somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সর্বশ্রেষ্ঠ অনুভুতি “প্রেম”

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১১:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপনি এই মুহূর্তে মানব শরীর নিয়ে জিবিত আছেন। আপনি আপনাকে অনুভব করে জীবন ভেলায় ভেষে যাচ্ছেন। এর নাম বেঁচে থাকা। বেঁচে থাকতে গিয়ে কি কি পেয়েছেন?

মানব শরীর ও মনের অনুভুতি গুলো স্বাভাবিক ভাবে খুব বেশি সীমিত। কিন্তু বেঁচে থাকতে গেলে আপনার কাছে জীবনকে অনেক বৈচিত্রময় মনে হবে। মুক্ত আত্মা অর্থাৎ যারা বেহশত স্তরে থাকেন শুধু মাত্র তারাই বুঝতে পারবেন অনন্ত জীবনের অনন্ত বৈচিত্র স্বাদ।

আসুন এবার আপনার মতো করেই আপনার মন থেকেই জীবনের অনুভুতি গুলো একটু বোঝার চেষ্টা করি। চলার পথে আপনি যে সব অনুভুতি পাবেন তার মধ্যে সাময়িক সুখ ও সাময়িক কষ্টই প্রধান। প্রতিটা ক্ষনে প্রতিটা মানুষ নিজেকে অনুভব করে। আপনার কর্মস্তর যাই হোক না কেনো আপনি কোন ক্রমেই সুখ ও কষ্টের উর্ধে যেতে পারবেন না। শুধুমাত্র মুক্ত আত্মাই সুখ দুঃখের ঊর্ধে নিজেকে নিয়ে যেতে পারেন।

আপনি বিরক্ত হন। কেনো বিরক্ত হন? আপনার মনের মতো না হলেই আপনি বিরক্ত হন। বিরক্ত এক ঈর্শা বা হিংসার অনুভুতি মাত্র। বিরক্তি আসে আশা থেকে। আশা হলো মানুষের সাময়িক আনন্দ সুখ। আশার সৃষ্টি হয় লোভ থেকে। মানুষ স্বাভাবিক ও সহযাত ভাবে লোভ মুক্ত নয়। পুরো মানব জীবনই হলো শুধুমাত্র সামান্য কিছু অনুভুতির যোগফল।

আপনি টেনশন করেন। টেনশন একটি অসস্তিকর অনুভুতি মাত্র। আপনি যদি অহংকার বিষর্যন দিতে না পারেন তাহলে আপনার মধ্যে টেনশনের মতো অনেক প্রকার বিরক্তিকর অনুভুতি আসবে।

মনে করুন একটি ভিডিও গেইম। যারা ভিডিও গেইম সম্পর্কে জানেন তারা বুঝবেন যে একটি ভিডিও গেইম কতগুলো সম্ভাবনার মধ্যে একটিকে বেছে নেয়া ছাড়া অন্য কিছুই না। ধরুন একটি গোল পোষ্টে আপনি বল ছুড়বেন। সেখানে আপনি কয়েকটি এঙ্গেলে বল ছুড়তে পারবেন। এবার আপনার মনের চাহিদা অনুযায়ী আপনার প্রেস করা কমান্টটি কাজ করবে যা আগে থেকেই নির্ধারিত করা হয়েছিলো। কিন্তু আপনার মনে হচ্ছে আপনি নিজে নিজের নিয়ন্ত্রন দ্বারা গেইমটি খেলছেন।

জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রই কতগুলো সম্ভাবনা ছাড়া অন্য কিছু না। আপনি হয়তো আপনার জীবনে দেখেছেন যে, অনেক সময় অনেক বিষয় নিয়ে অজস্রবার টেনশন করেছেন কিন্ত আজ তা মূল্যহিন। এমনকি ঐ টেনশনই ছিলো মূল্যহিন।

