somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অবচেতন মনকে নিয়ে খেললে কেমন হয়, আসুন খেলি

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অবচেতন মন নিয়ে আপনি ভুরি ভুরি আর্টিকেল পাবেন internet এ। এই সামুতেই অনেক অনেক লিখা পাবেন। মন নিয়ে গবেষনার যেন অন্ত নাই। ঠিক কিভাবে কাজ করে আমাদের মন। বিশেষ করে আমাদের অবচেতন মন। অবচেতন মন নিয়ে অনেক কোটেশন দেয়া যেতে পারে । এসব দিয়ে আসলে আমি লেখাকে দীর্ঘ করতে চাচ্ছি না । অবচেতন মনের রহস্য ব্যক্ষা করা আমার উদ্দেশ্য নয় ।

অবচেতন মন নিয়ে শুধু ছোট্ট দু একটা information দেই
১। আমরা যত কাজ করছি, যা কিছু দেখছি, যা বোঝার বা শেখার চেষ্টা করছি সব কিছু ব্যকআপ হয়ে থাকছে আমাদের মস্তিষ্কে এবং এ কাজটা করে আমাদের অবচেতন মন।
২। প্রতি মুহুর্তে আপনাকে কিছু না কিছু মনে করিয়ে দিবে তার জমাকৃত information থেকে।
তার কাছে ভালো খারাপ বলে কিছু নাই। সে এই পার্থক্য করতে পারে না। সে শুধু জমা করতে থাকে ।
৩। একটা নেগেটিভ কথা “না” শব্দ দিয়ে যে পজিটিভ করা যায় এটা সে ধরতে পারে না ।
(যেমনঃ আমি হতাশাগ্রস্ত নই) সে এটা বুজবেই না যে এটা পজিটিভ কিছু mean করে।
৪। তার কাছে সবকিছুর সমাধান আছে বা খুজে বের করার চেষ্টা করে

এখন বিষয় হলো, আমরা কি এই অবচেতন মন কে নিয়ন্ত্রন করতে পারি???

অবচেতন মন কে নিয়ন্ত্রন করার powerful tool মনে করা হয় Affirmation tool কে । নেগেটিভ শব্দ কে পজিটিভে শব্দ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা ।

অবচেতন মন যদি তার অতীত অভিজ্ঞতা থেকে আপনাকে মনে করিয়ে দেয় যে
“ আমাকে কেউ পছন্দ করে না “
তাহলে তাকে বলতে হবে “ আমাকে সবাই পছন্দ করে”
সে বিদ্রোহ করতে থাকবে । না তোমাকে কেউ পছন্দ করে না । তোমার মনে নাই সেদিন ওই মানুষটা তোমার সাথে কি আচরন করেছিল।
যখন আপনি তাকে এটা বার বার বলতে থাকবেন। সে আপানার সাথে যুদ্ধ করতে থাকবে। আপনি একটা কথা তাকে চাপিয়ে দিচ্ছেন সেটা সে কিছুতেই মেনে নিতে চাইবে না।
যখন ক্লান্ত হবে তখন বলবে, আচ্ছা ঠিক আছে তোমার কথাই ঠিক। এই কথাটা আমি reprogram করে নিচ্ছি ।
পরবর্তিতে যখন কোন প্রসংগে পছন্দ করার বিষয়টা আসবে, তখন বলবে আমি তোমাকে বলেছিলাম তোমাকে কেউ পছন্দ করে না, তুমি বলেছিলে তোমাকে সবাই পছন্দ করে। আমি তোমার কথায় মেনে নিয়েছি।

এবার অবচেতন মনকে নিয়ে খেললে কেমন হয়???
ধরুন আপনি বাইক চালাচ্ছেন। আপনার হঠাত একটা কথা মনে পড়ে গেল। অথচ আপনি এটা নিয়ে ভাবতেছিলেনই না।
আসলে আপনি তার কাছে কোন এক সময় এই কথাটা জানতে চেয়েছিলেন। সেই মুহুর্তে সে সেটার উত্তর জানত না। সে তখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুজতে শুরু করে দিয়েছে তার store করা information এর মধ্যে। যখনই সে তার উত্তর বের করতে পেরেছে সেই মুহুর্তেই সে এটা আপনার সামনে হাজির করেছে।

