৮০ বছর আগে আদালতে এডলফ হিটলারকে কড়া জেরা করেছিলেন হান্স লিত্তেন নামের এক ইহুদি আইনজীবী। পরের এক সময় জার্মানির দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হয়ে উঠেন হিটলার। সেই থেকে সারা জীবন ওই আইনজীবী ছিলেন তাঁর দুই চোখের বিষ। কিন্তু কে এই হান্স লিত্তেন? সম্প্রতি নতুন একটি নাটকে তুলে ধরা হয়েছে সাধারনের কাছে স্বল্পপরিচিত এই মানুষটিকে।
১৯৩১ সালের ঘটনা। হিটলারের নাৎসি দলের আধাসামরিক গোষ্ঠী স্টারমাবটাইলুং (এসএ) সদস্যরা কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা যান এমন একটি নৃত্যশালায় হামালা চালিয়ে তিন ব্যক্তিকে হত্যা করে। লিত্তেন এ মামলায় চার এসএ সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠনের চেষ্টা করেন। লিত্তেনের উদ্যোগে এতে নাৎসি নেতা হিটলারকে সাক্ষী হিসাবে আদালতে ডাকা হয়। বার্লিনের আদালতকক্ষে লিত্তেনের জেরার মুখে ক্রোধে লাল হয়ে গিয়েছিল এডলফ হিটলারের চেহারা। এ ধরনের জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন না তিনি।
আদালতে লিত্তেন যখন হিটলারকে জিজ্ঞাস করেন, কেন তাঁর দল সরকার উৎখাতের জন্য জনগনকে উসকানি দিচ্ছে? এ সময় নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন হিটলার। তিনি চিৎকার করে বলেন, 'এমন কোন কিছু নেই যা দিয়ে এটা প্রমান করা যাবে।'
নাৎসি পার্টি হচ্ছে গণতান্ত্রিক এবং শান্তিপূর্ণ, হিটলারের এমন দাবিও নস্যাৎ করে দেন লিত্তেন। হিটলারকে এভাবে জিজ্ঞাসাবাদের ফল ভোগ করতে হয়েছিল আইনজীবী লিত্তেনকে। পরবর্তীতে নাৎসি পার্টির নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছিলেন তিনি। দলটি ক্ষমতায় আসার পর প্রথম যেসব রাজনৈতিক বিরোধীদের গ্রেপ্তার করেন লিত্তেন ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। হিটলার লিত্তেনের প্রতি এতটাই ক্ষুদ্ধ ছিলেন যে অনেক দিন পরও তাঁর নাম শুনতে পারতেন না।
সুত্রঃ বিবিসি।
আলোচিত ব্লগ
দ্য ব্লাইন্ড স্পট

ঘন কুয়াশার চাদর আর আঁকাবাঁকা সড়কের আড়ালে ‘পদ্মাডাঙা’ গ্রামটা দেখতে আর দশটা নীরব, নিরুপদ্রব পল্লীর মতোই। কিন্তু সাইবার অপরাধের মানচিত্রে এই জায়গার পরিচয় ভিন্ন। ফিশিং, ব্যাংক... ...বাকিটুকু পড়ুন
কাতুকুতু'র কাহিনীনামা
কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।
তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন
আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।