২য় পর্ব....
আবুল হালচাষ করতে চলে যায়।গিয়ে দখে শুকনা জমিতে শুল মাছ লাফাচ্ছে,মাছ এনে বউকে বলে:বউ এই শুলমাছ আমার জন্য রান্না করো।বউ বিদ্রোপের হাসি হাসে।আর ভাবে আবুলকে আজ উচিৎ শিক্ষা দিব,মনের আনন্দে বউ শুলমাছ রান্না করে খায়।বউ ভাবে; অনেক দিন পর পেটভরে খানা খেলাম, আজ আশুক আবুইল্লা। কথা বলতে না বলতেই আবুল চলে আসে।বউ, ওবউ কই গেলা, রাএে যে শুলমাছ দিয়েছিলাম সেটা রান্না করেছ কি? মাছ আবার তুমি কোথায় পাইলে। তুমি পাগল নাকি।শুকনা জমিতে কুথায় থেকে মাছ পেলে।হালচাষ করে যে শুলমাছ পেয়েছি সেটা! আবুল তুমার মাথা গেছে। তুমাকে ডাক্তার দেখানো উচিৎ।কথা না বাড়িয়ে আবুল হালচাষের পাজল দিয়ে বউকে মারতে তাকে। বউর চুল ধরে লাত, কিল ঘুসি মারে।বউ নিরুপায়, মাইর খেয়ে বউ পাড়া প্রতিবেশীর কাছে নালিশ নিয়ে যায়।গ্রামের পান্ঞায়েত এগিয়ে আসে। পান্ঞায়েত আবুলের কথা শুনতে চায়, আবুল বলে ,সকালে হালচাষ করতে শুকনু জমিতে শুলমাছ পাই ,বউকে দিয়ে ছিলাম রান্না করতে , বউ মাছগুলা একাই খেয়ে নেয়।রাতে আমাকে খাবার দেয়নি। সাহেবরা বলেন, সত্যিতো বউ তুমি স্বামীকে খাবার দাওনি কেন।বউ বলে, আগে আমার কথা শুনুন; শুকনা জমিতে কিভাবে শুলমাছ পওয়া যায় , আপনারাই বলেন। পান্ঞায়েত সাহেবরা চিন্তায় পরলেন।আমার স্বামি পাগল।উনাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান।পাড়া প্রতিবেশীরা আবুলের হাত পায়ে শিকল দিয়ে বেদে রাখে ।ছোট ছেলেরা আবুলকে মারতে থাকে। যে যেভাবে পারে আবুলকে মারে। একদম চুরের মাইর। আবুল অসহায়,।বউ বলে মারো, আরো মারো।আবুল এবার বোজতে পারে ,তার ভুল। ওবউ আমি পাগল না ,তুমি আমাকে পাগল বানাইছ মাইনসের কাছে।আমি মাফচাই বউ তুমার কাছে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



