somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দুনিয়া

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দুনিয়াটা বড় বিচিত্র। সর্বদা এখানে কোন না কোন নাটক চলছে। এই নাটকে আমরা প্রত্যেকেই এক এক চরিত্রে অভিনয় করছি। কেউ নায়কের চরিত্রে। কেউ ভিলেনের চরিত্রে। আমরা সবাই অবশ্য নিজেকে নায়ক দাবী করি। কিন্তু বাজে কাজের মাধ্যমে আমরা নিজেরাই নিজেদের ভিলেন বানিয়ে ফেলি।
আমরা অনেকেই মুখে অনেক নীতিকথা বলি। কিন্তু কাজের বেলা নিজের সামান্য স্বার্থকে ত্যাগ করতে পারি না। যদি নিজেদের এই সামান্য স্বার্থ ত্যাগ করতে পারতাম তাহলে দুনিয়াটা অনেক সুন্দর হত।
দুনিয়ায় এই স্বার্থের দ্বন্দ সৃষ্টির শুরু থেকেই চলছে। আজওবধি চলছে। হয়ত ধ্বংসের আগ পর্যন্ত চলবে।
দুনিয়াতে বিভিন্ন রকম পাগল আছে। কেউ বাড়ির পাগল, কেউ নারীর পাগল, কেউ ক্ষমতার পাগল, কেউ ক্ষ্যাতির পাগল, কেউ ভাবের পাগল, কেউ কাজের পাগল।
অনেক কিছু করব ভেবেছিলাম। কিন্তু কতটা করতে পারলাম জানীনা। কোন কিছু করার জন্য অনেক ধৈর্য্য থাকা দরকার। কিন্তু সবার সেটা থাকে না। দুদিন এটা করে তো, পরের দিন আরেকটা করে। একটি কাজ দুদিন করেই, এটা অনেক ঝামেলার, এটা অনেক কষ্টের। ব্যস এটার পালা শেষ।
আসলে ঘরমুখো মানুষরা কিছু করতে পারে না। ঘরের ভিতর বসে বসে বাহিরের অপার সম্ভাবনা সে দেখতে পায় না। সবকিছু একসাথে হয় না। তোমাকে অবশ্যই যেকোন একটি বেছে নিতে হবে। তুমি যদি ঘর দেখতে চাও তাহলে ভাল কিছু করার জন্য বাহিরে সময় দিতে পারবে না। ভাল কিছু করার জন্য অবশ্যই বাহিরে কর্মক্ষেত্রে, আড্ডার আসরে, বড়দের সাথে, জ্ঞানীদের সাথে মিশতে হবে।
গীতিকার, লেখক, কবিদের আমার বিরাট কিছু মনে হয়। কারন তারা সৃষ্টিশীল। তারা কলম নিয়ে বসলে বাস্তব এবং কল্পনা মিশিয়ে ভিন্ন একটি জগত বানাতে পারে। নতুন চিন্তার খোরাক জোগাতে পারে।
সফল হতে গেলে ভাগ্য, দৈহিক শক্তি, মেধা এবং কাজ করার ইচ্ছা থাকতে হবে। যিনি এই চারটি বিষয়ের সমন্ব্য় সাধন করতে পারবে সেই সফল হতে পারবে।
জীবনের প্রত্যেকটা ক্ষেত্র এক একটি যুদ্ধক্ষেত্র। এই যুদ্ধক্ষেত্রে অনেক প্রতিদ্বন্দী থাকে। আর এক যু্দ্ধে এক সাথে দুইজন জয়ী হতে পাররে না। যেকোন একজন জয়ী হবে।
বিষয়ের কোন ধারাবাহিকতা নেই বলে সবার কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। আশাকরি পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে লেখার সুযোগ হবে।

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৪৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আকাশের ঠিকানায় চিঠি দিলাম

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬

প্রিয়,
মেঘ বালিকা
(আকাশের ঠিকানায় চিঠি দিলাম ) ।



আজ তোমাকে আমার মনের একটি গোপন ইচ্ছার কথা বলতে ইচ্ছে হলো।
এই বাস্তব পৃথিবীর নিয়ম বড় অদ্ভুত,এখানে সবকিছুর একটা শেষ থাকে।
কিন্তু যখনই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পেঁপের বেগুনী, কুমড়োর চপ, কাঁঠালের বার্গার, ডিম সিদ্ধ করে ফ্রিজে ও পেঁয়াজ কুচি করে শুখিয়ে সংরক্ষন!!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৯

উহা পলাতক। যাহা কখনো পালায়না উহাই পালিয়েছে। উহা রান্না করা ভাত তরকারী বাস্প উড়ছে খেতে পারেনি কিন্তু তাতে কি উহা প্রতিদিন ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) টাকা প্রতিদিন খেয়েছে! :B#... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের আনন্দের ফুল

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৩ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯



প্রেয়সি হে প্রিয়তমা গিয়েছ কোথায়?
হারায় অমৃত ঘুম খোলা আখি পাত
বিবর্ণ অনেক লাগে জোছনার রাত
তোমায় হারিয়ে প্রিয়া আঁধার জীবন।
আসবে কি ফিরে তুমি সুখের প্রভায়
জীবন রাঙ্গিয়ে দিতে? অপেক্ষার হাত
তোমার পরশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্ধের হাতি দেখা ও আধুনিক ব্লগারির এক করুণ রম্যকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:২১


মানুষের জ্ঞানচর্চার ইতিহাসে একটি প্রাচীন উপকথা যুগে যুগে নতুন অর্থে ফিরে এসেছে অন্ধের হাতি দেখা। কয়েকজন অন্ধ মানুষ হাতির ভিন্ন ভিন্ন অঙ্গ স্পর্শ করে প্রত্যেকে নিজেকে সত্যের একমাত্র অধিকারী... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাঁদগাজীর বয়ানে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৩৭



গাজী সাহেব বলেছেন, এই ছবির একদম পেছনে যাকে দেখছেন, তিনি ৭১-এর যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। একই পরিবারের আত্নীয়সহ আরও পাঁচজন ৭১-এর যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। পরিবারের যিনি কোনোভাবে বেঁচে আছেন, তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×