্থা | তাদের সমস্ত সামাজিক নেটওয়ার্ক ভেঙ্গে যায় | তাদের বন্ধুরা তাদের ছেড়ে যায় | প্রিয়জনেরা মুখ ফিরিয়ে নেয় | সমস্ত জীবনটাই যেন অর্থহীন হয়ে যায় |

5] এছাড়া ডকিন্স শিশুদের উপর সেন্সরশিপের বিরোধিতা করেছেন | তিনি দেখিয়েছেন যে শিশুরা যদি সম্পূর্ণ তথ্য না জানতে পারে তাহলে ভুল পথটাকে ঠিক ভেবে ভুল পথে যাবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে | সুতরাং শিশুদের সেন্সরশিপ করাটা উচিত নয় |

6] এছাড়া ডকিন্স শিক্ষা জগতের কলঙ্ক বলেছেন সৃস্তিতত্ববাদ পড়ানোকে | কোনো স্কুল সৃস্টিতত্ববাদ পড়ালে সেটা ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি করবে সেটাই তার অভিমত |

7] ডকিন্স আরো বলেছেন যে শিশুদের কোনো ধর্ম হয় না , তাদের বাবা মায়ের ধর্ম তাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয় |

8] এছাড়াও ডকিন্স দেখিয়েছেন যে শিক্ষিত মানুষেরা ধর্মগ্রন্থের ব্যাপারে খুব কমই জানেন | যেমন আমেরিকায় ৭৫% ক্যাথলিক আর প্রটেস্টান্ট একজন ওল্ড টেস্টামেন্টের প্রফেটের নামও জানে না | ৬৬% এর বেশি লোক জানে না কে সারমন অন দা মাউন্ট বলেছিল | বেশিরভাগ লোক মনে করে মোজেস যিশুর শিষ্যদের মধ্যে একজন | এইধরনের অজ্ঞতা আমেরিকার মত ধার্মিক দেশে দেখা যায় |

আসুন দেখা যাক ডকিন্সের কথা কতদুর সত্যি |

1] ধর্মের নামে শিশু নির্যাতনের বিষয়টির সাথে আমি একমত | আমি বরং হিন্দু আর মুসলমানের এবিষয়ে অবদানটি উল্লেখ করতে চাই | বহু হিন্দু ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে | লেটেস্ট অভিযোগটি হলো আসারাম বাপুজীর বিরুদ্ধে | ইনি গুজরাটের ধর্মগুরু | এনার বিরুদ্ধে নিজের নাতনির বয়সী শিষ্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে | বাপুজি এখন সপুত্র জেলে | তার অনুগামীরা একের পর এক সাক্ষীদের হত্যা করে চলেছে গুরুকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে |

মুসলিম পীর সাহেবদের বিরুদ্ধেও মেয়েদের যৌন হেনস্থার কাহিনী শুনতে পাওয়া যায় | তসলিমা নাসরিন তার লেখায় পীর সাহেবদের এহেন নোংরামীর উল্লেখ করেছেন | তিনি নিজেই এই ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন |

2] আর পাপের ধারণা? সেবিষয়েও আমি একমত | বহু হিন্দু ও মুসলিম ধর্মগুরু হস্তমৈথুনকে নানারকম বিটকেল রোগের কারণ বলেন | সমকামিতার পাপের ফল নিয়ে লম্বা লম্বা বক্তৃতা দেন | এর ফলে বহু যুবক মানসিক রোগে ভোগেন | আমিও এককালে ভুগেছি | মুসলিম ধর্মগুরুরা বলেন দুনিয়ার সবই খারাপ | এর ফলে মুসলিম সমাজ আধুনিক দুনিয়ায় কোনো জায়গা করে নিতে পারে না | হিন্দুরা বলে গোমাংস খাওয়া পাপ | তাই হিন্দুরা গোমাংস খেলে বমি করে | আরো কত বলব ....|

কিন্তু কেন এমনটা ধর্মগুরুরা করে ? আগে এদগার্দ মর্টারার গল্পটার পরের প্যারাটা হাই লাইট করেছিলাম | কারণ ওই প্প্যারায় বলা আছে যে ধর্মগুরুরা মনে করেন যে তারা মহা উপকার করছেন | এই হলো শুধু খ্রিস্টান ধর্মগুরুর মনস্তত্ব নয় , প্রায় সব ধর্মগুরুর মনস্তত্ব | তারা মনে করে তারা মহা উপকার করছে | হিন্দু যুবক অনার কিলিং করে ভাবে আমি বংশের মুখ উজ্জ্বল করলাম | মুসলিম যুবক জিহাদে নিরীহ লোকদের মেরে ভাবে আমি ইসলামের সেবা করলাম | খ্রিস্টান যুবক অন্য ধর্মকে গালি দিয়ে ভাবে আমি খ্রিস্টের সেবা করলাম | সবাই ভাবে আমি খুব ভালো কাজ করলাম | কেউ খারাপ কাজ করতে চায় না | এটাই এদের মনস্তত্ব |


