আমরা জাতী হিসাবে বাংলাদেশী , আমাদের আরো একটি বড় পরিচয় আছে ; তাহা হল আমরা মুসলমান ।তাই আমরা বাংলাদেশীরা ইসলামী জাতীয়তাবাদী হিসাবে পরিচয় দিয়ে নিজেদেরকে ধন্য মনে করি । প্রতিটি দেশেরই নিজ নিজ কিছু কালচার বা সাংস্কৃতি আছে । আমরাও আমাদের দেশের অনেক সংস্কৃতি পালন করে মিলে মিশে বাস করছি । আমাদের মায়ের ভাষা যেহেতো বাংলা , তাই এ ভাষায় রচয়িত হয়েছে ও হচ্ছে অনেক সাহিত্য , যেমন অসংখ্য গল্প,উপন্যাস,নাটক,গান ইত্যাদি ।
সংগীত আমাদের জাতীয় জীবনে বিনোদনের একটি বড় অংশ । তাই আমাদের দেশের অনেক প্রখ্যাত শিল্পিরা গান গেয়ে , রচনা করে মানূষদের আনন্দ দিতেন । তাহারা অনেকেই গত হয়ে গেছেন । কিন্তু তাহাদের সৃষ্টি সব গানগূলু আমাদের নিজস্ব সাংস্কৃতির অংশ হয়ে আমাদের অন্তরের সাথে মিশে গেছে । নজরূলের গান,রবিন্দ্রণাথের গান,হাসন রাজার গান কিংবা লালনের গান কি আমাদের মনকে নাড়া দেয়না ? ওদের গানে আমরা নিজেদের সাংস্কৃতি , দেশের কথা, জীবনের কথা , মৃর্ত্যূর কথা পাই ।
আমার বক্তব্য হল ব্যান্ড গান নিয়ে ;তাই এই বিষয়ে আমি বলতে চাই যে,ব্যান্ড গানের জন্ম হয়েছে ইউরোপ থেকে । সেখানের শিল্পিরা মাথায় মেয়েলী চূল ধারন করে লাফিয়ে লাফিয়ে শরীর বাঁকা তেড়া করে , গারোব্যাংঙের মত সূর তূলে গান করে । তাদের কাছে অবশ্যই এটি জনপ্রিয় সংগীত ।
আমরাও তাদের অনূকরনে আমাদের দেশে এই সংগীতকে আমদানি করেছি । এখন আমাদের দেশে এটি একটি খূবই জনপ্রিয় সংগীত । যূবক যূবতীরা এই গানের খূবই ভক্ত । মাইকেল জ্যাকসনের আদর্শে গড়ে উঠা শিল্পি হাসান , জেমস এবং মাথা নাড়া করা আইয়ূব বাচ্ছূরা এখন দেশের বিখ্যাত শিল্পি । ওদের ভক্তের অভাব নেই । বাংলাদেশের যত উশিৃংখল , বেকার যূবক যূবতী আছে ,সবই তাদের ভক্ত । টেলিভিশনের পর্দা খূললে আর নীনা হামিদ , মীনা বড়ূয়া বা ফরিদা পারবীনকে দেখা যায়না । আপনি হয়তো টলিভিশনে বাংলা কোন চ্যানেল চালূ করেছেন আচমকা মনে করতে পারেন হয়তো ভূলে এনিমাল-প্লান্ট কিংবা কোন বানর নাচের চ্যানেল চালূ করেছেন ।
আমি অবাক হয়ে যাই যে , আমাদের ছেলে মেয়েরা এই সমস্ত গান শূনে কি মজা পায় ! বাংলাদেশে বর্ষা মাসের শূরূতে যখন নতূন পানি আসে ; তখন গারোব্যাংঙরা সূর তূলে যে আওয়াজ দেয় , তাহা;এই সংগীতের চেয়ে কম কিশে ?
আমি ভাবতেছি হয়তো একদিন আমাদের আগামীর প্রজন্ম আমাদের দেশের গান,পলি্লর গান,প্রকৃতির গান ভূলে যায় কি না । এই জন্য আমাদেরকে আরো বেশি করে আমাদের নিজেদের সাংস্কৃতির অধ্যায়ন করতে হবে ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




