somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উলটো হয়ে ঝুলে আছ/আছি

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবিটা উলটো হয়ে ঝুলছিল প্রায় 10 মিনিট ধরে। ছবির মধ্যে তুমিও উলটো হয়ে ঝুলছিলে। কারন ইহার নাম অংক, ইহার নাম বিজ্ঞান। আমার সামনে জ্যান্ত তুমি দাড়িয়ে আছে চোখ পাকিয়ে বেশ সুন্দর পালটা, অথচ তার ঠিক পেছনের ছবিটাতে তোমার মাথা নিচে, পা ওপরে। রীতিমত ম্যাজিক, নাকি বলো? এই ম্যাজিকের ম্যাজিশিয়ান তুমি নিজেই। তুমিই তো ক্ষেপে গিয়ে তোমার লম্বা লম্বা নখগুলির চোখা অংশ আমার চোখ বরাবর তাক করে হঠাৎ করে ঝাপ দিলে। আমার আর কি দোষ মরন ভয়ে সরে গেলে? তোমার ভারসাম্যহীন শরীর তখন তোমার ওপরে গিয়েই পড়লো। মানে তোমার ছবির ওপর। তখন থেকেই তো কি যাদু করিলা, উলটো হয়ে ঝুলিয়া থাকিলা। সে প্রায় 13 মিনিট আগের কথা। তুমি সম্ভবত একটু টায়ার্ড হয়ে পড়ছিলে, নখগুলিও গুটিয়ে নিচ্ছিলে। ঘনঘন নিঃশ্বাসের ভীতিকর শব্দ স্বাভাবিক হয়ে আসছিলো। আগুন ঝরা পাকানো চোখ কোমল না হলেও সহনীয় হচ্ছিল, ঠিক সেই মূহুর্তেই চরম ভূলটা আমি করলাম। শাড়ি পড়া তোমার উলটো হয়ে ঝুলে থাকার ভঙ্গিটি দেখে আমার হাসি পেয়ে গেল। হাসি আটকাতে পারলেও মুখের ডগায় চলে আসা কথাটি আটকাতে পারলাম না। চোখেমুখে বিস্ময় ফুটিয়ে বলে ফেললাম, ব, তুমিনা উলটো হয়ে ঝুলে আছো। আমি আসলে ছবির কথাটি বলছিলাম। কিন্তু তুমি তা বুঝলে না। কারন উত্তেজনার বশে তুমি তো এটি খেয়ালই করনি। তোমার সহনীয় হয়ে আসা চোখ আবারো আগুন হয়ে গেল। নখগুলি তো মনে হচ্ছিল শান দেয়া কোরবানীর মাংশ কাটা ছুরি। তারপর চেয়ার টা যখন তুললে তখন আমার মাথা কাজ করতে শুরু করেছে। বুঝলাম এখন সময় নিস্ক্রান্ত হওয়ার। চোখের পলকে হাওয়া আমি নিজেকে আবিস্কার করলাম সিড়ির শেষ প্রান্তে।

কি আশ্চর্য! আমি হাটতে পারছিনা। হাটবো কিভাবে? পা উপরে আর মাথা নিচে থাকলে কি হাটা যায়?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অপারেশন ইকারুস: বালির নীল গোলকধাঁধা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১২



কুয়ালালামপুর অপারেশনের ঠিক সাতদিন পর। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ‘নগুরা রাই’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান ল্যান্ড করল, তখন বালির আকাশ জুড়ে গোধূলির রক্তিম আলো।

বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশবাড়ীর মূর্তি বিতর্ক, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে কি অন্য কোনো নীলনকশা?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমীকরণে হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারবা অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ফাটল ও অননুমোদিত কাঠামোর মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভালো লাগে

লিখেছেন আরমান আরজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৮
×