3] আস্তিক থেকে যারা নাস্তিক হয় তাদের বিষয়ে ডকিন্স যা বলেছেন আমি তার সাথে একমত |আমি শুধু যোগ করতে চাই যে শুধু সমাজ তাদের পরিত্যাগ করে তাই নয়, তাদের মেরেও ফেলে | লেটেস্ট উদাহরণ সমগ্র পৃথিবী জুড়ে নাস্তিকদের উপর আক্রমন | রাজীব হায়দার, ওয়াশিকুর রহমান ,অনন্তবিজয় দাস-এর মত নাস্তিক বাংলাদেশী ব্লগাররা, ভারতের নরেন্দ্র দাভলকর, মালেশাপ্পা কালবুর্গি, গোবিন্দ পানসারেদের মত নাস্তিকেরা, হলান্ডে থিও ভ্যান গগ... আরো কত কি | এই পৃথিবী অত্যন্ত অসহিষ্ণু হয়ে গেছে |

4] শিশুদের উপর সেন্সরশিপ নিয়ে ডকিন্স যা বলেছেন আমি তার সাথে একমত | শিশুদের সবকিছু জানতে দেয়া উচিত | তা না জানলে শিশুরা ভুল পথে যেতে পারে |এর সাথে আমি যোগ করতে চাই যে স্কুলে যৌনশিক্ষা দিলে শিশুরা পরিনত বয়সে এইডস-এর মত যৌনব্যাধির শিকার হবে না | সুস্থ যৌনজীবন লাভ করতে পারবে | ভারতে সেটি সম্ভব নয় কিছু ধর্মীয় বদমাইশের জন্য | অনেকে হয়ত এখুনি বলবেন কি নার্সারী বা প্রাইমারির শিশুরা সেক্স নিয়ে পড়বে? আজ্ঞে না | ওই বয়সে তারা ওগুলো কিছু বুঝবে না | তাদের পড়াতে হবে ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে, যখন তারা বুঝতে পারে |

5] এছাড়া শিশুদের ধর্মগ্রন্থ ও নাস্তিকদের রচনা দুটোই পড়ানো উচিত | তাদের নিজেদের বেছে নিতে দেয়া উচিত যে তারা কোথায় যাবে | সব সময় তাদের গাইড করার কুফল হলো তাদের নিজস্ব চিন্তাশক্তির বিকাশ হয় না |

৬] ডকিন্স সৃষ্টিতত্ব স্কুলে পড়াবার বিরোধী | কিন্তু আমি একমত নই | আমি মনে করি বিবর্তনবাদ ও সৃষ্টিতত্ব দুটি পড়ানো হবে | ছাত্রছাত্রীরা নিজেরা বেছে নেবে যে তারা কোনটা নেবে | এতে তাদের জ্ঞান সম্পূর্ণ হবে আর চিন্তার উন্নতি হবে | ডকিন্স কখনো বাকস্বাধীনতাকে মহামূল্যবান বলেন | কখনো আবার সেই বাকস্বাধীনতা খন্ডন করে বসেন | এই পয়েন্টে তিনি স্ববিরোধী |

৭] ] ডকিন্স আরো বলেছেন যে শিশুদের কোনো ধর্ম হয় না , তাদের বাবা মায়ের ধর্ম তাদের উপর চাপিয়ে দেয়া হয় | আমি ১০০ % একমত | এই ধর্ম চাপিয়ে দিয়ে বাবা মা শিশুদের অশেষ ক্ষতি করেন | বাবা মা শিশুটিকে ধর্মীয় কুসংস্কারের পথে ঠেলে দেন | বাবা মার গ্রিন সিগনাল পেয়ে পুরোহিত-মৌলবী-পাদ্রীরা শিশুদের যৌন নির্যাতন করে | বাবা মার উচিত শিশুটিকে নিজের পথ নিজেই বেছে নিতে সাহায্য করা | তার যে ধর্ম ভালো লাগে, সেই ধর্মের পথে তাকে এগিয়ে দেয়া |

