
একটা গ্রামে যেতে ইচ্ছা করতেছে।
যে গ্রামটাতে এখনো
ইলেকট্রিসিটি, মোবাইল, 3G এর
কারবার শুরু হয় নাই।
গ্রামের মসজিদটা হবে অনেক
পুরানো। আশেপাশে বিশাল গাছ
দিয়ে ঘেরা। মসজিদের পাশে
ছোট কিন্তু পরিষ্কার টলটলে
পানির একটা পুকুর। যে পুকুরে গাছ
তার ছায়া দেখার জন্যে ঝুকে
পড়েছে। মুসল্লিদের অযু ঐ পুকুর
থেকেই করতে হয়।
ফজরের নামাজের পর মুরুব্বিরা
হাঁটতে বের হয়। পাখির ডাকে যখন
কান পাতা দায়। একটা দুইটা টং এর
দোকান খোলে। মুরুব্বিরা ভাঙ্গা
বেঞ্চে বসে চা খায়। ৭টার দিকে
গ্রামের বাচ্চারা মক্তবে পড়তে
যায়। তেল দিয়ে ছেলেরা চুল
একপাশে সিতি করে।
গ্রামের কিশোররা দুপুরে পুকুরে
দাপাদাপি করে। তারপর অনেকে
ভাত খেয়ে গ্রীষ্মের কড়া দুপুরে
কারো আম বাগানে হানা দিতে
যায়। হঠাৎ হঠাৎ ডেকে উঠে
ঘুঘু।
বিকালে গ্রামের মাঠে ফুটবল
খেলা হয়। সপ্তাহে দুইদিন হাট
বসে। যেখানে সবাই নিজ
ক্ষেতের টাটকা সবজি আর পুকুরের
মাছ বিক্রি করে। আরো থাকে
বাতাসা, মুড়ি মুড়কি, মাটির
ব্যাংক, চুড়ি লেইস
ফিতাওয়ালারা।
সন্ধ্যার পড়ে জোনাকি র আলো আর ঝি
পোকার শব্দ নিয়ে চেরাগের আলোয়
পড়তে বসে শিশুরা,ক্লান্ত পুরুষরা
আড্ডারত বাজারে আর নারীরা ঘরের
আংগিনায়!!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



