![]()
অভিনেত্রী জয়শ্রী কর জয়ার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে। অভিযোগকারীরা ফেইসবুকে জয়ার একটি ছবি আপলোড করে। যেখানে দেখা যায়, জয়া একটি কুকরকে কোলে নিয়ে বসে আছেন। সে সময় তার হাতে জাতীয় পতাকা প্যাচানো যা কুকুর ছানাটির গায়েও লেগে আছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে অভিনয় শিল্পী ও মঞ্চকর্মি জয়শ্রী কর জয়ার এ ধরণের একটি ছবি পোস্ট করা নিয়ে বির্তক তৈরি হয়েছে। তবে এই শিল্পীর দাবী পুরো বিষয়টি পরিকল্পিত। এ নিয়ে তিনি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন।
জয়া বলেন, ‘অভিযোগ করা হচ্ছে আমি প্রিয় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাকে অপমান করেছি। বিষয়টি নিয়ে আমি খুবই বিব্রতকর অবস্থায় পরেছি। যে ছবিটা নিয়ে এ বিতর্কের সূত্রাপাত তা বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের খেলার দিন তোলা।’
এ বিষয়ে রাইজিংবিডির সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি সেদিন স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখে রাতে বোনের বাসায় যাই। বাসায় ঢুকতেই বোনের মেয়ের পোষা কুকুরটা লাফ দিয়ে আমার কোলে এসে বসে। তখন আমার দুই হাতে বাংলাদেশের পতাকা ধরা ছিলো। ঠিক সেই মুহূর্তে আমার বোনের মেয়েটা মোবাইলে ছবি তুলে তা ফেইসবুকে আপলোড করে। যদিও ছবিটি ফেইসবুকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে আমি তা সরিয়ে নিই।’
তিনি জানান, কিন্তু এরই মধ্যে একজন ছবিটিকে তার নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন জনের সঙ্গে শেয়ার করেন।
পরে জয়া তার ফেইসবুকে স্ট্যাটাস এই অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য ক্ষমা চান। এ প্রসঙ্গে জয়শ্রী কর জয়া বলেন, ‘এ বিষয়টি খুবই অনাকাঙ্খিত। এটা আমি ইচ্ছাকৃতভাবে করিনি। আর কেউ পরিকল্পিতভাবে ছবিটিকে ফেইসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে। তারপরও আমি সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
জয়া আরো বলেন, ‘আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা, আমার স্বামীও একজন মুক্তিযোদ্ধা। আমি বাংলাদেশকে প্রাণের চেয়েও বেশী ভালোবাসি। শাহবাগসহ সমস্ত প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গে আমার পরিবার সরাসরি যুক্ত। এ জন্য স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি কৌশলে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর চেষ্ট করছে। আর সবাইকে বলতে চাই, আমি এই ছবিটির জন্য সত্যিই অনেক লজ্জিত।’
সব মিলিয়ে বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী জয়শ্রী কর জয়া এখন খুবই বিব্রতকর অবস্থায় আছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
" এ বিষয়ে রাইজিংবিডির সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমি সেদিন স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখে রাতে বোনের বাসায় যাই। বাসায় ঢুকতেই বোনের মেয়ের পোষা কুকুরটা লাফ দিয়ে আমার কোলে এসে বসে। তখন আমার দুই হাতে বাংলাদেশের পতাকা ধরা ছিলো। ঠিক সেই মুহূর্তে আমার বোনের মেয়েটা মোবাইলে ছবি তুলে তা ফেইসবুকে আপলোড করে। "
আপনার কথার ধরণই বলে দিচ্ছে আপনি মিথ্যাচার করছেন।
আপনি কতটা বাংলাদেশকে ভালোবাসেন তা গতকাল প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। ফেসবুক স্ট্যাটাস ভারতকে অভিনন্দন জানান , ভারতের পতাকা হাতে নাচেন। আপনার পক্ষে বাংলাদেশের পতাকা কুত্তার গায়ে জড়ানো সম্ভব । কারণ আপনি ভারতীয়। একজন বাংলাদেশী কখনো আমাদের চীর শত্রু সীমান্তের হাজার হাজার বাঙালি হত্যাকারী ভারতের পতাকা উড়াতে পারেনা।
সুশীল ভাদা নাস্তিকরা পাকি ছাগুদের পাকিস্তানকে সমর্থন দেওয়ার কারণে গালাগালি করে অথচ এই ভারতীয় দালাল স্পষ্ট ভাবে ভারতের দালালী করতে যেয়ে ধরা খাওয়ার পরও নির্লজ্জের মতো চুপ করে আছে।
যে সব ভাদা স্টেডিয়ামে ছাগুরা ফাকি পতাকা উড়ানোর পর মিছে দেশ প্রেমে কান্নাকাটি এখন তারা নীরব।
এদের নীরবতা প্রমাণ করে এদের কোন দেশ প্রেম নেই । এরা আসলে ভাদা।
সূত্র - Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৯:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




