
‘’বেলা শেষের আলোক যবে পড়বে আমার মুখে,
সে মুখ দেখে বুক যে তোমার উঠবে ভরে দুখে !
ভাববে তুমি ক্লান্ত দেহ বিষাদ মেখে আছে,
তাইতো মুখে আলো আঁধার অমন করে নাচে।
এমন করে ভাবো যদি, কেন মিছে পোড়াও !
নাটাই সুতোয় বেঁধে বল কেমন করে ওড়াও ?
সাত রাজার ধন মানিক রতন তুচ্ছ কর যবে,
আমি ভাবি মানিক রতন তোমায় দেব ভবে ।
ক্লান্তি মুছে এই যে পথিক চলছে কত পথ !
তুমিই তাহার আশার আলো তুমি সুজন রথ ।
পথের রথে চলব সাথে হোক মতের যত অমিল,
প্রেমের জ্বালে ফুটল যে জল খুঁজো তাহার মাঝে মিল ।
দুঃখ বিনে সুখ যদি পাও কতই তাহার মূল্য !
জগৎ মাঝে আর কিছু গো হয় কি প্রেমের তুল্য ?
সুখ পাখি ও, সুখ পাখি গো, এতই কেন চঞ্চল ?
ধরতে তব ফুরাল গো বসুন্ধরার অঞ্চল !
এপার ওপার কোন খানেতে পাবে অমন সুধা !
প্রেম বিনে গো আর কিছুতে মিটবে না যে ক্ষুধা ।
তাইতো আমি প্রেমের চাষা প্রেমে রচি কাব্য,
প্রেমে কষি জটিল গণিত, প্রেমে করি সভ্য ।
মনকে সেখাই প্রেমের কানুন, প্রেমে মহা মুক্তি,
ভালবেসে মুক্তো লুকায় সাগর জলের শুক্তি !
সাত সাগরের জলের সমান মনের সিন্ধু আমার
আমি সেথা প্রেমের কুমার আবার প্রেমের কামার ! ’’
কবিঃ রুদ্র আতিক, সিরাজগঞ্জ
রাত্রিঃ ০৩.০৮ মিনিট
২৬ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ ।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৩:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


