somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলামবিদ্বেষের মই বেয়ে জঙ্গিবাদের উত্থান!

১৪ ই মে, ২০১৫ রাত ৮:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্লগার হত্যাকাণ্ডের তালিকায় এবার যুক্ত হলো অনন্ত বিজয় দাশের নাম। গত মঙ্গলবার সিলেটে নিজ বাসার অদূরে চারজন মুখোশধারী যুবকের উপর্যুপরি চাপাতির কোপে তিনি মারা যান। এ নিয়ে গত প্রায় তিন মাসের মধ্যে তিনজন ব্লগারকে প্রায় একই কায়দায় হত্যা করা হলো। যদিও প্রাথমিকভাবে এ ঘটনাগুলোর দায় স্বীকার করে আসছিল ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’, ইদানীং আল কায়েদার দায় স্বীকার ও এই উপমহাদেশে সংগঠনটির কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করার খবরাখবরে পরিস্থিতি অনেকটা নতুন দিকে মোড় নিয়েছে। চিন্তার রেখা ফুটে উঠেছে সচেতন মহলের কপালে।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী? আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দশকের পর দশক আল-কায়েদা, তালেবান ও তাদের প্র্যাক্টিক্যাল পরিচালক সাম্রাজ্যবাদী শক্তির ইঁদুর-বেড়াল খেলার মধ্যেও শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের আবাসভূমি বাংলাদেশ অনেকাংশেই নিরাপদ ছিল, একেবারেই কিছু ঘটে নি তা নয়, কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু দেশটিকে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্র বলার মতো সুযোগ তৈরি হয় নি কখনও। সেই বাংলাদেশ আজ ভয়াবহ খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছে। সরকার আপ্রাণ প্রচেষ্ট চালাচ্ছে এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য। কারণ, এই প্রত্যেকটি ঘটনা সরকারের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন করছে। রাজনীতিক কারণে কিছুদিন আগেও এ দেশে ব্যাপক সহিংসতা হয়েছে, আগুনে পুড়ে প্রাণ হারিয়েছে শতাধিক মানুষ, র‌্যাব-পুলিশের ক্রসফায়ারেও অনেকে প্রাণ হারিয়েছে যা আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারকে বারবার প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। বর্তমানে তেমন রাজনীতিক সহিংসতা না থাকলেও ক্রমাগত ব্লগার হত্যাকাণ্ড সরকারকে দুশ্চিন্তার মধ্যে নিপতিত করেছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো সরকার আজও মূল সমস্যায় প্রবেশ করতে পারে নি। ফলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আন্তরিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কোনো সমাধান আসছে না।
সরকারকে বিষয়টি নিয়ে সিরিয়াসলি ভাবতে হবে। এই যে খুনগুলো হচ্ছে সেগুলোকে অন্য আর দশটা সাধারণ খুন ভাবলে চলবে না। এই হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে নিহিত বার্তাটি অনুধাবন করতে হবে। দুরদর্শিতার পরিচয় দিতে হবে। প্রত্যেকটি খুন হচ্ছে একই কায়দায়, খুব দক্ষ হাতে। হত্যাকারীদের পরিকল্পনা ও কর্মসূচিও অতি শক্তিশালী। প্রথমে বলা হলো হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটাচ্ছে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম। কিন্তু পরবর্তীতে খবর বের হলো- আলকায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশীয় শাখা ‘অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের’ দায় স্বীকার করেছে। খবরটি খুব আশঙ্কাজনক হলেও সরকারকে আমরা এ ব্যাপারে যথাযথ উদ্বিগ্ন হতে দেখি নি। এই খবর শুনে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন যে, বাংলাদেশে নাকি আল কায়েদার