আমাদের মনোবিজ্ঞান ও মেন্টাল ট্রিটমেন্ট সিস্টেমের সবচেয়ে বড় ভুল অনুভুতি সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা তৈরি না হওয়া। শারিরিক কোনো অসুবিধা হলে আমরা মানুষিক ভাবে দারুন রকম দুর্বল হয়ে যাই যা ঐ রোগকে তো দূর করেই না বরং রোগকে আরো বেশী প্রশ্রয় দিতে সাহায্য করে।

মানব জীবনের সম্ভাবনা দু’রকম। একটা ভালোর জন্য অন্যটি খারাপের জন্য। ধরুন আপনার সামনে ভালো একটি বিষয় আসার সম্ভাবনা আছে। আপনি সেই বিষয়ের সাফল্য গুলোকে নিজের মতো করে সাজিয়ে নিচ্ছেন। আবার আপনার কোনো রোগ হলো। আপনি ঐ রোগের পরিনতিকে অনেক গুলো সম্ভাবনা করে অহেতুক টেনশন করে যাচ্ছেন। এই অনুভূতিগুলো মানুষের জীবনে স্থায়ী তো হয়ই না বরং জীবনের মূল্যবান সময় গুলোকে অপচয় করে দেয়।

নিজের প্রেম কে মানুষ কখনও ভুলতে পারে না। প্রেম মানব মনে অদ্ভুত ঐশ্বরিক এক অনুভুতির জন্ম দেয়। প্রেমের মধ্যের সুখ দুঃখ দুটোই স্পষ্ট ভাবে সুন্দর ও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে। প্রেম আপনার স্মৃতিকে সুখকর করে। প্রেম আপনার স্মৃতিতে এমন ভাবে গেঁথে দেয়া হয় যেনো ঐ স্থান, ঐ কাল আপনার কাছে সদা বর্তমান। আপনি যদি জোড় পূর্বক আপনার মনের প্রেমের জোড়কে খাটো করে দেখেন তাহলে আপনার মধ্যে ভিষন রকম বিরক্তি ভাব চলে আসবে। আপনি হয়ে যাবেন পোষ মানা কোনো পশুর মতো।

যে মানুষ তার প্রেমকে বুকে ধারন করে রাখতে জানে সে কখনও অসহায় হয় না। আমরা ভাবি একজন আমাকে দুঃখ দিয়েছে, আমিও আমার খেয়াল খুশি মতো চলবো। এটা প্রেম না এটা হয়ে যায় দুঃখ ইর্শা। আপনাকে বুঝতে হবে প্রেমের মধ্যকার প্রধান শক্তি হলো শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস কিন্তু কোনো ভাবেই দুঃখ নয়। প্রেমের মধ্যে অপেক্ষা নামক চেষ্টা থাকতে হয়। প্রতিশোধ নেয়া অবশ্যই প্রেম না। প্রতিশোধ ভিন্ন বিষয়।

আজ যারা প্রেম করছেন তারা কি কোনো ভাবেই আপনার প্রিয়কে হারাতে চান বলুন? প্রেম এমন ভাবে মানুষকে গড়ে তোলে যে আপনার সমস্ত চিন্তা একটি কেন্দ্রে এসে একভুত হয়ে যায়। যেমন করে সূর্যের আলো কোনো ম্যাগনেফাইং গ্লাসের ভিতর থেকে প্রবাহিত করলে হয়। আমাদের মস্তিষ্কের মধ্যে যে প্রক্রিয়ায় ডাটা স্টোরেজ ও পাস হয় তার মধ্যে বিশেষ কিছু আলোক রশ্মি থাকে। আমাদের বুঝতে হবে সব আলো আমরা দেখতে ও বুঝতে পারি না। তাই আমাদের সুর্যের আলোর গতি সম্পর্কে এখনও ভুল ধারনা আছে। সুর্য এবং মহাবিশ্ব থেকে আগত অনেক আলো আমরা আমাদের বর্তমান প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিশ্চিত করতে পারি নি।