ঠিক যেন “ আমার মা সব জানে” টাইপ। সে সবকিছুই জানে বা খুজে বের করে ।

এখন আমরা এই জিনিষটা কাজে লাগাব।

যখন আপনাকে সে বলবে, “তোমাকে কেউ পছন্দ করে না”
তখন তাকে বলুন, আচ্ছা ঠিক আছে। এখন আমাকে সবাই পছন্দ করবে এই জন্যে আমি কি করতে পারি বলো আমাকে।
ব্যস হয়ে গেল। সে এখন এই প্রশ্নের উত্তর খোজা শুরু করে দিয়েছে। আপনাকে আর উত্তক্ত না করে সে উত্তর খুজতে থাকবে। উত্তর এক সময় না এক সময় সে দিবেই। তার আবার self esteem একটু বেশি 

উত্তর পেলে সেটা শুধু আপনাকে জানাবে তা না, সে conscious mind কে তাগাদা দিবে। যা করা দরকার তা করতে বলবে। রিতিমতো force করবে যাতে আপনার সামনে মাথা নত করে তাকে দাড়াতে না হয় ।

উত্তর পেলে ভালো। না পেলেও ক্ষতি নেই। সেই নেগেটিভ কথা নিয়ে আর দ্বিতীয় বার দাঁড়াবে না।
যখনই সে কোন নেগেটিভ বিষয় সামনে নিয়ে আসবে তখন শুধু উলটো তাকে ব্যস্ত করে দিতে হবে। এক কথা বার বার মনে করিয়ে আপানার মন আর জীবনকে দুঃসহ করার সুযোগ পাবে না।

প্রক্রিয়াটি হয়ত আরো জটিল, আমি সহজ ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করলাম।


সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:৪৪
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জীবন পর্ব -১

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

'তুমি আমাকে এটা কোন ধরনের হোটেলে নিয়ে এলে?'

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:২৮

এ লেখাটি ম্যাচিউর পাঠকদের জন্য। সে কারণে reader discretion is advised, অর্থাৎ, অস্বস্তি লাগলে পড়বেন না।

ব্যবসায়িক কাজে চায়না গেলেন হাজি মামুন (ছদ্মনাম)।

পঞ্চাশোর্ধ বয়সের সংসারী মানুষ তিনি। ঘরে পরহেজগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:২২



আজ শুক্রবার। শুক্রবার মুসলমানদের জন্য বিশেষ একটি দিন।
আজ বাংলা আষাঢ় মাসের ৫ তারিখ। যদিও বর্ষাকাল। আজ আকাশে মেঘ নেই। বরং রোদ উঠেছে। রোদের তাপ ভালোই। শাহেদ পথে বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইউরোপের সবচেয়ে বড় ফিনটেঁক কোম্পানী রিপাবলিক ইউরোপকে ছেড়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

বাংলাদেশের আইটি ফার্মগুলোর মাঝে আমার ফার্মই তাঁর ইঞ্জিনিয়রাদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিতো। আমার সিনিয়র রুবি অন রেইলস ব্যাকএন্ড ডেভেলপার ছিলো রিফাত। বয়স ৩০, সেই বয়সেই সে মাসে পেতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো পূর্ণিমায়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



তুমি ছাড়া ভালো লাগে না পূর্ণিমা চাঁদ, তুমি লুকিয়ে চন্দ্রিমার হলুদ বর্ণে। মায়াবী জোছনা মাখা রাত সবই যেন নিস্ফল, মন যেন হারিয়েছে আঁধারে সব সময় কাঁদে। চারিদিকে যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×