অস্তিত্বের প্রমাণ নেই। তিনি কী ধরনের প্রমাণের আশায় বসে আছেন তা পরিষ্কার না হলেও এতটুকু বলা যায় যে, আল কায়েদা থাকার দরকার নেই, আল কায়েদার নেটওয়ার্ক থাকলেই যথেষ্ট। আর যদি ধরেও নেই যে, এই দেশে আল কায়েদার নেটওয়ার্ক নেই বা আল কায়েদাপন্থী কোনো সংগঠনও নেই, তবুও স্বস্তির কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশের পরপর তিনটি ব্লগার হত্যাকাণ্ডের দায়ভার আল কায়েদা নিজের ঘাড়ে নিয়েছে এটুকুই যথেষ্ট। এখনই যদি এই হত্যাকাণ্ডগুলো বন্ধ করা না হয় তাহলে এ দেশের ভবিষ্যৎ সুখকর হবে না।
প্রথমেই বলেছিলাম, সরকার সমস্যার গভীরে প্রবেশ করতে পারে নি। সেই মূল সমস্যাটা ব্যাখ্যা করা যাক। এটা সকলেই জানেন- রোগ এক জিনিস, লক্ষণ আরেক জিনিস। লক্ষণকে রোগ ভেবে যতই ওষুধ সেবন করা হোক তাতে রোগের উপশম তো ঘটেই না, বরং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে রোগবৃদ্ধি হবার সম্ভাবনা থাকে। ব্লগার হত্যাকাণ্ড, চাপাতির কোপ, আন্তর্জাতিক চাপ, মিডিয়ার সমালোচনা- কোনোটাই মূল সমস্যা নয়, সমস্যার লক্ষণ বা বহিঃপ্রকাশমাত্র। একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আরেকটি ঘটনার জন্ম হয়। প্রথমটি না ঘটলে হয়তো দ্বিতীয়টি ঘটতই না। যদি ইসলামবিদ্বেষী লেখালেখি না হতো, আল্লাহ-রসুলকে অশ্রাব্য-অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করে লেখা না হতো, কার্টুন প্রকাশ করা না হতো, কোটি কোটি মুসলমানের ভালোবাসাকে কটাক্ষ না করা হতো তাহলে তারা যত বড় নাস্তিক হোক, মুক্তমনা হোক, যুক্তিবাদী হোক, প্রগতিশীল হোক- আক্রমণের স্বীকার হতো না। তাদের বিরুদ্ধে মানুষের হৃদয়ে এত ক্ষোভের সঞ্চার হতো না। বলতে পারেন- সাধারণ মানুষ তো মারছে না, মারছে উগ্রবাদী কিছু ধর্মান্ধ। হ্যাঁ, সাধারণ মানুষ চাপাতি হাতে তুলে নেয় নি ঠিক, কিন্তু চাপাতির বিরুদ্ধে তো কোনো ধর্মভীরু মানুষকে মাঠে দেখাও যাচ্ছে না।
কথিত মুক্তমনা-প্রগতিশীল, যারা এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ দেখেও না দেখার ভান করছেন, সেটাকে কোনো সমস্যা বলে মানতে যারা অপারগ তাদের মধ্যেও অনেকে অভিযোগ করছেন- একটি বিশাল সংখ্যার মানুষ নাকি এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করে কার্যত মৌন থাকছে, সমর্থন দিচ্ছে। তাদের অভিযোগ যদি সত্য হয় তাহলে তার কারণ আর কিছুই নয়, এই বিশাল সংখ্যক মানুষের অন্তরে জমা পড়া ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ইসলামবিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে কতখানি ক্ষোভ থাকলে এমন পাশবিক হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করা যায় চিন্তা করুন। যাদেরকে মারা হচ্ছে তারা সবাই ইসলামবিদ্বেষী কিনা সে ব্যাপারে খুব কম জনই ধারণা রাখে। বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অধিকাংশ ধর্মভীরু মানুষের মনে গেঁথে গেছে যে, নাস্তিক মানেই ইসলামবিদ্বেষী, আল্লাহ-রসুলকে গালিগালাজকারী। সেই সাথে এই ধর্মভীরু মানুষগুলো সরকারকেও নাস্তিক সরকার মনে করে কারণ তাদের বিশ্বাস- সরকার ইসলামবিদ্বেষী প্রচারণার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয় নি। ইসলামবিদ্বেষীদের প্রতি ও সরকারের প্রতি এই মানুষগুলোর বহুদিনের লালিত ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে আনসারুল্লাহ (বা আল কায়েদা) এর মতো জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে এক প্রকার নৈতিক ভিত্তি অর্জন করছে, যা ভয়াবহ অশনিসংকেত।