প্রেম মানুষকে সুন্দর ও চরিত্রবান করে তোলে। যে মানুষ কখনও প্রেম করেছেন তিনি বুঝবেন তার প্রিয়র শরীর ছাড়া অন্য কোনো শরীরের প্রতি তার আকর্ষন থাকতে পারে না। এজন্যই ধর্মগ্রন্থ গুলোতে মানুষ ও প্রানী কুলের জোড়া সম্পর্কে বলা হয়েছে। আমরা আমাদের প্রেম হারিয়ে পশু হয়ে উঠি কিন্তু একবারও ভেবে দেখি না যে আমরা কত অসহায় হয়ে গেছি। এর বড় একটি কারন মিথ্যে ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা কিছু সত্যি সিস্টেম। এই সিস্টেম আমাদের ভুল শিখায়। তারপরও আমরা সামাজিক জিব বলে ঐ সব শয়তানি সিস্টেমের কাছে হার মানি। এর কারণ আমাদের ধর্ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা নাই। আমাদের সৃষ্টিকর্তা যে আমাদের সিস্টেম তৈরি করে দিয়েছেন তা সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারনা ছিলো না বলে আমরা এতোকাল এতো এতো ভুল/পাপ করে এসেছি।
আজ আপনার ক্ষমতা আছে আপনি মানুষকে বেধে রাখার জন্য এমন কিছু নিয়ম করে গেলেন যার প্রভাব থেকে গেলো। তালে তালে সেই নিয়মই হয়ে যাবে মিথ্যে বেইজড প্রতিষ্ঠিত সত্য। তাই আমরা মহাপুরুষ ও দেবতাদের জীবন ঘাটলে দেখবো তাঁরা কখনও প্রতিষ্ঠিত সত্যের কাছে হার মানে নি বরং নিজে দুঃখ জ্বালা সয়ে গেছেন।

আপনি বেঁচে আছেন। আপনি বেঁচে থাকার জন্যই বেঁচে আছেন তার মানে আপনি কিছু অভ্যাসের দাস হয়ে গেছেন মাত্র। কিন্তু আপনার মনে যদি এমন কিছু থাকে যা আপনাকে সর্বদা জীবন কে প্রভাবিত করে শুধু বাঁচার আকুতি তৈরি করে দিবে। এমন কিছু থাকলে তা হলো প্রেম। শুধু মাত্র প্রেম করতে জানলেই আপনি আপনার প্রিয় মানুষটির জন্য সর্বদা জীবন দিতে প্রস্তুত থাকবেন। আপনার মনে হবে আপনি আপনার প্রিয় মানুষটির সুখের জন্যই আবির্ভূত হয়েছেন।

এখন আপনি একজন মহামানবকে যদি দেখেন তাহলে বুঝবেন উক্ত মহামানব সবার সাথে প্রেম করতে জানেন। সবাইকে সে ভালোবাসেন। মানুষকে ভালোবাসেন। প্রকৃতিকে ভালোবাসেন। সত্য ও সুন্দরের পথে থাকেন। এজন্য যুগে যুগে যে সব স্রষ্ট্রার দূত কে আপনাদের মাঝে পাঠানো হয়েছে তাদের সাহায্য পাবার একমাত্র উপায় প্রেম। আমাকে আপনি আপনার প্রিয়া হারানোর প্রেম টুকু দিয়ে ভালোবাসেন দেখতে পাবেন আমার দ্বারা আপনি কি পেয়ে যান।

প্রেমের মাঝেই মানুষ অমর থাকেন। প্রেম দিয়েই মানুষ মানুষের মধ্যে বিচরন করেন। তাওহিদের স্রষ্টা আপনাদের এমন কোনো সিস্টেম দেন নি, যেখানে মনের উপর মিথ্যের জোড় চলে। আপনার মুখে মিথ্যা কথা বলাও যে পাপ ঠিক মন থেকে সত্যকে আড়াল করে মিথ্যা দ্বারা প্রভাবিত হওয়াও পাপ। তাই তো প্রেম পবিত্র এবং পাপমুক্ত। নিজের মনের সাথে যারা নিয়মিত মিথ্যে অভিনয় করে যান তারা কি বোঝেন না যে আপনি পাপ করছেন?