৮] এছাড়াও ডকিন্স দেখিয়েছেন যে শিক্ষিত মানুষেরা ধর্মগ্রন্থের ব্যাপারে খুব কমই জানেন | এটাই একমাত্র কারণ | এটাই দেখায় যে কিভাবে ধূর্ত-চতুর ধর্মগুরুরা মানুষকে ধর্মের নামে ঠকায় | বেশিরভাগ লোক ধর্মগ্রন্থে কি লেখা আছে তা জানে না | তাদেরকে পুরুত-মোল্লা-পাদ্রীরা যা বোঝায় তাই সে বুঝতে বাধ্য হয় | ধর্মগুরুরা এখানেই মানুষদের ঠকায় | তারা বলে যে এই কাজ ধর্মসম্মত বা এই কাজ ধর্মবিরুদ্ধ | অজ্ঞ মানুষ তাইই মেনে নেয় | মোল্লারা বলে যে এই লোকটা কাফের , এ ইসলামকে অপমান করেছে , একে মার | অজ্ঞ মানুষ এটা জানতে চায় না যে ওই লোকটার কাজ যে ইসলাম বিরুদ্ধ তার প্রমান কি ? ইসলামে কেমন কাজকে কুফুরী বলেছে ? যদিও কেউ জিজ্ঞাসা করে বাকচতুর মোল্লারা কোরান হাদিস শরিয়ার খিচুরী খাইয়ে তাকে উল্টা পাল্টা বোঝায় | সে বুঝতে বাধ্য হয় কারণ সে নিজে কখনো পড়েনি | একে তো ইসলামী শাস্ত্র আরবিতে লেখা আর আরবি সবার ভাষা নয় | ব্যাপারটা হলো একজন নিরক্ষর গ্রামের চাষাকে সুদখোর মহাজন যেভাবে সুদের অঙ্কে ঠকায় বা জমিদার জমির দলিলপত্রে ঠকায়, ঠিক তেমনি ভাবে অজ্ঞ মানুষকে ধর্মগুরুরা ঠকায় | এবিষয়ে সুদখোর মহাজন-জমিদারদের সাথে ধর্মগুরুদের কোনো পার্থক্য নেই |

একদিকে ডকিন্স ধর্মের নামে এইসব ধর্মগুরুদের অত্যাচার দেখিয়েছেন | অন্যদিকে সেইসব ধর্মগুরুদের আমি উড়িয়ে দিতে পারছি না যারা ধর্মের মুখ উজ্জ্বল করেছেন | যেমন মাদার তেরেসা , যিনি অনাথ শিশুদের ধর্মের নামে বুকে টেনে নিয়েছেন | আমি ফ্লোরেন্সে নাইটিঙ্গেল-কে ভুলতে পারি না যিনি ধর্মের নামে আহত সৈনিকদের সেবা করেছেন | আমি সিস্টার নিবেদিতাকে ভুলতে পারি না যিনি ধর্মের নামে এদেশে স্ত্রী শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন | আমি পোপ ফ্রান্সিসকে ভুলতে পারি না যিনি ইরাকে ইসলামিক স্টেট ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হানাহানির তীব্র নিন্দা করেছিলেন |

সব মিলিয়ে এই অধ্যায়ে দেখা যায় যে মানুষই ধর্মকে ধারণ করে আবার তাকে দলনও করে | মানুষই ধর্মের মুখ উজ্জ্বল করে আবার মানুষই তাতে কালী মাখায় | সবই মানুষের হাতে | তাকেই ঠিক করতে হবে যে সে কি করবে | ধর্মকে সে মহান করবে না পাষন্ড বানাবে, এটা তাকেই ঠিক করতে হবে | ধর্ম নিরীহ, নির্দোষ আমার বিচারে |
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১৫ দুপুর ১২:১৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭ নভেম্বরঃ যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

৭ নভেম্বরঃ
যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

১৯৭৫ থেকে ২০২৬, মাঝখানে পেরিয়ে গেছে অর্ধশত বছর! এই সময়ের মধ্যে ঘুরেফিরে সরকার পরিচালনা করেছে- বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা সেতু চালুই কি বিআইডব্লিউটিসির লোকসানের একমাত্র কারণ? নাকি প্রশাসনিক স্থবিরতার মাশুল?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

টানা পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক লোকসান গুনছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সংস্থার নিজস্ব মূল্যায়নে সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া হলো—পদ্মা সেতু চালু হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুরানো সেই দিনের কথা ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১৫ জন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে এলোমেলোভাবে কেটে দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, শিশুদের চুল বড় হয়ে চোখের ওপর পড়ছিল, দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×