সরকারকে বুঝতে হবে সমস্যার সূত্রপাত হচ্ছে এক শ্রেণির ইসলামবিদ্বেষীদের হাতে, যার চূড়ান্ত পরিণতি রচিত হচ্ছে ধর্মান্ধ জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর হাত দিয়ে। যেহেতু জঙ্গিদের অবস্থান প্রকাশ্য এবং রক্তক্ষয়ী, কাজেই সেটাই বেশি আলোচিত হচ্ছে। শৃগাল মুরগী শিকার করবে, এটা তার ধর্ম। তার গ্রাস থেকে মুরগী রক্ষা করতে চাইলে শৃগালের ব্যাপারে যেমন সতর্ক থাকতে হবে তেমন মুগরীকেও আগলে রাখতে হবে। জঙ্গিরা জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ড করবে এতে অবাক হবার কি আছে? তাদের সেই অমানবিক কর্মকাণ্ড থেকে সমাজকে রক্ষা করার জন্য একদিকে যেমন সামাজিক ও ধর্মীয় সচেতনতা বৃদ্ধি করা দরকার, শক্তি প্রয়োগ দরকার, অন্যদিকে তারা যেন কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন লাভ করতে না পারে সে ব্যাপারেও সতর্ক থাকা দরকার। কিন্তু বর্তমানে এক শ্রেণির ইসলামবিদ্বেষী লেখক ও ব্লগার জঙ্গিদের হাতে সাধারণ মানুষের সমর্থন লাভ করার জন্য এক মহামূল্যবান অস্ত্র তুলে দিচ্ছে।
সরকার হয়তো ভাবছে ইসলামবিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে তা বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে প্রচারিত হবে। আন্তর্জাতিকভাবে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে, গণমাধ্যমে সমালোচিত হতে হবে। কিন্তু তাদেরকে এটাও ভাবতে হবে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে। একটি সরকারের প্রধান বন্ধু হচ্ছে তার জনগণ। একটি শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে সেই জনগণের মনে অন্যায়ভাবে ক্ষোভ সৃষ্টি হতে দেওয়া মোটেও সমীচীন হবে না। গত কয়েক বছরে এই আস্তিক-নাস্তিক ইস্যুতে সরকারের জনপ্রিয়তা কতটা কমেছে তা তো কারও অজানা নয়। ধর্মান্ধতা যদি অকল্যাণকর হয় ধর্মবিদ্বেষ কীভাবে কল্যাণকর হতে পারে? যুক্তি কী বলে? একজন কট্টর ধর্মান্ধ ও একজন কট্টর ইসলামবিদ্বেষীর মাঝে চরিত্রগত দিক দিয়ে কোনো পার্থক্য নেই, পার্থক্য শুধু এটাই যে, পশ্চিমা ধর্মবর্জিত শিক্ষাব্যবস্থা ও মিডিয়ার প্রচারণায় ধর্মবিদ্বেষীদের মনে করা হয় অতি আধুনিক, প্রগতিশীল, মুক্তমনা; আর ধর্মান্ধরা হচ্ছে পিছিয়ে পড়া অনুন্নত, মৌলবাদী জনগোষ্ঠী। যেটাই মনে করা হোক, বাংলাদেশের বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে সরকারকে এর কোনো এক দিকে ঝুঁকে পড়লে চলবে না, নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখতে হবে। সরকার অবশ্যই ধর্মান্ধতার সাথে আপস করবে না। ধর্ম নিয়ে যারা অপরাজনীতি করে তাদের সাথেও কোনো আপস নয়। বরং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে সকল প্রকার ধর্মব্যবসায়ীদের হাত থেকে মুক্ত করে মানবতার কল্যাণে ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু ঠিক এই একই কারণে ইসলামবিদ্বেষীদের সাথেও আপস করা বা তাদের অন্যায় কর্মকাণ্ডকে নীরব সমর্থন প্রদান করাও সরকারের নীতিতে বর্জনীয় হওয়া উচিত।

৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

"রিকন্সিলিয়েশান"....ইহা কি খায় নাকি মাথায় দেয়?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০০



সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিদায় নানা পাটেকার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৫৭



৯০ দশকের শুরুর দিকের কথা, সারা দিনের ক্লান্তি নিয়ে যখন বাসভবনে ফিরেছি, রুটিন মাফিক গোসল খাওয়া দাওয়া করে ঘুমোবো কিন্তু টিভি অন করে দেখি একটি সিনেমা শুরু হচ্ছে -... ...বাকিটুকু পড়ুন

×