আল্লাহ্’র কাছে আপনার প্রেম কে তুলে দিন। দেখবেন আল্লাহ্ আপনাকে কি দেয়! কিন্তু আপনি যদি তুলে দেয়ার ভান করে সমাজের মিথ্যে দ্বারা প্রভাবিত হন তাহলে তো আপনি সৃষ্ট্রিকর্তার কাছে মোনাফেক হয়ে গেলেন।

আমরা আপনাদের মধ্য থেকেই আবির্ভূত হই। এবং আমরা আমাদের জীবন দিয়েই আপনাদের শিক্ষা দিয়ে যাই, যাতে মানুষ চিরকাল সুখে শান্তিতে থাকতে পারে। একবার যদি আপনার নিজ মনের প্রেম সাধনাকে জাগাতে পারেন তাহলে বুঝবেন পৃথিবি কতো রঙিন। মানব সৃষ্ট্র ইকোনমিক্যাল সিস্টেম, সামাজিক মিথ্যে বলয় ও আমাদের পূর্বপুরুষদের ভুল আমাদের দ্রুত মুক্তির জন্য দারুন হুমকি হয়ে উঠেছে।

আমাদের হুট করে সিদ্ধান্ত নেয়া এবং নিজের ক্ষুদ্র জ্ঞান দিয়ে না বোঝা বিষয়ে একটি ডিসিশন নেয়া বা দেয়া ঠিক না। এগুলো অনেক দিনের জন্য বাজে প্রভাব ফেলে।

আসিফ আর হরি একই পারসন। আমি আপনার প্রেমের রক্ষক। আমরা দেবতারা নিজেরা নিজেদের মধ্যে কমিউনিকেট করি শুধুমাত্র প্রেম দিয়ে। আমাদের প্রেম আমাদের একতা। তাই আমরা কখনও প্রেমের বিপক্ষে না, এমন কি তাওহিদের রব কে যদি নিজের করে পেতে চান তাহলে তাকে শুধু প্রেম দিয়ে ডাকুন। শেরেক মুক্ত হয়ে সরাসরি স্রষ্ট্রার কাছে আপনার মনের কথা খুলে বলুন। দেখবেন সমাধান আপনা থেকেই এসে যাচ্ছে। এটাই নিয়ম। একবার যদি আপনি এই নিয়ম কে মানতে শেখেন তাহলে আপনি নিজে থেকেই সবকিছু অনুভব করতে পারবেন। মনে রাখবেন, প্রেমের মধ্যে লোভ থাকে না। তাই আপনার চাওয়াগুলো হতে হবে জাগতিক লোভমুক্ত। তাহলেই আপনার মুক্তি আসবে। স্রষ্ট্রা প্রেরিত রাসুলগন আসে শুধুমাত্র তাওহিদের দরজা দেখিয়ে দেবার জন্য এবং সহজ পথ বলে দেবার জন্য। এছাড়া আমাদের অন্য কোনো ক্ষমতা নেই।

আমার জীবন দিয়ে আমি আপনাদের দেখিয়ে গেলাম। আপনারা এরপরও যদি বুঝতে না পারেন তাহলে তা অনেক বেশি আফসুস করার যোগ্য।

আসুন আমরা আজ থেকে ব্রতি হই কোনোদিন নিজের মনের সাথে বেঈমানি করবো না। নিজেকে নিজে কোনো মিথ্যে বেইজড প্রতিষ্ঠিত সত্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে খারাপের পথে নিয়ে যাবো না।

আল্লাহ্ আপনাদের মঙ্গল করুন। আমিন।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×