'আমি চিরতরে দূরে চলে যাবো/ তবু আমারে দেবো না ভুলিতে ...'।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের পঙ্ক্তিমালা। মৃত্যুর ৩৪ বছর পরও বাঙালির সমাজ ও রাজনীতিতে তার প্রভাব ও প্রাসঙ্গিকতা ওই বাণীর যথার্থতাই প্রমাণ করে।
কী বিদ্রোহে, কী প্রেমে- আজো বাঙালি শরণাপন্ন হয় কবির। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামসহ জাতির সব ক্রান্তিলগ্নে তার কবিতা ও গান যুগিয়েছে অফুরাণ প্রেরণা।
বাংলা সন অনুযায়ী জাতীয় কবির ৩৪তম মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার। বঙ্গাব্দ ১৩৮৩ 'র ১২ই ভাদ্র ( ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট) তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি ও নজরুল ইন্সটিটিউট পৃথক কর্মসূচি নিয়েছে।
১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় নজরুলের বিখ্যাত কবিতা 'বিদ্রোহী'। ব্রিটিশ রাজের ভিত্ কেঁপে উঠেছিল তার অগ্নিগর্ভ কবিতার বজ্রনির্ঘোষে। ব্রিটিশবিরোধী লেখার জন্য বেশ কয়েকবার কারারুদ্ধ হতে হয়েছে তাকে।
১৯৭৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত করা হয় নজরুলকে। সে বছরই ২৯ আগস্ট তৎকালীন পিজি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মানবতা ও বিদ্রোহের কবি নজরুল।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কবিকে সমাহিত করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের উত্তর পাশে।
১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে কাজী নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


