ভ্যা'রা, নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের নির্বুদ্ধিতা নিয়ে আমাদের এত হাসাহাসি করা বোধ হয় ঠিক হইতাছে না। আসেন একটা গল্প শুনি।
একবার এক পাঠান থানায় গিয়ে পুলিশকে বললো: দারোগা সাহেব! আমার বাড়িতে এক চোর ঢোকার পর তাকে পাকড়াও করেছি। তাড়াতাড়ি আসেন তাকে ধরে নিয়ে আসবেন।
তো দারোগা ঐ পাঠানের বুদ্ধি নিয়া আগে থেকেই শংকিত ছিলেন। পাঠানদের বুদ্ধি নাকি হাঁটুর নিচে থাকে। দারোগা তাকে জিজ্ঞেস করলো: তো চোরকে কোথায় রেখেছেন?
পাঠান বললো" আমার ঘরে।
দারোগা আবার জিজ্ঞেস করলো: তো চোর পালিয়ে যাবে না?
পাঠান আত্মপ্রত্যয়ের সাথে বললো: না, তার পা বেঁধে রেখেছি। যেতে পারবে না।
দারোগা এবার প্রশ্ন করলো- আর হাত?
পাঠান: হাত তো বাঁধিনি।
এবার রেগে গিয়ে দারোগা সাহেব বললো: তাহলে আর গিয়ে লাভ নেই। গিয়ে দেখেন চোর পায়ের বাঁধন খুলে চলে গেছে।
পাঠান কিছুক্ষণ চিন্তা করলো।
তারপর হঠাৎ চিৎকার করে বললো: না, দারোগা সাহেব! সে পালাবে না। কারণ আমি যেমন পাঠান সেও তেমন পাঠান। হাত দিয়ে পায়ের বাঁধন খুলে পালানোর কথা যেহেতু আমার মাথায় আসেনি তাই তার মাথায়ও আসবে না।
দারোগা এবার তার কথাকে গুরুত্ব না দিয়ে পারলো না। গিয়ে দেখে ঠিকই ঐ পাঠান চোর হাত খোলা আর পা বাঁধা অবস্থায় ধরা পড়ে যাওয়ায় ভেউ ভেউ করে কাঁদছে।
তো আমাদের নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ মনে করেছে ফেসবুকের এক্সেস বন্ধ করে দিলে সন্ত্রাসীরা ফেসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করতে পারবে না। ঠিক, সন্ত্রাসীরাও যদি এক লেভেলের বুদ্ধি রাখে তাহলে তারা চিন্তা করবে, "ফেসবুক তো সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। লগইন করা যায় না। তো আর কী করা! আপাতত নাশকতা কার্যক্রম বন্ধই রাখি।"
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




